📌 ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলি আল-জায়েদি সিরিয়ার রাষ্ট্রপতি আহমেদ আল-শারা’র সাথে ঐতিহাসিক বৈঠক করেছেন। এই সফরটি বাশার আল-অ্যাসাদের পতনের পর প্রথমবারের মতো ইরাকের প্রধানমন্ত্রীর সিরিয়া সফর। দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ও তেল সমঝোতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে
ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলি আল-জায়েদি সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে সফর করে সিরিয়ার রাষ্ট্রপতি আহমেদ আল-শারা’র সাথে ঐতিহাসিক বৈঠক করেছেন। এটি বাশার আল-অ্যাসাদের পতনের পর প্রথমবারের মতো ইরাকের প্রধানমন্ত্রীর সিরিয়া সফর। এই বৈঠকটি দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক মজবুত করার এবং অর্থনৈতিক ও তেল সমঝোতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **প্রথমবারের মতো সিরিয়া সফর**: বাশার আল-অ্যাসাদের পতনের পর প্রথমবারের মতো ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলি আল-জায়েদি সিরিয়া সফর করেছেন এবং সিরিয়ার রাষ্ট্রপতি আহমেদ আল-শারা’র সাথে বৈঠক করেছেন।
- 📌 **অর্থনৈতিক ও তেল সমঝোতা**: দুই দেশের নেতারা বানিয়াস লাইন দিয়ে ইরাকের তেল রপ্তানি বৃদ্ধি, বাণিজ্যিক আদান-প্রদানের পরিমাণ বৃদ্ধি এবং কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে খাদ্য ও অর্থনৈতিক একীভূতকরণ নিয়ে আলোচনা করেছেন।
- 📌 **হাদিথা-বানিয়াস পাইপলাইন প্রকল্প**: জুলাই মাসে ইরাক ও সিরিয়া দুটি দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে, যেখানে হাদিথা-বানিয়াস পাইপলাইন পুনরুজ্জীবিত করার জন্য একটি কনসোর্টিয়ামের সাথে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই প্রকল্পে আমেরিকান তেল কোম্পানি চেভ্রনও অংশগ্রহণ করছে।
- 📌 **সিরিয়ার তেল রপ্তানি**: ইরাকের তেল রপ্তানি বাড়ানোর লক্ষ্যে সিরিয়ার মাধ্যমে তেল রপ্তানি শুরু হয়েছে, যা মার্কিন নেতৃত্বাধীন ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের পর থেকে শুরু হয়েছে।
- 📌 **সিরিয়ার প্রশংসা**: সিরিয়ার রাষ্ট্রপতি আল-শারা’ আল-জায়েদির সফর ও তার দলের প্রশংসা করেছেন এবং বলেছেন, “দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের গভীরতা এবং সিরিয়ার ইরাকের সাথে সর্বোচ্চ স্তরের সহযোগিতার প্রতি আগ্রহ রয়েছে।”
📰 বিস্তারিত
আল জাজিরা সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, আল-জায়েদি ও আল-শারা’র বৈঠকে ইরাকের তেল রপ্তানি বাড়ানোর বিষয়টি বিশেষভাবে আলোচিত হয়েছে। তারা বানিয়াস লাইন দিয়ে ইরাকের তেল রপ্তানি বৃদ্ধির পাশাপাশি বাণিজ্যিক আদান-প্রদানের পরিমাণ বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা করেছেন। এছাড়াও, তারা কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে খাদ্য ও অর্থনৈতিক একীভূতকরণের লক্ষ্যে যৌথ কাজ করার বিষয়েও সম্মত হয়েছেন।
আল-জায়েদি বলেছেন, “ইরাক ও সিরিয়ার জনগণ একই জনগণ, শুধু দুইটি দেশে বসবাস করছে।” তিনি আরও বলেছেন, “দুই দেশের মধ্যে পার্টনারশিপ ও যৌথ সহযোগিতার উন্নয়নে কাজ করা, অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিষয়ে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা, অঞ্চলীয় ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে অবস্থান একীভূত করা এবং অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করা প্রয়োজন।”
সিরিয়ার রাষ্ট্রপতি আল-শারা’ আল-জায়েদির সফর ও তার দলের প্রশংসা করেছেন এবং বলেছেন, “আমি আল-জায়েদির সফর ও তার দলের জন্য গভীর প্রশংসা প্রকাশ করছি। সিরিয়া ইরাকের সাথে সর্বোচ্চ স্তরের সহযোগিতার লক্ষ্যে কাজ করবে।”
২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে নিউ ইয়র্কে সংযুক্ত জাতির সংসদের পাশে দু’জন নেতা পূর্বে বৈঠক করেছিলেন। সেই বৈঠকে তারা রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা সমন্বয় শক্তিশালী করার পাশাপাশি অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা করেছিলেন।
"দুই দেশের জনগণ একই জনগণ, শুধু দুইটি দেশে বসবাস করছে।"
"দুই দেশের মধ্যে পার্টনারশিপ ও যৌথ সহযোগিতার উন্নয়নে কাজ করা, অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিষয়ে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা, অঞ্চলীয় ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে অবস্থান একীভূত করা এবং অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করা প্রয়োজন।"
"আমি আল-জায়েদির সফর ও তার দলের জন্য গভীর প্রশংসা প্রকাশ করছি। সিরিয়া ইরাকের সাথে সর্বোচ্চ স্তরের সহযোগিতার লক্ষ্যে কাজ করবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দামেস্ক, সিরিয়া
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলি আল-জায়েদি, সিরিয়ার রাষ্ট্রপতি আহমেদ আল-শারা’
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩টি (আলোচিত বিষয়: অর্থনৈতিক, সামাজিক, নিরাপত্তা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!