📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:৩৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সৌদি আরবের কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৬ বাংলাদেশির মধ্যে ১৩ জনই নওগাঁর বাসিন্দা

সৌদি আরবের কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৬ বাংলাদেশির মধ্যে ১৩ জনই নওগাঁর বাসিন্দা

📷 ছবি: শেয়ার বিজ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Share Biz ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সৌদি আরবের রিয়াদে সোফা তৈরির কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৬ বাংলাদেশি শ্রমিক নিহত হন। নিহতদের মধ্যে ১৩ জনের বাড়ি নওগাঁ জেলায়। জেলা প্রশাসক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের মানফুয়া এলাকায় অবস্থিত একটি সোফা তৈরির কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৬ বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ১৩ জনের বাড়ি নওগাঁ জেলায় বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সৌদি আরবের রিয়াদে সোফা কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৬ বাংলাদেশির মধ্যে ১৩ জনই নওগাঁর বাসিন্দা
  • 📌 নিহতদের মধ্যে ১২ জন আত্রাই উপজেলার এবং একজন সদর উপজেলার বাসিন্দা
  • 📌 নিহতদের বয়সসীমা ১৬ থেকে ৪৮ বছর পর্যন্ত
  • 📌 কারখানার মূল ফটক তালাবদ্ধ থাকায় শ্রমিকেরা বের হতে পারেননি

📰 বিস্তারিত

সৌদি আরবের রিয়াদে গত রোববার (৯ আগস্ট) স্থানীয় সময় দুপুর সাড়ে ১২টায় মানফুয়া এলাকার ওই কারখানায় আগুন লাগে। এ সময় কারখানার ভেতরে আটকে পড়ে ১৬ বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু হয়। তাদের মধ্যে ১৩ জনের বাড়ি নওগাঁ জেলার আত্রাই ও সদর উপজেলায়। নিহতদের পরিচয় শনাক্ত এবং মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সৌদি আরবে বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রমকল্যাণ উইং কাজ করছে বলে জানান জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।

নিহতদের মধ্যে আত্রাই উপজেলার সাদনগর গ্রামের সাগর (৩৮), খরস্রোতা গ্রামের মজিদুল (৩৪) ও আব্দুল জলিল (৪৮), উজানপৈ গ্রামের ফরিদ শেখ (৩২), ডুবাই গ্রামের সুমন (৩১) ও হাসিবুল হাসান শুভ (৩৭), কালিকাপুর ইউনিয়নের গন্ডগোহালি গ্রামের মহন প্রামাণিক (২২), তার ছোট ভাই সুমন প্রামাণিক (১৬), একই গ্রামের রুবেল প্রামাণিক (৩০) ও কলিমুল্লাহ প্রামাণিক (৩৫), বোয়ালা গ্রামের হূদয় (৩২), মধ্যবোয়ালিয়া গ্রামের মিনহাজ (৩০) এবং নওগাঁ সদর উপজেলার নওগাঁ পৌরসভার পার-নওগাঁ এলাকার শাহিন (৩৮) রয়েছেন।

ফরিদ শেখের চাচাতো ভাই জাহিদুল ইসলাম জানান, অগ্নিকাণ্ডের সময় শ্রমিকেরা ঘুমিয়ে ছিলেন। কারখানার মূল ফটক বাইরে থেকে তালাবদ্ধ থাকায় তারা বের হতে পারেননি। আগুন লাগার পর বের হতে না পারায় সেখানে থাকা সব শ্রমিকের মৃত্যু হয়।

"কারখানার মূল ফটক তালাবদ্ধ থাকায় শ্রমিকেরা বের হতে পারেননি। দিনের বেলায় ঘুম এবং রাতে কাজ করার কারণে তারা ওই সময় কারখানার ভেতরেই ছিলেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রিয়াদ, সৌদি আরব
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম (জেলা প্রশাসক, নওগাঁ)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬ জন নিহত, ১৩ জন নওগাঁর বাসিন্দা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖