📌 ইসরায়েল যুক্তরাজ্যের বিরুদ্ধে চারটি পাল্টা পদক্ষেপ ঘোষণা করেছে। জেরুজালেমে ব্রিটিশ কনস্যুলেট বন্ধের পাশাপাশি ব্রিটিশ প্রতিনিধিদের প্রত্যাহার, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বন্ধ এবং ১২ জন ব্রিটিশকে প্রবেশ নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে। ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিয়ন সাআর যুক্তরাজ্যের ইসরায়েলবিরোধী নীতিকে ‘শত্রুতাপূর্ণ’ বলে সমালোচনা করেছেন
ইসরায়েল যুক্তরাজ্যের বিরুদ্ধে চারটি সার্বিক পাল্টা পদক্ষেপ ঘোষণা করেছে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ইসরায়েল ব্রিটিশ সরকারের ইসরায়েলবিরোধী নীতির প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিয়ন সাআর জানিয়েছেন, যুক্তরাজ্যের ‘ধারাবাহিক ইসরায়েলবিরোধী সিদ্ধান্ত’ এবং ‘নির্লজ্জ হস্তক্ষেপ’ের প্রতিক্রিয়ায় এ পদক্ষেপগুলি নেওয়া হয়েছে। তিনি ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ডের বিরুদ্ধে ‘চরম মিথ্যাচার’ এবং লেবার সরকারের ইসরায়েলের প্রতি ‘শত্রুতাপূর্ণ’ মনোভাবের অভিযোগ উঠিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **জেরুজালেমে ব্রিটিশ কনস্যুলেট বন্ধ**: ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, ব্রিটিশ কনস্যুলেটের কার্যক্রম বন্ধ করা হবে।
- 📌 **ব্রিটিশ প্রতিনিধিদের প্রত্যাহার**: দক্ষিণ ইসরায়েলের কিরিয়াত গাতে অবস্থিত ইন্টারন্যাশনাল গাজা সাপোর্ট সেন্টার থেকে ব্রিটিশ প্রতিনিধিদের প্রত্যাহার করা হবে।
- 📌 **প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বন্ধ**: পশ্চিমতীরে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের বাহিনীকে প্রশিক্ষণে ব্রিটিশ কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ করা হবে।
- 📌 **১২ জন ব্রিটিশকে প্রবেশ নিষিদ্ধ**: ইসরায়েল ১২ জন ব্রিটিশ নির্বাচিত প্রতিনিধি ও কিছু ব্রিটিশ নাগরিককে প্রবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে, তাদেরকে ‘ইহুদিবিদ্বেষী ও ইসরায়েলবিরোধী’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
- 📌 **ফিলিস্তিন রাষ্ট্র বিরোধিতা**: ইসরায়েলের জনগণ ‘দেশের প্রাণকেন্দ্রে’ ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করছে বলে দাবি করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিয়ন সাআর।
- 📌 **পশ্চিমতীরের বসতিগুলোর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা**: ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ডের দাবি, ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের হাতে ফিলিস্তিনিদের ‘জাতিগত নিধন’ চলছে এবং ইসরায়েল সরকারের নীরব সমর্থন রয়েছে।
📰 বিস্তারিত
ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিয়ন সাআর যুক্তরাজ্যের ইসরায়েলবিরোধী নীতিকে ‘পদ্ধতিগত’ বলে সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, যুক্তরাজ্য ইসরায়েলের নির্বাচনী প্রক্রিয়ার আগে এসব পদক্ষেপ ঘোষণা করে একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ‘নির্লজ্জ হস্তক্ষেপ’ করছে। এছাড়াও, তিনি ব্রিটিশ সরকারের ইসরায়েলি পণ্য বয়কটের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন।
ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ডের অভিযোগের প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েলের পদক্ষেপগুলি আরও তীব্র হয়েছে। তিনি দাবি করেছেন, পশ্চিমতীরের ইসরায়েলি বসতিগুলোর সঙ্গে বাণিজ্যে ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন। মিলিব্যান্ডের মতে, ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের হাতে ফিলিস্তিনিদের ‘জাতিগত নিধন’ চলছে এবং ইসরায়েল সরকারের নীরব সমর্থন রয়েছে।
ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিয়ন সাআর বলেছেন, ব্রিটিশ সরকার ‘ইসরায়েল রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কাজ করছে’। তিনি ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ডের বিরুদ্ধে ‘চরম মিথ্যাচার’ এবং লেবার সরকারের ইসরায়েলের প্রতি ‘শত্রুতাপূর্ণ’ মনোভাবের অভিযোগ উঠিয়েছেন।
"যুক্তরাজ্য সরকারের ‘ধারাবাহিক ইসরায়েলবিরোধী সিদ্ধান্তের’ প্রতিক্রিয়ায় এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ব্রিটিশ সরকার ‘পদ্ধতিগতভাবে ইসরায়েল রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কাজ করছে’"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জেরুজালেম (ব্রিটিশ কনস্যুলেট), দক্ষিণ ইসরায়েলের কিরিয়াত গাত (ইন্টারন্যাশনাল গাজা সাপোর্ট সেন্টার), পশ্চিমতীর (ফিলিস্তিনি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গিদিয়ন সাআর (ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী), এড মিলিব্যান্ড (ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪টি পাল্টা পদক্ষেপ, ১২ জন ব্রিটিশকে প্রবেশ নিষিদ্ধ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!