📌 রোহিঙ্গা সংকটকে 'ভুলে যাওয়া সংকটে' পরিণত হতে না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে একযোগে কাজ করার তাগিদ দিয়ে তিনি টেকসই প্রত্যাবাসন ও পুনর্বাসনের ওপর জোর দেন
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন, রোহিঙ্গা সংকটকে কোনোভাবেই ভবিষ্যতের জন্য 'ভুলে যাওয়া সংকটে' পরিণত হতে দেওয়া যাবে না। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে রোহিঙ্গাদের টেকসই ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে মিয়ানমারের ওপর কার্যকর চাপ সৃষ্টির আহ্বান জানান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির রোহিঙ্গা সংকটকে 'ভুলে যাওয়া সংকটে' পরিণত হতে না দেওয়ার দাবি তুলেছেন
- 📌 রোহিঙ্গাদের টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন
- 📌 প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সরকার রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ
- 📌 তৃতীয় দেশে পুনর্বাসনসহ দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের পথ সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে
- 📌 আইআরসির আয়োজিত 'কনফ্লুয়েন্স ২০২৬' অনুষ্ঠানে এসব কথা বলা হয়
📰 বিস্তারিত
২২ আগস্ট ২০২৬ তারিখে রাজধানীর একটি হোটেলে আন্তর্জাতিক উদ্ধার কমিটি (আইআরসি) আয়োজিত 'কনফ্লুয়েন্স ২০২৬ : অ্যা কনভেনিং অব পার্টনারশিপ, অ্যাপ্রিসিয়েশন অ্যান্ড কমিটমেন্ট' শীর্ষক অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি ছিল ২০১৭ সালের আগস্টে মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে ব্যাপক বাস্তুচ্যুত হওয়ার নবম বার্ষিকী উপলক্ষে।
হুমায়ুন কবির আরও বলেন, দীর্ঘস্থায়ী এ সংকটের বোঝা বাংলাদেশের একার পক্ষে বহন করা সম্ভব নয়। তাই তৃতীয় দেশে পুনর্বাসনের সুযোগ বাড়ানোসহ রোহিঙ্গাদের জন্য অন্যান্য দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের পথ সম্প্রসারণ করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, সরকার শুধু মানবিক সহায়তার মাধ্যমে সংকটটি পরিচালনা করতে চায় না; বরং এর একটি টেকসই ও স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করতে দৃঢ়ভাবে কাজ করছে।
আইআরসির এশিয়া অঞ্চলের উপ-আঞ্চলিক পরিচালক হাসিনা রহমান বলেন, ৯ বছর ধরে চলা সংকটকে আগের মতো পরিচালনা করে দশম বা পঞ্চদশ বছরে যাওয়া সম্ভব নয়। তিনি অর্থায়ন কমে যাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ রোহিঙ্গাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করে এখনই যৌথভাবে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করার আহ্বান জানান।
"প্রত্যাবাসন শুরুর আগে রাখাইনে শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের উপযোগী পরিবেশ তৈরি না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশে থাকা রোহিঙ্গাদের মানসম্মত শিক্ষা ও টেকসই জীবিকার সুযোগ দিতে হবে।"
রোহিঙ্গা মানবাধিকারকর্মী লাকি করিম বলেন, প্রত্যাবাসনের আগে রাখাইনে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা জরুরি। তিনি রোহিঙ্গাদের জন্য মানসম্মত শিক্ষা ও জীবিকার সুযোগ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানী, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হুমায়ুন কবির, হাসিনা রহমান, লাকি করিম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!