📌 ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসুফ এস ওয়াই রমাদান জানান, দশকের পর দশক ধরে নিপীড়নের মুখেও ফিলিস্তিনিরা স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচারের সংগ্রাম অব্যাহত রাখবে। রাজধানীতে আয়োজিত আলোকচিত্র প্রদর্শনীতে তিনি বাংলাদেশিদের ভূমিকার প্রশংসা করেন
ফিলিস্তিনিদের স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচারের সংগ্রামে বাংলাদেশিদের সাহসী অংশগ্রহণের প্রশংসা করেছেন ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসুফ এস ওয়াই রমাদান। শুক্রবার রাজধানীর পান্থপথে দৃকপাঠ ভবনে আয়োজিত ‘ফ্লোটিলা: বাংলাদেশ সেইলস ফর গাজা’ শীর্ষক আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ফিলিস্তিনিরা তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই থেকে কখনোই পিছিয়ে যাবে না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসুফ এস ওয়াই রমাদান জানান, ফিলিস্তিনিরা তাদের স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচারের সংগ্রাম অব্যাহত রাখবে
- 📌 গাজায় ইসরায়েলি অবরোধ ভাঙতে সমুদ্রপথে অভিযানে অংশ নেওয়া তিন বাংলাদেশি ও ব্রিটিশ-বাংলাদেশি অ্যাক্টিভিস্টের অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে প্রদর্শনীতে
- 📌 আলোকচিত্র প্রদর্শনীটির নাম ‘ফ্লোটিলা: বাংলাদেশ সেইলস ফর গাজা’, যা আগামী ২৯ আগস্ট পর্যন্ত দৃকপাঠ ভবনে প্রদর্শিত হবে
- 📌 প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়া তিন অ্যাক্টিভিস্ট হলেন শহিদুল আলম, মোহাম্মদ আলী লিয়াকত ও জুবায়ের ইসলাম খান
📰 বিস্তারিত
ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসুফ এস ওয়াই রমাদান বলেন, ‘যত কষ্ট বা ক্ষতিই হোক না কেন, ফিলিস্তিনিরা তাঁদের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই থেকে পিছিয়ে যাবেন না।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, ফিলিস্তিনিরা কখনো ইতিহাস থেকে মুছে যাবেন না। রাজধানীর পান্থপথে দৃকপাঠ ভবনে আয়োজিত আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
প্রদর্শনীটির নাম ‘ফ্লোটিলা: বাংলাদেশ সেইলস ফর গাজা’, যা গাজায় ইসরায়েলি অবরোধ ভাঙার উদ্দেশ্যে সমুদ্রপথে যাত্রা, আন্তর্জাতিক জলসীমায় আটক, হয়রানি এবং কারাবাসের অভিজ্ঞতা নিয়ে তৈরি হয়েছে। ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশনের হয়ে অভিযানে অংশ নেওয়া তিন বাংলাদেশি ও ব্রিটিশ-বাংলাদেশি অ্যাক্টিভিস্টের অভিজ্ঞতা এখানে তুলে ধরা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে তিনি আরও বলেন, ‘আপনাদের এই উপস্থিতি ফিলিস্তিনিদের ন্যায়বিচার ও স্বাধীনতার প্রতি সাধারণ মানুষের প্রতিশ্রুতিরই প্রমাণ।’ তিনি আরও বলেন, ‘যখন বিশ্বের অনেক দেশের সরকার নীরব ছিল, তখন বাংলাদেশের নেতারা সাহসী অবস্থান নিয়েছিলেন।’
"যখন বিশ্বের অনেক দেশের সরকার নীরব ছিল, তখন বাংলাদেশের নেতারা সাহসী অবস্থান নিয়েছিলেন। তারেক রহমান আমাদের মিশনের সমর্থনে প্রথম দিকেই স্পষ্ট বক্তব্য দিয়েছিলেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পান্থপথ, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইউসুফ এস ওয়াই রমাদান, শহিদুল আলম, মোহাম্মদ আলী লিয়াকত, জুবায়ের ইসলাম খান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯ (আগস্ট পর্যন্ত প্রদর্শনী চলবে), ৩ (টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত প্রদর্শনী উন্মুক্ত)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!