📅 ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মানবতাবিরোধী অপরাধে সহযোগিতার অভিযোগে টেলিনর সদর দপ্তরে নরওয়ের তদন্তকারী বাহিনী অভিযান চালায়

মানবতাবিরোধী অপরাধে সহযোগিতার অভিযোগে টেলিনর সদর দপ্তরে নরওয়ের তদন্তকারী বাহিনী অভিযান চালায়

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মিয়ানমারের সামরিক জান্তা সরকারের সাথে সহযোগিতার অভিযোগে নরওয়ের টেলিনর কোম্পানির সদর দপ্তরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযান চালিয়েছে। মিয়ানমারের গণতন্ত্রকামী আন্দোলনকর্মীদের নির্যাতনের জন্য টেলিনরকে দায়ী করে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা জাস্টিস ফর মায়ানমার নতুন তদন্তের দাবি জানিয়েছে

মিয়ানমারের সামরিক জান্তা সরকারের সাথে সহযোগিতার অভিযোগে নরওয়ের টেলিযোগাযোগ কোম্পানি টেলিনরের সদর দপ্তরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) অভিযান চালিয়েছে। এই অভিযানটি মানবতাবিরোধী অপরাধে সহযোগিতার অভিযোগের পাশাপাশি মিয়ানমারে নজরদারি সরঞ্জাম বিক্রির বিষয়েও কেন্দ্রীভূত হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৫ সেপ্টেম্বর নরওয়ের অসলোতে টেলিনরের সদর দপ্তরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযান চালায় মানবতাবিরোধী অপরাধে সহযোগিতার অভিযোগে।
  • 📌 মিয়ানমারের সামরিক জান্তা সরকারের হাতে টেলিনর তাদের গ্রাহকদের ১ কোটি ৮০ লাখেরও বেশি ব্যক্তিগত তথ্য হস্তান্তর করেছিল বলে অভিযোগ।
  • 📌 মিয়ানমারের গণতন্ত্রকামী আন্দোলনকর্মীদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার ও নির্যাতনের জন্য এই তথ্য ব্যবহৃত হয়েছিল।
  • 📌 নরওয়ের জাতীয় অপরাধ তদন্ত সংস্থা (ক্রিপোস) ২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত সময়কালে টেলিনরের সম্ভাব্য সহযোগিতা তদন্ত করছে।
  • 📌 নরওয়ের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা (পিএসটি) তদন্ত করছে টেলিনর মিয়ানমারে অনুমতি ছাড়াই স্পাইওয়্যার বিক্রি করা কি না।
  • 📌 টেলিনর দাবি করেছে, মিয়ানমারের জান্তা সরকারের চাপে তাদের অন্য বিকল্প ছিল না।
  • 📌 আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ‘জাস্টিস ফর মায়ানমার’ নতুন তদন্তের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে।

📰 বিস্তারিত

মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের পর জান্তা সরকারকে গ্রাহকদের ব্যক্তিগত তথ্য প্রদানের অভিযোগে নরওয়ের টেলিনর কোম্পানির সদর দপ্তরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযান চালিয়েছে। এই অভিযানটি মানবতাবিরোধী অপরাধে সহযোগিতার অভিযোগের পাশাপাশি মিয়ানমারে নজরদারি সরঞ্জাম বিক্রির বিষয়েও কেন্দ্রীভূত হয়েছে।

২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি অং সান সু চির গণতান্ত্রিক সরকারকে উৎখাত করে সামরিক জান্তা ক্ষমতা দখল করে। পরবর্তীতে ২০২২ সালের ২৫ মার্চ টেলিনর তাদের মিয়ানমার শাখা বিক্রি করে। এই সময়কালে টেলিনর মিয়ানমারের ১ কোটি ৮০ লাখেরও বেশি গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য জান্তা সরকারের হাতে তুলে দিয়েছিল বলে অভিযোগ করা হচ্ছে। এই তথ্য ব্যবহার করে জান্তা সরকার গণতন্ত্রকামী আন্দোলনকর্মীদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার ও নির্যাতন চালিয়েছিল।

নরওয়ের পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে দুটি পৃথক তদন্ত পরিচালিত হচ্ছে। এর মধ্যে একটি মানবতাবিরোধী অপরাধে সহযোগিতা এবং অন্যটি অনুমতি ছাড়াই নজরদারি সরঞ্জাম বিক্রি। নরওয়ের জাতীয় অপরাধ তদন্ত সংস্থা (ক্রিপোস) ২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত সময়কালে টেলিনরের সম্ভাব্য সহযোগিতা খতিয়ে দেখছে। এছাড়াও, নরওয়ের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা (পিএসটি) তদন্ত করছে টেলিনর মিয়ানমারে অনুমতি ছাড়াই স্পাইওয়্যার বিক্রি করা কি না।

টেলিনর মিয়ানমারের ২০২১ সালের জুলাইয়ে ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দেয় এবং পরে লেবানিজ প্রতিষ্ঠান ‘এমওয়ান গ্রুপ’-এর কাছে শাখাটি বিক্রি করে। নরওয়ে সরকারের টেলিনরে ৫৪ শতাংশ রাষ্ট্রীয় অংশীদারত্ব রয়েছে। অভিযানের পর প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, তারা তদন্তকারীদের সঙ্গে পূর্ণ সহযোগিতা করছে এবং ঘটনাটি তদন্ত করতে সব ধরনের সহায়তা দেবে। তবে টেলিনর দাবি করেছে, স্থানীয় কর্মীদের ওপর জান্তা সরকারের চরম মানসিক চাপ ছিল এবং নির্দেশ না মানলে কর্মীদের কারাদণ্ড, নির্যাতন বা মৃত্যুর ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল।

"টেলিনরের মাধ্যমে জান্তার হাতে স্পাইওয়্যার পৌঁছে দেওয়া এবং গ্রাহকের তথ্য হস্তান্তরের বিষয়টি তথ্যপ্রমাণসহ নথিভুক্ত করা হয়েছে। এ ধরনের আইনি পদক্ষেপের মাধ্যমে টেলিনরের দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ ও বিপজ্জনক সরঞ্জাম বিক্রির কারণে মিয়ানমারের জনগণের যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তার বিচার নিশ্চিত হবে।"

ইয়াদানার মং, ‘জাস্টিস ফর মায়ানমার’ সংস্থার মুখপাত্র

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নরওয়ের অসলো (টেলিনর সদর দপ্তর)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: টেলিনর কর্মী, অং সান সু চি, ইয়াদানার মং (জাস্টিস ফর মায়ানমার)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ সেপ্টেম্বর, ১ কোটি ৮০ লাখ গ্রাহক, ৫৪ শতাংশ, ১ ফেব্রুয়ারি, ২৫ মার্চ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖