📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৮:৫৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ফাঁকিতে চীনকে সহায়তা করেছে ৪০টির বেশি দেশ: হোয়াইট হাউস প্রতিবেদন

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ফাঁকিতে চীনকে সহায়তা করেছে ৪০টির বেশি দেশ: হোয়াইট হাউস প্রতিবেদন

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক এড়াতে চীনকে সহায়তা করেছে ৪০টির বেশি দেশ। এসব দেশের মাধ্যমে তৃতীয় পথে চীনা পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করছে বলে হোয়াইট হাউসের দাবি। ফলে মার্কিন কর্মসংস্থান ও রাজস্ব ক্ষতির মুখে পড়েছে বলে জানানো হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ফাঁকিতে চীনকে সহায়তা করেছে ৪০টির বেশি দেশ। এসব দেশের মাধ্যমে তৃতীয় পথে চীনা পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করছে বলে হোয়াইট হাউসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে মার্কিন কর্মসংস্থান ও রাজস্ব ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন হোয়াইট হাউসের বাণিজ্য উপদেষ্টা পিটার নাভারো।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ফাঁকিতে চীনকে সহায়তা করেছে ৪০টির বেশি দেশ
  • 📌 তৃতীয় দেশের মাধ্যমে চীনা পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করছে বলে হোয়াইট হাউসের দাবি
  • 📌 এ প্রক্রিয়ায় মার্কিন কর্মসংস্থান ও রাজস্ব ক্ষতির মুখে পড়েছে বলে জানিয়েছেন পিটার নাভারো
  • 📌 চীনের দূতাবাসের মুখপাত্র অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, ‘বাণিজ্যযুদ্ধে কেউ জয়ী হয় না’
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে পাল্টাপাল্টি নিষেধাজ্ঞা অব্যাহত রয়েছে

📰 বিস্তারিত

হোয়াইট হাউসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক এড়াতে চীনকে সহায়তা করেছে ৪০টির বেশি দেশ। এসব দেশের মাধ্যমে তৃতীয় পথে চীনা পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করছে। ফলে তুলনামূলক কম হারে শুল্ক দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পণ্য বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, চীন তৃতীয় দেশকে মধ্যবর্তী গন্তব্য হিসেবে ব্যবহার করছে। সেই সঙ্গে পণ্যের মোড়ক পরিবর্তন করে প্রকৃত উৎপত্তিস্থল আড়াল করছে। ফলে এসব পণ্য কম শুল্কে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবেশ করছে।

হোয়াইট হাউসের বাণিজ্য উপদেষ্টা পিটার নাভারো বলেন, এই প্রক্রিয়ায় মার্কিন কর্মসংস্থান ও রাজস্ব ক্ষতির মুখে পড়েছে। তিনি জানান, সরকারি ও বেসরকারি খাতের হিসাব অনুযায়ী, ৩০ বিলিয়ন থেকে প্রায় ৩০ হাজার কোটি ডলারের পণ্য বেশি শুল্কের আওতাভুক্ত দেশ থেকে কম শুল্কের আওতাভুক্ত দেশের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে। এই প্রক্রিয়াকে ‘ট্রান্সশিপমেন্ট’ নামে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে ওয়াশিংটনের চীনা দূতাবাসের মুখপাত্র অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, ‘বাণিজ্যযুদ্ধে কেউ জয়ী হয় না।’ তিনি যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ ও চীনা কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ব্যবহারের বিরোধিতা করেন। তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, তৃতীয় দেশের মাধ্যমে পণ্য পাঠানো নিয়ে কোনো একতরফা পদক্ষেপ যেন অন্য দেশের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত না করে।

‘বাণিজ্যযুদ্ধে কেউ জয়ী হয় না।’ — ওয়াশিংটনের চীনা দূতাবাসের মুখপাত্র

এরই মধ্যে কয়েক সপ্তাহ পর ওয়াশিংটনে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করার কথা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে পাল্টাপাল্টি নিষেধাজ্ঞা ও বাণিজ্য বিধিনিষেধ অব্যাহত রয়েছে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র চীনের মানবাকৃতির রোবটের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। তার জেরে চীন যুক্তরাষ্ট্রে ড্রোন রপ্তানিতে আরও কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, পিটার নাভারো, সি চিন পিং
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০, ৩০ বিলিয়ন, ৩ হাজার, ৩০ হাজার, ১৫৭

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖