📌 গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলে গ্যাস সরবরাহ বেড়ে ৪০০ মিলিয়ন ঘনফুটে পৌঁছেছে। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পর লোডশেডিং কমে উৎপাদন কার্যক্রমে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। জেলা প্রশাসক পরিদর্শন করেন শিল্পকারখানাগুলোতে
গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলে গ্যাস সরবরাহের পরিস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুসরণে গ্যাস সরবরাহ বেড়ে ৪০০ মিলিয়ন ঘনফুটে পৌঁছেছে, যা আগের ২৬০ মিলিয়ন ঘনফুটের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি। এর ফলে লোডশেডিং কমে গাজীপুরের শিল্পকারখানাগুলোতে উৎপাদন কার্যক্রমে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গাজীপুরে শিল্পাঞ্চলে গ্যাস সরবরাহ বেড়ে ৪০০ মিলিয়ন ঘনফুটে পৌঁছেছে (আগে ছিল ২৬০ মিলিয়ন)
- 📌 দৈনিক গ্যাস চাহিদা ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট, বর্তমানে সরবরাহ হচ্ছে ৪০০ মিলিয়ন ঘনফুট
- 📌 লোডশেডিং কমে উৎপাদন কার্যক্রমে স্বস্তি ফিরেছে, কিন্তু পুরোপুরি স্বাভাবিক রাখতে গ্যাস চাপ আরও বাড়ানোর দাবি শিল্পমালিকদের
- 📌 জেলা প্রশাসক মো. নুরুল করিম ভূঁইয়া পরিদর্শন করেন স্প্যারো ফ্যাশন, ডিবিএল গার্মেন্টস ও তিতাস গ্যাসের কেন্দ্র
- 📌 শিল্পকারখানাগুলোতে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছিল গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ার কারণে
📰 বিস্তারিত
গাজীপুরের শিল্পকারখানাগুলোতে গ্যাস সরবরাহের উন্নতি নিয়ে আজ বুধবার জেলা প্রশাসক মো. নুরুল করিম ভূঁইয়া পরিদর্শন করেন। তিনি স্প্যারো ফ্যাশন, ডিবিএল গার্মেন্টস, পল্লী বিদ্যুতের জয়দেবপুর গ্রিড ও তিতাস গ্যাসের আঞ্চলিক বিপণন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ার কারণে গাজীপুরের শিল্পকারখানাগুলোতে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছিল। উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি সময়মতো পণ্য সরবরাহের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। অনেক কারখানা উৎপাদন কমিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছিল।
গাজীপুরের শিল্পকারখানাগুলোতে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পর গ্যাস সরবরাহ বেড়ে বর্তমানে প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ঘনফুটে পৌঁছেছে। ডিবিএল গ্রুপের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল কাদির অনু বলেন, ‘গ্যাসের চাপ বাড়ায় শিল্পকারখানাগুলোতে উৎপাদন পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে উৎপাদন আরও স্বাভাবিক হবে।’
তিতাস গ্যাসের গাজীপুর আঞ্চলিক বিপণন বিভাগের ব্যবস্থাপক মোস্তফা মাহবুব জানান, শিল্পাঞ্চলে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি আগের তুলনায় উন্নত হয়েছে। সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্টরা কাজ করছেন। জেলা প্রশাসক মো. নুরুল করিম ভূঁইয়া বলেন, শিল্পের উৎপাদন কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে সরকার গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি আরও স্থিতিশীল রাখতে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হচ্ছে।
"গ্যাসের চাপ বাড়ায় শিল্পকারখানাগুলোতে উৎপাদন পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে উৎপাদন আরও স্বাভাবিক হবে।"
— মোহাম্মদ আবদুল কাদির অনু, ডিবিএল গ্রুপের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাজীপুর, জয়দেবপুর গ্রিড, তিতাস গ্যাসের আঞ্চলিক বিপণন কেন্দ্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. নুরুল করিম ভূঁইয়া (জেলা প্রশাসক), মোহাম্মদ আবদুল কাদির অনু (ডিবিএল গ্রুপের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক), মোস্তফা মাহবুব (তিতাস গ্যাসের ব্যবস্থাপক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০০ মিলিয়ন ঘনফুট (বর্তমান গ্যাস সরবরাহ), ২৬০ মিলিয়ন ঘনফুট (পূর্বের গ্যাস সরবরাহ), ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট (দৈনিক গ্যাস চাহিদা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!