📅 ২২ আগস্ট ২০২৬, ১১:১৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

যে অনিশ্চয়তা নিয়ে শুরু করেছিলেন এনভিডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা, সেই মানসিকতাই পারে নতুন কিছু গড়তে

যে অনিশ্চয়তা নিয়ে শুরু করেছিলেন এনভিডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা, সেই মানসিকতাই পারে নতুন কিছু গড়তে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 এনভিডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা জেনসেন হুয়াং বলেছেন, ক্যারিয়ার গড়তে গেলে অনিশ্চয়তা থাকবেই। সবকিছু নিশ্চিত হওয়ার অপেক্ষায় না থেকে সামনের ধাপে মনোযোগ দেওয়াই সাফল্যের চাবিকাঠি। তাঁর মতে, নতুন উদ্যোগ শুরুর এটাই শ্রেষ্ঠ সময়

তিন দশক আগে যুক্তরাষ্ট্রের একটি রেস্তোরাঁয় তিন প্রকৌশলীর স্বপ্নের শুরু। তাঁরা ছিলেন জেনসেন হুয়াং, ক্রিস মালাখোস্কি ও কার্টিস প্রিয়েম। উদ্দেশ্য ছিল একটি চিপ নির্মাণ প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা। সেই স্বপ্ন থেকেই যাত্রা শুরু এনভিডিয়ার। বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার চাহিদায় প্রতিষ্ঠানটির বাজারমূল্য প্রায় ৪ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ডলার।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৯৯৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের একটি রেস্তোরাঁয় তিন প্রকৌশলীর স্বপ্নের শুরু এনভিডিয়ার
  • 📌 প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৪ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ডলার
  • 📌 এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জেনসেন হুয়াং বলেছেন, ক্যারিয়ার গড়তে অনিশ্চয়তা থাকবেই
  • 📌 নতুন কিছু শুরু করার আগে পুরো পথ নিয়ে চিন্তা না করে সামনের ধাপে মনোযোগ দেওয়ার পরামর্শ তাঁর
  • 📌 হুয়াংয়ের মতে, শুরু করার মানসিকতা সবার জন্য উন্মুক্ত

📰 বিস্তারিত

১৯৯৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ডেনির একটি রেস্তোরাঁয় তিন প্রকৌশলী—জেনসেন হুয়াং, ক্রিস মালাখোস্কি ও কার্টিস প্রিয়েম—বসে ছিলেন। তাঁদের লক্ষ্য ছিল একটি চিপ নির্মাণ প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা। সেই সময় সাফল্যের কোনো নিশ্চয়তা ছিল না। ছিল শুধু স্বপ্ন বাস্তবায়নের চেষ্টা। সেই স্বপ্ন থেকেই যাত্রা শুরু এনভিডিয়ার।

তিন দশক পর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার চাহিদায় প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের অন্যতম মূল্যবান কোম্পানিতে পরিণত হয়েছে। এর বাজারমূল্য প্রায় ৪ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ডলার। ৬৩ বছর বয়সী জেনসেন হুয়াং এখন এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও)।

ওয়াই কম্বিনেটরের স্টার্টআপ স্কুল ২০২৬-এ প্রতিষ্ঠানটির সিইও গ্যারি ট্যানের সঙ্গে আলোচনায় হুয়াং বলেন, ‘কোম্পানি শুরু করার জন্য এখন ইতিহাসের সবচেয়ে ভালো সময়।’ তরুণ উদ্যোক্তাদের সামনে থাকা সুযোগ দেখে তিনি নিজেকে ঈর্ষা করেন বলেও জানান।

হুয়াং মনে করেন, ক্যারিয়ারে বড় কিছু করতে গেলে অনিশ্চয়তা থাকবেই। তাই সবকিছু নিশ্চিত হওয়ার অপেক্ষায় বসে থাকা ঠিক নয়। তিনি বলেন, ‘নতুন কিছু শুরু করার আগে আমরা প্রায়ই পুরো পথ নিয়ে চিন্তা করি। কী কী সমস্যা হতে পারে, কোথায় ব্যর্থতা আসতে পারে, কীভাবে তা সামলাব—এসব একসঙ্গে ভাবতে থাকি। এতে কাজ শুরুর আগেই ভয় তৈরি হয়।’

হুয়াং আরও বলেন, ‘সমস্যা কত বড়, সেটি যেন কাজ শুরু করার পথে বাধা না হয়; বরং নিজেকে প্রশ্ন করুন, কতটা কঠিন হতে পারে? পুরো পথ একসঙ্গে পাড়ি দেওয়ার কথা না ভেবে সামনে থাকা ধাপটি পার হওয়ার দিকে মন দিন। পরের ধাপের সমস্যা তখনই সামলাতে হবে।’ অর্থাৎ, পুরো পথের অনিশ্চয়তা নিয়ে না ভেবে সামনের কাজটিতে মনোযোগ দেওয়াই তাঁর পরামর্শ।

‘কোম্পানি শুরু করার জন্য এখন ইতিহাসের সবচেয়ে ভালো সময়।’ — জেনসেন হুয়াং

গত বছর ‘দ্য জো রোগান এক্সপেরিয়েন্স’ অনুষ্ঠানে হুয়াং তাঁর দীর্ঘ ক্যারিয়ারে থাকা একটি অনুভূতির কথা বলেন। সেটি হলো, নিজেকে অরক্ষিত মনে হওয়া, অনিশ্চয়তা ও নিরাপত্তাহীনতা। এনভিডিয়ার সঙ্গে ৩৩ বছরের যাত্রাতেও এই অনুভূতি ছিল বলে জানান তিনি। তাঁর কাছে কোম্পানিটিকে সব সময় এমন মনে হয়েছে, যেন সেটি মাত্র ৩০ দিন টিকে থাকার অবস্থায় আছে।

হুয়াংয়ের মতে, কাজ শুরু করার আগে সব ভয় দূর হয়ে যাবে, এমনটা ধরে নেওয়া ঠিক নয়। অনিশ্চয়তা থাকবে। সেই অনিশ্চয়তার মধ্যেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তাঁর আরেকটি শিক্ষা হলো শেখার মানসিকতা। শুরুতেই সব প্রশ্নের উত্তর জানা জরুরি নয়। বরং প্রয়োজন হলে উত্তর খুঁজে নেওয়ার সক্ষমতা থাকতে হবে।

এনভিডিয়ার শুরুর দিকে প্রতিষ্ঠানটি ভুল গ্রাফিকস প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করেছিল। সেই ভুল থেকে কীভাবে বেরিয়ে আসবে, সেটি তারা জানত না। তাই উত্তর খুঁজতে তারা শেখা শুরু করেন। হুয়াং স্মৃতিচারণা করে বলেন, একবার কয়েক শ ডলার নিয়ে তিনি ইলেকট্রনিকস পণ্যের দোকান ফ্রাইসে যান। সেখান থেকে প্রকৌশলীদের জন্য তিনটি প্রযুক্তিবিষয়ক বই কেনেন। প্রকৌশলীরা বইগুলো পড়ে নতুন করে শেখেন।

হুয়াংয়ের কাছে অর্থ সংগ্রহ আর বই পড়ে শেখা—দুটিই ছিল কোম্পানি গড়ার প্রক্রিয়ার অংশ। তাঁর মতে, কাজ শুরু করার পরও শেখার প্রক্রিয়া চলতে থাকে। প্রযুক্তি ও বাজার দ্রুত বদলাচ্ছে। ফলে আজকের জানা বিষয় ভবিষ্যতে বদলে যেতে পারে। তাই শুরুতে কে কতটা জানে, তার পাশাপাশি কে কত দ্রুত শিখতে পারে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।

নতুন কিছু শুরু করার ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা থাকবেই। অর্থনীতি, প্রযুক্তি ও বাজারের পরিবর্তনও উদ্যোক্তাদের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করে। বিশেষ করে এআই বিভিন্ন শিল্পের কাজের ধরন দ্রুত বদলে দিচ্ছে। তবে হুয়াংয়ের বক্তব্যকে সাফল্যের নিশ্চয়তা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। তিনি মূলত শুরু করার মানসিকতার কথা বলছেন। এখন কিছু শুরু করা নিরাপদ—এমন নয়। কিন্তু নিরাপদ সময়ের অপেক্ষায় থাকাও একধরনের ঝুঁকি। কারণ, অপেক্ষা করতে করতে হয়তো শুরুই করা হবে না।

ডেনির সেই রেস্তোরাঁয় তিন প্রকৌশলীর যে স্বপ্নের শুরু হয়েছিল, তা আজ বিশ্বের অন্যতম মূল্যবান কোম্পানিতে রূপ নিয়েছে। তবে হুয়াং বলছেন না, সবার সাফল্য একই রকম হবে। তিনি মনে করিয়ে দিচ্ছেন, শুরু করার মানসিকতা সবার জন্য উন্মুক্ত। সব উত্তর জানা থাকতে হবে না। না জানলেও শেখা যাবে। সব ভয় দূর হবে না। ভয় নিয়েই এগোতে হবে। সব পথ পরিষ্কার হবে না। সামনে যতটুকু দেখা যায়, ততটুকুই এগিয়ে যেতে হবে। বাস্তবতা মেনে নেওয়া, ভুল থেকে শেখা এবং অনিশ্চয়তার মধ্যে কাজ শুরু করা—এই মানসিকতা হতে পারে নতুন কিছু করার শক্তি।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেনসেন হুয়াং
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ডলার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৩ বছর
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৩ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖