📌 ১৯৩২ সালে ইরান সফরে গিয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পারস্যের সাহিত্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে নিজের গভীর সংযোগের কথা তুলে ধরেন। ইরানি সাংসদ দশ্তির সঙ্গে আলাপচারিতায় তিনি উভয় দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের মিল তুলে ধরেন
১৯৩২ সালে পারস্য ভ্রমণের সময় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ইরানি সাংসদ দশ্তির সঙ্গে এক ঐতিহাসিক সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন। সেই সাক্ষাৎকারে তিনি পারস্যের সাহিত্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে নিজের গভীর সংযোগের কথা তুলে ধরেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৯৩২ সালে পারস্য ভ্রমণের সময় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ইরানি সাংসদ দশ্তির সঙ্গে সাক্ষাৎকার দেন।
- 📌 পারস্যের সাহিত্য ও সংস্কৃতি রবীন্দ্রনাথকে গভীরভাবে স্পর্শ করেছিল।
- 📌 মাসুদ খানের অনুবাদে সাক্ষাৎকারটি ১৯৯৯ সালের ৬ আগস্ট প্রথম আলোর ‘শুক্রবারের সাময়িকী’তে প্রকাশিত হয়।
- 📌 রবীন্দ্রনাথ পারস্যের সঙ্গে বাংলার সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের কথা উল্লেখ করেন।
📰 বিস্তারিত
১৯৩২ সালে পারস্য ভ্রমণের সময় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ইরানি সাংসদ দশ্তির সঙ্গে এক ঐতিহাসিক সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন। সেই সাক্ষাৎকারে তিনি পারস্যের সাহিত্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে নিজের গভীর সংযোগের কথা তুলে ধরেন। পারস্য ছেড়ে যাওয়ার সময় তিনি বলেন, নিজেকে ভিনদেশী বলে মনে হচ্ছে না। তিনি আরও বলেন, যদিও তিনি পারস্যের ভাষা জানেন না, তবুও তিনি ইরানি জনগণের সঙ্গে অনায়াসে যোগাযোগ করতে পেরেছেন।
দশ্তি রবীন্দ্রনাথকে প্রশ্ন করেন, পারস্যে এসে তিনি কী খুঁজছেন। জবাবে রবীন্দ্রনাথ বলেন, তিনি এসেছেন প্রাচীন ভারতকে আবিষ্কার করতে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ভারত ও ইরান একই অভিন্ন সংস্কৃতির অংশীদার ছিল। তিনি বলেন, বাংলা ভাষায় ফার্সি শব্দের প্রভাব রয়েছে, যা তাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত হয়।
রবীন্দ্রনাথ আরও বলেন, ভারত ও ইরানের মধ্যে মুসলিম শাসনের আগেও সক্রিয় সাংস্কৃতিক বিনিময় ছিল। তিনি উল্লেখ করেন যে, বাংলায় পারস্য সংস্কৃতির প্রভাব রয়েছে এবং তিনি বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে পারস্য সংস্কৃতির একটি বিভাগ চালু করেছেন। তিনি বলেন, পারসিক মেজাজ কাব্যিক এবং তারা সঙ্গীত ও খোশগল্প ভালোবাসেন।
"ভাষারা এক্ষেত্রে যা হোক, গৌণ; প্রধান গুরুত্বের বিষয় হচ্ছে আমাদের মনস্তাত্ত্বিক গড়ন, যা নিজেকে ব্যক্ত করে সরাসরি ইঙ্গিত আর অভিব্যক্তির মাধ্যমে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইরান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, দশ্তি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!