📌 দক্ষিণ ভারতীয় অভিনেত্রী অনুপমা পরমেশ্বরন তাঁর জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়ের কথা তুলে ধরেছেন। প্রায় দুই বছর ধরে চলা বিষাক্ত সম্পর্ক তাঁকে মানসিক ও শারীরিকভাবে বিপর্যস্ত করে তুলেছিল। তীব্র উদ্বেগ, প্যানিক অ্যাটাক এবং চোখের অস্ত্রোপচারের মতো ঘটনা ঘটেছিল তাঁর জীবনে
দক্ষিণ ভারতীয় অভিনেত্রী অনুপমা পরমেশ্বরন সম্প্রতি তাঁর জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়ের কথা প্রকাশ্যে এনেছেন। প্রায় দুই বছর ধরে চলা একটি বিষাক্ত সম্পর্ক তাঁকে মানসিক ও শারীরিকভাবে বিপর্যস্ত করে তুলেছিল। তাঁর ভাষ্যমতে, ওই সম্পর্ক ছিল আত্মকেন্দ্রিক মানসিক নির্যাতনের মতো। সম্পর্কের চক্রে বারবার ভালোবাসা, ঝগড়া, মানসিক ভেঙে পড়া এবং ক্ষমা চাওয়ার মধ্য দিয়ে তাঁকে যেতে হয়েছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দক্ষিণ ভারতীয় অভিনেত্রী অনুপমা পরমেশ্বরনের প্রায় দুই বছর ধরে চলা বিষাক্ত সম্পর্ক তাঁকে মানসিক ও শারীরিকভাবে বিপর্যস্ত করেছিল
- 📌 তাঁর ভাষ্যমতে, সম্পর্কটি ছিল আত্মকেন্দ্রিক মানসিক নির্যাতনের মতো, যা বারবার ফিরে আসত
- 📌 তীব্র উদ্বেগ, প্যানিক অ্যাটাক, দ্রুত ওজন কমে যাওয়া এবং বারবার অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছিল তাঁর জীবনে
- 📌 চোখের অশ্রুগ্রন্থি ফুলে যাওয়ার কারণে তাঁকে অস্ত্রোপচার পর্যন্ত করাতে হয়েছিল
- 📌 সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসা তাঁর কাছে ছিল মাকড়সার জালের মতো কঠিন
📰 বিস্তারিত
অনুপমা পরমেশ্বরন সম্প্রতি ‘আই অ্যাম উইথ ধন্যা ভার্মা’ অনুষ্ঠানে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তাঁর জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়ের কথা তুলে ধরেন। প্রায় দুই বছর ধরে চলা একটি বিষাক্ত সম্পর্ক তাঁকে মানসিক ও শারীরিকভাবে বিপর্যস্ত করে তুলেছিল। তাঁর ভাষ্যমতে, ওই সম্পর্ক ছিল আত্মকেন্দ্রিক মানসিক নির্যাতনের মতো। সম্পর্কের চক্রে বারবার ভালোবাসা, ঝগড়া, মানসিক ভেঙে পড়া এবং ক্ষমা চাওয়ার মধ্য দিয়ে তাঁকে যেতে হয়েছিল।
তিনি জানান, তীব্র উদ্বেগ, প্যানিক অ্যাটাক, দ্রুত ওজন কমে যাওয়া এবং বারবার অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছিল তাঁর জীবনে। এমনকি কথোপকথনের পর বমি হওয়া এবং খেতে না পারার মতো সমস্যায়ও তিনি ভুগেছিলেন। তাঁর শারীরিক অবস্থা এতটাই খারাপ হয়ে যায় যে শুটিং বন্ধ রাখতে হয়েছিল। পরে তাঁর ডান চোখ অনবরত কাঁপতে শুরু করে এবং চোখের অশ্রুগ্রন্থি ফুলে যাওয়ার কারণে তাঁকে অস্ত্রোপচার পর্যন্ত করাতে হয়েছিল।
অনুপমা বলেন, ‘আমার শরীরে এমন অনেক ক্ষত রয়েছে—শারীরিক নির্যাতনের কারণে নয়, কিন্তু শরীর ও মনে এমন কিছু ক্ষতি হয়েছে, যা কোনো দিনই পুরোপুরি সেরে উঠবে না।’ তিনি আরও জানান, বিষাক্ত সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসা তাঁর কাছে ছিল মাকড়সার জালের মতো কঠিন। ক্রমাগত গ্যাসলাইটিং ও মানসিক কৌশলের কারণে তিনি দীর্ঘ সময় বুঝতেই পারেননি কী ঘটছে। পরে ধীরে ধীরে তিনি অসংগতিগুলো ধরতে শুরু করেন এবং প্রতিবাদ করতে থাকেন। তখনই তাঁর কাছে স্পষ্ট হতে থাকে যে প্রতিবারই দোষ তাঁর ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছিল।
"আমার শরীরে এমন অনেক ক্ষত রয়েছে—শারীরিক নির্যাতনের কারণে নয়, কিন্তু শরীর ও মনে এমন কিছু ক্ষতি হয়েছে, যা কোনো দিনই পুরোপুরি সেরে উঠবে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দক্ষিণ ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অনুপমা পরমেশ্বরন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: দুই বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!