📅 ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:৩৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

থাইল্যান্ডের পাহাড়ি বনে সূর্যালোক ছাড়াই বেঁচে থাকা ডেভিল ফ্লাওয়ারের গোপনীয়তা

থাইল্যান্ডের পাহাড়ি বনে সূর্যালোক ছাড়াই বেঁচে থাকা ডেভিল ফ্লাওয়ারের গোপনীয়তা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 থাইল্যান্ডের থং ফা ফুম ন্যাশনাল পার্কে সূর্যালোক ছাড়াই বেঁচে থাকা একটি অদ্ভুত উদ্ভিদ আবিষ্কৃত হয়েছে। থিসমিয়া ডেমোনা বা ডেভিল ফ্লাওয়ার নামের এই উদ্ভিদ মাটির নিচের ছত্রাকের পুষ্টি থেকে জীবনধারণ করে। বিজ্ঞানীরা এর উচ্চতা ১৩ সেন্টিমিটার পর্যন্ত লক্ষ্য করেছেন

থাইল্যান্ডের পশ্চিমাঞ্চলের পাহাড়ি বনে একটি অদ্ভুত উদ্ভিদ আবিষ্কৃত হয়েছে, যা সূর্যালোক ছাড়াই বেঁচে থাকার গোপনীয়তা প্রকাশ করেছে। থিসমিয়া ডেমোনা বা ডেভিল ফ্লাওয়ার নামে পরিচিত এই উদ্ভিদের সন্ধান পেয়েছেন চুলালংকর্ন ইউনিভার্সিটি ও প্রিন্স অব সংক্লা ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা। এই উদ্ভিদের অনন্য বৈশিষ্ট্য হলো, এটি সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় সূর্যের আলো ব্যবহার করে খাদ্য তৈরি করতে পারে না। বরং মাটির নিচের ছত্রাকের পুষ্টি থেকে জীবনধারণ করে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 থাইল্যান্ডের থং ফা ফুম ন্যাশনাল পার্কে আবিষ্কৃত হয়েছে ডেভিল ফ্লাওয়ার, যা সূর্যালোক ছাড়াই বেঁচে থাকে
  • 📌 উদ্ভিদটির নাম থিসমিয়া ডেমোনা, যার উচ্চতা ফুলসহ প্রায় ১৩ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হতে পারে
  • 📌 ডেভিল ফ্লাওয়ারের মাথায় তিনটি লম্বা শিংয়ের মতো অংশ এবং লালচে-কমলা অংশ রয়েছে, যা জ্বলন্ত চোখের মতো দেখায়
  • 📌 এই উদ্ভিদের ফুলের রং কালো এবং ভেতরে আধা-স্বচ্ছ নীল পুংকেশর রয়েছে
  • 📌 সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৯৩০ থেকে ৯৭০ মিটার উচ্চতায় এই উদ্ভিদের সন্ধান পাওয়া গেছে
  • 📌 বিজ্ঞানীরা মনে করেন, এই উদ্ভিদের মাইকোহেটারোট্রফি প্রক্রিয়া দ্বারা মাটির নিচের ছত্রাকের পুষ্টি থেকে জীবনধারণ করে

📰 বিস্তারিত

থিসমিয়া ডেমোনা বা ডেভিল ফ্লাওয়ারের আবিষ্কার বিজ্ঞানীদের জন্য একটি বড় বিস্ময়। এই উদ্ভিদের সাধারণ বৈশিষ্ট্য হলো, এর মধ্যে কোনো ক্লোরোফিল নেই, ফলে এটি সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় সূর্যের আলো ব্যবহার করে খাদ্য তৈরি করতে পারে না। বিজ্ঞানীদের তথ্যমতে, এই উদ্ভিদ মাটির নিচের ছত্রাকের পুষ্টি থেকে জীবনধারণ করে। বিজ্ঞানীদের তথ্যমতে, মাইকোহেটারোট্রফি প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদটি মাটি থেকে কার্বন ও পুষ্টি সংগ্রহ করে থাকে, যা সূর্যালোকের পরিবর্তে সরাসরি মাটির নিচের ছত্রাক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত থাকে।

প্রিন্স অব সংক্লা ইউনিভার্সিটির উদ্ভিদবিদ সাহুত চান্তানওররাপিন্ট জানান, এই আবিষ্কার একটি বড় বিস্ময় ছিল। তিনি বলেন, উদ্ভিদটির উচ্চতা ফুলসহ প্রায় সাড়ে বারো সেন্টিমিটার পর্যন্ত হতে পারে। এর মূলগুলো লোমশ এবং প্রবালের মতো। উদ্ভিদটির ফুলের রং প্রায় কালো এবং এর ভেতরে আধা-স্বচ্ছ নীল পুংকেশর রয়েছে। বিজ্ঞানীরা এই উদ্ভিদটিকে ফেইরি ল্যান্টার্ন বা পরির লন্ঠন নামেও পরিচিত।

বিশ্বজুড়ে এই গণের প্রায় ১২০টি প্রজাতি রয়েছে। তবে থাইল্যান্ডের পশ্চিমাঞ্চলের পাহাড়ি বনে এই উদ্ভিদের উপস্থিতি বিজ্ঞানীদের অবাক করেছে। সাধারণত আর্দ্র রেইনফরেস্টে এই প্রজাতির উদ্ভিদ পাওয়া যায়, কিন্তু পাহাড়ি অঞ্চলে এর আবিষ্কার বিজ্ঞানীদের জন্য একটি নতুন আবিষ্কার।

"মাইকোহেটারোট্রফি প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদটি মাটি থেকে কার্বন ও পুষ্টি সংগ্রহ করে থাকে, যা সূর্যালোকের পরিবর্তে সরাসরি মাটির নিচের ছত্রাক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত থাকে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: থং ফা ফুম ন্যাশনাল পার্ক, থাইল্যান্ড
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিজ্ঞানীরা (চুলালংকর্ন ইউনিভার্সিটি ও প্রিন্স অব সংক্লা ইউনিভার্সিটি)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯৩০-৯৭০ মিটার উচ্চতা, ১৩ সেন্টিমিটার উচ্চতা, ১২০টি প্রজাতি

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖