📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৮:২৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

দক্ষিণ কোরিয়ার তারকা হা ইয়োংয়ের পরিবারের কলঙ্ক: প্রপিতামহের জাপানপন্থী কর্মকাণ্ডে ক্ষুব্ধ জনতা

দক্ষিণ কোরিয়ার তারকা হা ইয়োংয়ের পরিবারের কলঙ্ক: প্রপিতামহের জাপানপন্থী কর্মকাণ্ডে ক্ষুব্ধ জনতা

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দক্ষিণ কোরিয়ার অভিনেত্রী হা ইয়োং তার প্রপিতামহ আন সাং হোর জাপানপন্থী কর্মকাণ্ড সম্পর্কে না জানায় সামাজিক মাধ্যমে বিতর্কের মুখে পড়েছেন। ক্ষমা চাইলেও তার বিরুদ্ধে বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ড স্থগিত করা হয়েছে

দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় অভিনেত্রী হা ইয়োং সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে তার প্রপিতামহ আন সাং হোর কর্মকাণ্ড সম্পর্কে না জেনে গর্ব প্রকাশ করায় ব্যাপক বিতর্কের মুখে পড়েছেন। পরিবারের ঐতিহ্য হিসেবে প্রপিতামহের ডাক্তারি পেশাকে তুলে ধরতে গিয়ে তিনি জানান, তাঁর প্রপিতামহ জাপানে চিকিৎসাশাস্ত্রে পড়াশোনা করে সিউলে প্রথম পশ্চিমা ধাঁচের হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেন। তবে পরবর্তীতে অনুসন্ধানে জানা যায়, আন সাং হো জাপানি ঔপনিবেশিক শাসনের সমর্থক ছিলেন এবং জাপানি পক্ষে প্রচারণা চালাতেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 দক্ষিণ কোরিয়ার অভিনেত্রী হা ইয়োং তার প্রপিতামহ আন সাং হোর কর্মকাণ্ড সম্পর্কে না জেনে পরিবারের ঐতিহ্য হিসেবে তুলে ধরেন
  • 📌 আন সাং হো জাপানি ঔপনিবেশিক শাসনের সমর্থক ছিলেন এবং জাপানের পক্ষে প্রচারণা চালাতেন
  • 📌 ৭ আগস্ট কেবিএস ২ টিভিতে প্রচারিত সাক্ষাৎকারটি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে
  • 📌 অভিনেত্রী হা ইয়োং ক্ষমা চাইলেও তার বিরুদ্ধে বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধ এবং বিভিন্ন কর্মকাণ্ড স্থগিত করা হয়েছে

📰 বিস্তারিত

৭ আগস্ট দক্ষিণ কোরিয়ার কেবিএস ২ টিভিতে প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী হা ইয়োং তার পরিবারের চার প্রজন্ম ধরে ডাক্তারি পেশার ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, তাঁর প্রপিতামহ আন সাং হো জাপানে চিকিৎসাশাস্ত্রে পড়াশোনা করে সিউলে প্রথম পশ্চিমা ধাঁচের হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেন এবং তৎকালীন রাজাকে চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন। তবে পরবর্তীতে সামাজিক মাধ্যমে অনুসন্ধানে উঠে আসে যে আন সাং হো জাপানি ঔপনিবেশিক শাসনের সমর্থক ছিলেন। তিনি ১৯১৬ সালে জাপানি শাসনকে সমর্থনকারী একটি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং জাপানি স্টাইলে জীবনযাপন করতেন।

কোরিয়ার স্বাধীনতা দিবসের কয়েকদিন আগে অভিনেত্রীর মুখে এমন প্রপিতামহকে নিয়ে গর্ব প্রকাশ করা দর্শকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করে। শুরুতে হা ইয়োংয়ের এজেন্সি এসব অভিযোগকে ভিত্তিহীন দাবি করলেও দক্ষিণ কোরিয়ায় ব্যাপক জনরোষ তৈরি হয়। বিতর্ক চূড়ান্ত রূপ নিলে অভিনেত্রী ১২ আগস্ট ইনস্টাগ্রামে হাতে লেখা ক্ষমাপত্র প্রকাশ করেন। তিনি জানান, পরিবারের মুখে শোনা গল্প থেকে তিনি তাঁর প্রপিতামহের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে আংশিক জানতেন। তবে না জেনে তাঁকে নিয়ে গর্ব প্রকাশ করা তাঁর ভুল ছিল।

ক্ষমা চাওয়ার পরও দক্ষিণ কোরিয়ার জনগণের নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া কমছে না। ইতোমধ্যে তাঁর সাক্ষাৎকারটি পাবলিক প্ল্যাটফর্ম থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া এলজি ইউ প্লাস, স্যামসাং ইলেকট্রনিকস, নেভারসহ একাধিক প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধ করা হয়েছে। তাঁর অভিনীত একাধিক সিরিজের ভবিষ্যৎ নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

‘পরিবারের মুখে শোনা গল্প থেকে আমি আমার প্রপিতামহের জীবন সম্পর্কে আংশিক জানতাম। না জেনে সেই ইতিহাসকে গর্বের সঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় তুলে ধরার জন্য আমি লজ্জিত। আমার প্রপিতামহের এই কর্মকাণ্ড সম্পর্কে আমি অবগত ছিলাম না। ঔপনিবেশিক আমলের যন্ত্রণাদায়ক ইতিহাস না জেনে পরিবারের ঐতিহ্য নিয়ে কথা বলা আমার ভুল ছিল।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: দক্ষিণ কোরিয়া
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হা ইয়োং, আন সাং হো
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ আগস্ট, ১২ আগস্ট

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖