📌 দক্ষিণ এশিয়ার চার দেশের মানুষ নিজেদের প্রতিবেশী দেশগুলোর প্রতি কেমন মনোভাব পোষণ করেন, তা নিয়ে পিউ রিসার্চ সেন্টারের জরিপে উঠে এসেছে চমকপ্রদ তথ্য। শ্রীলঙ্কানদের মধ্যে ভারতের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে, অন্যদিকে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের অধিকাংশ মানুষ ভারতকে তাদের প্রধান হুমকি হিসেবে বিবেচনা করেন
দক্ষিণ এশিয়ার চার দেশ—বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার নাগরিকেরা নিজেদের প্রতিবেশী দেশগুলোর প্রতি কেমন মনোভাব পোষণ করেন, তা নিয়ে পরিচালিত এক জরিপে উঠে এসেছে উল্লেখযোগ্য তথ্য। বিখ্যাত গবেষণা সংস্থা পিউ রিসার্চ সেন্টারের জরিপে দেখা গেছে, চার দেশের মধ্যে একমাত্র শ্রীলঙ্কানরাই অন্য তিন দেশের তুলনায় বেশি ইতিবাচক মনোভাব প্রদর্শন করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শ্রীলঙ্কানদের মধ্যে ভারতের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব সর্বাধিক—৭৯ শতাংশ মানুষ ভারতকে ইতিবাচকভাবে দেখেন
- 📌 শ্রীলঙ্কার ৬৩ শতাংশ মানুষ ভারতকে তাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মিত্র হিসেবে বিবেচনা করেন
- 📌 বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের অধিকাংশ মানুষ ভারতকে তাদের দেশের প্রধান হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন
- 📌 ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বের প্রতি শ্রীলঙ্কানদের আস্থা সর্বাধিক—৭০ শতাংশ মানুষ তাঁর প্রতি আস্থা প্রকাশ করেছেন
- 📌 পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশের গ্রহণযোগ্যতা উল্লেখযোগ্য—যথাক্রমে ৬৬ শতাংশ ও ৫৬ শতাংশ মানুষ বাংলাদেশকে ইতিবাচকভাবে দেখেন
- 📌 ভারতের নাগরিকেরা নিজেদের দেশের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হিসেবে পাকিস্তানকে চিহ্নিত করেছেন
- 📌 শ্রীলঙ্কার প্রতি চার দেশের মানুষেরই ইতিবাচক মনোভাব রয়েছে—প্রতিটি দেশের প্রায় অর্ধেক মানুষ দেশটিকে ইতিবাচকভাবে মূল্যায়ন করেন
📰 বিস্তারিত
পিউ রিসার্চ সেন্টারের জরিপে দেখা গেছে, দক্ষিণ এশিয়ার চার দেশের মধ্যে শ্রীলঙ্কানরাই একমাত্র যারা নিজেদের প্রতিবেশী দেশগুলোর প্রতি ইতিবাচক মনোভাব প্রদর্শন করেছেন। শ্রীলঙ্কানদের মধ্যে ভারতের প্রতি ইতিবাচক মনোভাবের হার সবচেয়ে বেশি—৭৯ শতাংশ মানুষ ভারতকে ইতিবাচকভাবে দেখেন। এমনকি ৬৩ শতাংশ শ্রীলঙ্কান ভারতকে তাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মিত্র হিসেবে বিবেচনা করেন। অন্যদিকে, বাংলাদেশের মাত্র ৪২ শতাংশ এবং পাকিস্তানের মাত্র ৭ শতাংশ মানুষ ভারতের প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করেন।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈশ্বিক ভূমিকার ক্ষেত্রেও একই ধারা লক্ষ করা গেছে। শ্রীলঙ্কার ৭০ শতাংশ মানুষ মোদির নেতৃত্বের ওপর আস্থা প্রকাশ করেছেন। বিপরীতে, বাংলাদেশের ৪২ শতাংশ এবং পাকিস্তানের মাত্র ৪ শতাংশ মানুষ তাঁর প্রতি আস্থা দেখিয়েছেন। পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশের গ্রহণযোগ্যতা উল্লেখযোগ্য। পাকিস্তানের ৬৬ শতাংশ এবং শ্রীলঙ্কার ৫৬ শতাংশ মানুষ বাংলাদেশকে ইতিবাচকভাবে দেখেন। অন্যদিকে, ভারতের মাত্র ২৫ শতাংশ মানুষ বাংলাদেশের বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করেন।
পাকিস্তানে শ্রীলঙ্কার প্রতি ইতিবাচক মনোভাবের হার ৫৭ শতাংশ, আর বাংলাদেশের ক্ষেত্রে তা ৫৪ শতাংশ। তবে ভারতে শ্রীলঙ্কার গ্রহণযোগ্যতা খুবই কম—মাত্র ৮ শতাংশ। ভারতের নাগরিকেরা নিজেদের দেশের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হিসেবে পাকিস্তানকে চিহ্নিত করেছেন। চার দেশের মধ্যে শ্রীলঙ্কার গ্রহণযোগ্যতা তুলনামূলকভাবে বেশি। প্রতিটি দেশের প্রায় অর্ধেক মানুষ শ্রীলঙ্কাকে ইতিবাচকভাবে দেখেন, আর এক-তৃতীয়াংশ বা তারও কম মানুষ দেশটিকে নেতিবাচক চোখে দেখেন।
"দক্ষিণ এশিয়ার চার দেশের মধ্যে শ্রীলঙ্কানরাই একমাত্র যারা নিজেদের প্রতিবেশী দেশগুলোর প্রতি ইতিবাচক মনোভাব প্রদর্শন করেছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দক্ষিণ এশিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৯ শতাংশ, ৬৩ শতাংশ, ৪২ শতাংশ, ৭ শতাংশ, ৭০ শতাংশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!