📌 সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) সদস্য হিসেবে ভারত দিল্লিতে অনুষ্ঠিত ফোরামে পাকিস্তানকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানিয়েছে। এসসিওর সব সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করবেন ২০-২২ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়া ‘এসসিও কালচারাল অ্যান্ড সিভিলাইজেশনাল ডায়ালগ ফোরাম’-এ
সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে ভারত দিল্লিতে অনুষ্ঠিত একটি আন্তঃসাংস্কৃতিক ফোরামে পাকিস্তানকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানিয়েছে। ইন্ডিয়া টুডে একটি কূটনৈতিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ২০ থেকে ২২ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়া ‘এসসিও কালচারাল অ্যান্ড সিভিলাইজেশনাল ডায়ালগ ফোরাম’-এ অংশগ্রহণের জন্য ভারত ইতিমধ্যে এসসিওর সব ১০টি সদস্য রাষ্ট্রকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। এসসিওর সদস্য হিসেবে পাকিস্তান সরকারের জাতীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আওরঙ্গজেব খান খিচিকে এই আমন্ত্রণ পাঠানো হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **২০-২২ নভেম্বর দিল্লিতে** অনুষ্ঠিত হবে ‘এসসিও কালচারাল অ্যান্ড সিভিলাইজেশনাল ডায়ালগ ফোরাম’ — এসসিওর সব ১০টি সদস্য রাষ্ট্রের আমন্ত্রণ পেয়েছে ভারত।
- 📌 **পাকিস্তানের জাতীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রী আওরঙ্গজেব খান খিচি** প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে ভারত সফর করবেন এই ফোরামে অংশ নিতে।
- 📌 **২০২৫ সালের জম্মু ও কাশ্মীরে জঙ্গি হামলার পর** প্রথমবারের মতো ভারত পাকিস্তানের কোনো মন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানিয়েছে।
- 📌 **২০২৬-২৭ মেয়াদে** পাকিস্তান ‘এসসিও কাউন্সিল অব হেডস অব স্টেট’-এর সভাপতিত্ব করছে।
- 📌 **২০ অক্টোবর তাজিকিস্তানের দুশানবেতে** এসসিও বৈঠকে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এই ফোরামের ঘোষণা দেন।
📰 বিস্তারিত
২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে জম্মু ও কাশ্মীরের পেহেলগামে ভয়াবহ জঙ্গি হামলার পর ভারত সীমান্তজুড়ে ‘অপারেশন সিঁদুর’ পরিচালনা করে। এরপর থেকে ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক তলানিতে চলে আসে। এই ঘটনার পর প্রথমবারের মতো ভারত পাকিস্তানের কোনো মন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। এসসিও সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে পাকিস্তানের জাতীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আওরঙ্গজেব খান খিচিকে এই আমন্ত্রণ পাঠানো হয়েছে।
গত ১ সেপ্টেম্বর কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশেশক সম্মেলনের পর পাকিস্তান ২০২৬-২৭ মেয়াদের জন্য ‘এসসিও কাউন্সিল অব হেডস অব স্টেট’-এর সভাপতিত্ব গ্রহণ করেছে। এসসিওর সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে পাকিস্তানের এই পদে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
২০ অক্টোবর তাজিকিস্তানের দুশানবেতে অনুষ্ঠিত ‘এসসিও কাউন্সিল অব হেডস অব গভর্মেন্ট’ বৈঠকে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এই ফোরামের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন। সেখানে তিনি সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যৌথ পদক্ষেপের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় কোনো দ্বিমুখী নীতি রাখা চলবে না। যারা সন্ত্রাসীদের অর্থায়ন বা সাহায্য দেয়, তাদের কোনো ছাড় দেওয়া উচিত নয়। সন্ত্রাসবাদের পুরো ইকোসিস্টেমকে নির্মূল করতে হবে।
"সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় কোনো দ্বিমুখী নীতি রাখা চলবে না। যারা সন্ত্রাসীদের অর্থায়ন, সাহায্য কিংবা নিরাপদ আশ্রয় দেয়, তাদের কোনো ছাড় দেওয়া উচিত নয়। সন্ত্রাসবাদের পুরো ইকোসিস্টেমকে যৌথভাবে ও শক্ত হাতে নির্মূল করতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লি, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, আওরঙ্গজেব খান খিচি, পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ইশাক দার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০-২২ নভেম্বর (ফোরামের তারিখ), ১০টি (এসসিও সদস্য রাষ্ট্র), ২০২৬-২৭ (পাকিস্তানের সভাপতিত্ব মেয়াদ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!