📌 যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে তিন দিনের আলোচনা ব্যর্থ হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ২০ বিলিয়ন ডলারের কানাডীয় পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে একই হারে শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে তিন দিনব্যাপী বাণিজ্য আলোচনা ব্যর্থ হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র দেশটির প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলারের পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে। আলোচনা শেষ হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কর্তৃক নির্ধারিত সময়সীমা মধ্যরাত ১২টা ১ মিনিটে (জিএমটি অনুসারে ৪টা ১ মিনিট) অতিক্রম হওয়ার পর উভয় দেশের কর্মকর্তারা স্পষ্ট করেন যে কোনো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্র কানাডার প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলারের পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে
- 📌 আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রম
- 📌 কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে একই হারে শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার কানাডাকে দায়ী করে বলেছেন, এটি একটি "মিসড অপরচুনিটি"
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে তিন দিনের আলোচনা শেষ হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র দেশটির প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলারের পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে। আলোচনা শেষ হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কর্তৃক নির্ধারিত সময়সীমা মধ্যরাত ১২টা ১ মিনিটে (জিএমটি অনুসারে ৪টা ১ মিনিট) অতিক্রম হওয়ার পর উভয় দেশের কর্মকর্তারা স্পষ্ট করেন যে কোনো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি।
কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এক বিবৃতিতে বলেন, তার দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিশ্বের সর্বোত্তম চুক্তি অর্জনের লক্ষ্যে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন করেছে। তবে তিনি যোগ করেন, "এই অগ্রগতি কানাডিয়ানদের জন্য আমাদের লক্ষ্য পূরণে যথেষ্ট নয়।" কার্নি আরও বলেন, তার সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য যুদ্ধের প্রভাব থেকে কানাডিয়ানদের রক্ষায় আগামী দিনগুলোতে নতুন পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার কানাডাকে দায়ী করে বলেন, এটি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার ক্ষেত্রে কানাডার জন্য একটি "মিসড অপরচুনিটি"। তিনি বলেন, "কানাডা এই সপ্তাহের শুরুতে চুক্তির শর্তাবলির অধীনে চুক্তি স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র কানাডাকে তাদের বাজারে প্রধান রপ্তানিকারকদের মধ্যে সর্বোত্তম সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল, কিন্তু কানাডার নতুন দাবি ও পূর্ববর্তী প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পূর্ববর্তী ভারসাম্যকে নষ্ট করেছে।"
"আমরা সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিশ্বের সর্বোত্তম চুক্তি অর্জনের লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন করেছি। তবে এই অগ্রগতি কানাডিয়ানদের জন্য আমাদের লক্ষ্য পূরণে যথেষ্ট নয়।"
এই শুল্ক আরোপের ফলে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানিকৃত কানাডার প্রায় ৫ শতাংশ পণ্য ক্ষতিগ্রস্ত হবে, যার মধ্যে রয়েছে ইলেকট্রনিক্স, শিল্প যন্ত্রপাতি এবং দুগ্ধজাত পণ্য। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র স্টিল, লম্বার এবং গাড়ির মতো পণ্যে শুল্ক আরোপ করেছিল। গত বছর ট্রাম্প তার দ্বিতীয় মেয়াদের শুরুতে কানাডা থেকে গুরুত্বপূর্ণ আমদানিতে শুল্ক আরোপ করেছিলেন, যার পাল্টা হিসেবে অটোয়াও একাধিক পাল্টা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিল। এরপর থেকে উভয় দেশ বারবার পাল্টাপাল্টি পদক্ষেপ গ্রহণ করে চলেছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মার্ক কার্নি (কানাডার প্রধানমন্ত্রী), জেমিসন গ্রিয়ার (যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি), ডোনাল্ড ট্রাম্প (যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ শতাংশ, ২০ বিলিয়ন ডলার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!