📌 গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় নিয়মবহির্ভূতভাবে ২০৯ বস্তা সার মজুত রাখার অভিযোগে ব্যবসায়ীকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। জব্দ করা সারের সরকারি মূল্য ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭০০ টাকা
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় নিয়মবহির্ভূতভাবে সার মজুত রাখার অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে ২০৯ বস্তা সার জব্দ করেছে। অভিযানের সময় প্রতিষ্ঠানটির মালিককে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। জব্দ করা সারের সরকারি মূল্য ধরা হয়েছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭০০ টাকা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় নিয়মবহির্ভূতভাবে ২০৯ বস্তা সার মজুত রাখার অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালায়
- 📌 জব্দ করা সারের মধ্যে রয়েছে ১০২ বস্তা ইউরিয়া ও ১০৭ বস্তা এমওপি সার
- 📌 জব্দ করা সারের সরকারি মূল্য ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭০০ টাকা নির্ধারণ
- 📌 প্রতিষ্ঠানটির মালিককে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান
- 📌 জব্দ করা সার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার জিম্মায় রাখা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ছাপড়হাটী ইউনিয়নের শোভাগঞ্জ বাজারে অবস্থিত মেসার্স আজাহার আলী নামের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে সোমবার রাত ৯টার দিকে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালায়। অভিযানের নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঈফফাত জাহান তুলি। এ সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. কাইয়ুম চৌধুরী ও পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, কৃষকদের কাছে চড়া দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়মবহির্ভূতভাবে সার মজুত রাখার অভিযোগে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ১০২ বস্তা ইউরিয়া সারের সরকারি মূল্য ধরা হয় ১ লাখ ৩৭ হাজার ৭০০ টাকা এবং ১০৭ বস্তা এমওপি সারের সরকারি মূল্য ধরা হয় ১ লাখ ৭ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে জব্দ করা সারের সরকারি মূল্য দাঁড়ায় ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭০০ টাকা।
অভিযানের পর প্রতিষ্ঠানটির মালিককে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। জব্দ করা সার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার জিম্মায় রাখা হয়েছে। পরবর্তীতে এসব সার সরকারি মূল্যে কৃষকদের মধ্যে বিক্রি করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১০২ বস্তা ইউরিয়া ও ১০৭ বস্তা এমওপি সার জব্দ করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন জব্দ করা সার আমার জিম্মায় রেখেছেন। পরবর্তীতে এসব সার সরকারি মূল্যে কৃষকদের মধ্যে বিক্রি করা হবে।’ — উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. কাইয়ুম চৌধুরী
‘সার মজুত করে চড়া দামে বিক্রি ও কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগ পেয়ে অভিযান চালানো হয়। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় ২০৯ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।’ — উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঈফফাত জাহান তুলি
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মেসার্স আজাহার আলীর মালিক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০৯ বস্তা, ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭০০ টাকা, ৩০ হাজার টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!