📌 রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের কুরিল দ্বীপ পরিদর্শনের পর জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানাই তাকাইচির বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিবাদ জানিয়েছে মস্কো। জাপানের দাবি, উত্তরাধিকার সূত্রে কুরিল দ্বীপ তাদের ভূখণ্ডের অংশ।
রাশিয়া জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানাই তাকাইচির বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। এর কারণ হলো, তিনি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সম্প্রতি কুরিল দ্বীপ পরিদর্শনের পর দেওয়া ‘রাশিয়া বিরোধী’ মন্তব্য। গত বৃহস্পতিবার পুতিনের এই বিতর্কিত পরিদর্শনের পরিপ্রেক্ষিতে জাপান রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতকে তলব করে প্রতিবাদ জানায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাশিয়া জাপানের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে প্রধানমন্ত্রী সানাই তাকাইচির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে।
- 📌 জাপানের প্রধানমন্ত্রী পুতিনের কুরিল দ্বীপ পরিদর্শনকে ‘গুরুতর’ ও ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে অভিহিত করেন।
- 📌 তিনি বলেন, ‘উত্তরাধিকার সূত্রে কুরিল দ্বীপ জাপানের ভূখণ্ডের অংশ।’
- 📌 রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ জাপানের ‘সামরিকবাদী মনোভাব’কে নিন্দা করেছেন।
📰 বিস্তারিত
রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে কুরিল দ্বীপ নিয়ে বিরোধ রয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়ন এই দ্বীপগুলো দখল করে নেয় এবং জাপানি জনগোষ্ঠীকে উচ্ছেদ করে। দক্ষিণ কুরিল দ্বীপপুঞ্জের ইটুরুপ, কুনাশির, শিকোতান ও হাবোমাই দ্বীপ নিয়ে বিরোধের কারণে রাশিয়া ও জাপান যুদ্ধ পরবর্তী শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করতে পারেনি।
গত সোমবার রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ জাপানের প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যকে ‘শালীনতার সীমা অতিক্রম করেছে’ বলে অভিহিত করেন। রাশিয়া-জাপান সম্পর্ক ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণ মাত্রার আগ্রাসনের পর থেকে আরও অবনতি হয়েছে। জাপান জি৭ দেশগুলোর সঙ্গে মিলে রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে এবং ইউক্রেনকে অর্থনৈতিক ও সামরিক সহায়তা প্রদান করছে।
বিশ্লেষকদের মতে, পুতিনের কুরিল দ্বীপ পরিদর্শন জাপানকে সতর্কবার্তা হিসেবে দেখা যেতে পারে। এর মাধ্যমে রাশিয়া জাপানকে ইঙ্গিত দিতে চাইছে যে, তারা ইউক্রেনকে সরাসরি সামরিক সহায়তা প্রদান বা ন্যাটোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলতে না পারে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জাপান তার শান্তিবাদী নীতিতে পরিবর্তন এনেছে এবং মৃত্যুদণ্ডের মতো বিধিনিষেধ শিথিল করেছে। তবে তারা যুদ্ধরত কোনো দেশকে সরাসরি মারাত্মক সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করতে পারছে না।
"রাশিয়া বিরোধী" "এটি একেবারেই অগ্রহণযোগ্য" "উত্তরাধিকার সূত্রে কুরিল দ্বীপ জাপানের ভূখণ্ডের অংশ, যা ঐতিহাসিক ও আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মস্কো, টোকিও
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী সানাই তাকাইচি, প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ মিনিট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!