📌 থাইল্যান্ডের বুং সামরান ফিশিং পার্কে ব্যক্তিগত মাছ শিকারে গিয়ে দুই বাংলাদেশি শখের শিকারি সুপ্রিয় রায় ও ওমর হায়দার ধরেছেন ৭৬ কেজি ওজনের মেকং জায়ান্ট ক্যাটফিশ। নিয়ম অনুসারে ছবি তুলে ছেড়ে দেওয়া মাছটির সঙ্গে তাঁদের অভিজ্ঞতা ছিল অসাধারণ
থাইল্যান্ডের বুং সামরান ফিশিং পার্কে ব্যক্তিগত মাছ শিকারে গিয়ে দুই বাংলাদেশি শখের শিকারি সুপ্রিয় রায় ও ওমর হায়দার ৭৬ কেজি ওজনের মেকং জায়ান্ট ক্যাটফিশ ধরেছেন। নিয়ম অনুসারে ছবি তুলে ছেড়ে দেওয়া এই বিরল অভিজ্ঞতা তাঁদের কাছে ছিল অসাধারণ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 থাইল্যান্ডের বুং সামরান ফিশিং পার্কে ব্যক্তিগত মাছ শিকারে গিয়ে দুই বাংলাদেশি সুপ্রিয় রায় ও ওমর হায়দার ধরেছেন ৭৬ কেজি ওজনের মেকং জায়ান্ট ক্যাটফিশ
- 📌 মাছ ধরার পুরো প্রক্রিয়া ছিল ‘ক্যাচ অ্যান্ড রিলিজ’ পদ্ধতি — ধরার পর ছবি তুলে ছেড়ে দেওয়া হয়
- 📌 মাছ ধরার জন্য তাঁদের খরচ হয়েছিল প্রায় ২৯ হাজার টাকা, যার মধ্যে ছিল ফিশিং রড ভাড়া, লাইসেন্স ফি ও গাইড খরচ
- 📌 পার্কটির আয়তন প্রায় ১ লাখ ৩৮ হাজার বর্গমিটার এবং এখানে ৪০টির বেশি প্রজাতির মাছ রয়েছে
- 📌 মাছ ধরার সময় তাঁদের শরীর ব্যথা হয়ে গিয়েছিল বলে জানান সুপ্রিয় রায়
📰 বিস্তারিত
থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের কাছে অবস্থিত বুং সামরান ফিশিং পার্কে ব্যক্তিগত মাছ শিকারে গিয়ে দুই বাংলাদেশি শখের শিকারি সুপ্রিয় রায় ও ওমর হায়দার অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছেন। তাঁরা সেখানে ৭৬ কেজি ওজনের একটি মেকং জায়ান্ট ক্যাটফিশ ধরেছেন। মাছ ধরার পুরো প্রক্রিয়া ছিল নিয়ম অনুসারে ‘ক্যাচ অ্যান্ড রিলিজ’ পদ্ধতি — ধরার পর ছবি তুলে ছেড়ে দেওয়া হয়। এই বিরল অভিজ্ঞতা তাঁদের কাছে ছিল অসাধারণ।
সুপ্রিয় রায় জানান, তাঁরা দুই বন্ধু মিলে থাইল্যান্ডে গিয়েছিলেন মাছ শিকারের অভিজ্ঞতা নিতে। তাঁদের মধ্যে একজন ওমর হায়দার দীর্ঘদিন ধরেই মাছ শিকারের জন্য উৎসাহিত করছিলেন। সুপ্রিয় রায় বলেন, ‘আমরা দেশে বিভিন্ন জায়গায় মাছ শিকার করেছি। তবে বিদেশে গিয়ে নতুন অভিজ্ঞতা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
থাইল্যান্ডে পৌঁছানোর পর তাঁরা সেখানে অবস্থিত বুং সামরান ফিশিং পার্কের প্যাকেজ সম্পর্কে জানতে পারেন। পার্কটির আয়তন প্রায় ১ লাখ ৩৮ হাজার বর্গমিটার এবং এখানে ৪০টির বেশি প্রজাতির মাছ রয়েছে। এর মধ্যে মেকং জায়ান্ট ক্যাটফিশের ওজন ২০০ কেজি পর্যন্ত হতে পারে। তাঁরা পার্কটিতে অবস্থান করার জন্য একটি বাংলোয় উঠেছিলেন। সঙ্গে দেওয়া হয়েছিল একজন গাইড ও মাছ ধরার প্রয়োজনীয় উপকরণ।
মাছ ধরার জন্য তাঁদের খরচ হয়েছিল প্রায় ২৯ হাজার টাকা। তাঁরা দুজনে মিলে একটি ফিশিং রড ভাড়া নিয়েছিলেন, যার খরচ ছিল ৬ হাজার বাথ (প্রায় ২২ হাজার টাকা)। এছাড়া মাছ ধরার লাইসেন্সের জন্য জনপ্রতি খরচ হয়েছিল ২ হাজার বাথ (প্রায় সাড়ে ৭ হাজার টাকা)।
মাছ ধরার সময় তাঁদের সঙ্গে ছিল একজন সহকারী, যিনি টোপ তৈরির কাজ করেছিলেন। প্রায় ৩০ কেজি খাবার দিয়ে টোপ তৈরি করা হয়েছিল। মাছ ধরার সময় প্রথম টানেই তাঁরা ৩৬ কেজি ওজনের একটি মাছ ধরেন। এরপর প্রায় ২০ মিনিট লড়াই করে তাঁরা ৭৬ কেজি ওজনের মেকং জায়ান্ট ক্যাটফিশ ধরেন। মাছটি ধরার পর তাঁরা ছবি তুলে ছেড়ে দেন।
সুপ্রিয় রায় জানান, মাছ ধরার সময় তাঁদের শরীর ব্যথা হয়ে গিয়েছিল। তিনি বলেন, ‘বড় মাছের সঙ্গে দীর্ঘ সময় লড়াই করলে শরীরের ওপর যে চাপ পড়ে, তা বুঝতে পেরেছি।’ তাঁরা আরও জানান, পার্কটিতে সর্বোচ্চ প্রায় ১২০ কেজি ওজনের মাছ ধরার রেকর্ড রয়েছে।
"মাছ ধরার পুরো প্রক্রিয়া ছিল নিয়ম অনুসারে ‘ক্যাচ অ্যান্ড রিলিজ’ পদ্ধতি। মাছ ধরার পর ছবি তুলে ছেড়ে দেওয়া হয়। মাছের প্রতি তাঁরা খুব যত্নশীল। মাছ যাতে আহত না হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখা হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: থাইল্যান্ডের বুং সামরান ফিশিং পার্ক
- 👥 ব্যক্তি: সুপ্রিয় রায়, ওমর হায়দার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৬ কেজি, ৪২ বছর, ৫ আগস্ট, ৬ হাজার বাথ, ২ হাজার বাথ, ১ লাখ ৩৮ হাজার বর্গমিটার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!