📌 কোরীয় উপদ্বীপের জাপানি ঔপনিবেশিক শাসনের অবসানের ৮১তম বার্ষিকীতে উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়ার নেতারা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও গভীর করার অঙ্গীকার করেছেন। দুই দেশের ঐতিহাসিক বন্ধন ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে
উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন রাশিয়ার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। রোববার (১৬ আগস্ট) দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ সূত্রে জানা গেছে, কোরীয় উপদ্বীপে জাপানের ঔপনিবেশিক শাসনের অবসানের ৮১তম বার্ষিকী উপলক্ষ্যে তিনি এ প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। একই দিন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের পাঠানো শুভেচ্ছাবার্তার জবাবে কিম বলেন, দুই দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি আশাবাদী।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কোরিয়ার মুক্তি দিবস উপলক্ষ্যে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করার অঙ্গীকার করেছেন
- 📌 রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের শুভেচ্ছাবার্তার জবাবে কিম বলেন, দুই দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি আশাবাদী
- 📌 দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানের বিরুদ্ধে সোভিয়েত সেনাদের লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে দুই দেশের সম্পর্কের সূচনা হয়েছিল বলে উল্লেখ করেন পুতিন
- 📌 দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের লক্ষ্যে সংলাপের আহ্বান জানিয়েছেন
📰 বিস্তারিত
উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ সূত্রে জানা গেছে, কোরীয় উপদ্বীপে জাপানের ঔপনিবেশিক শাসনের অবসানের ৮১তম বার্ষিকী উপলক্ষ্যে রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন দেশটির নেতা কিম জং উন। তিনি বলেন, দুই দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি আশাবাদী। একই দিন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের পাঠানো শুভেচ্ছাবার্তার জবাবে কিম এ প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
ভ্লাদিমির পুতিনও দুই দেশের সম্পর্কের ঐতিহাসিক বন্ধনের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানের বিরুদ্ধে সোভিয়েত সেনাদের লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে এই বন্ধন গড়ে উঠেছিল। ভবিষ্যতেও বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়ার সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে। রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধে উত্তর কোরিয়ার সেনা ও অস্ত্র মোতায়েনের মধ্য দিয়ে কয়েক দশকের মধ্যে আন্তর্জাতিক কোনো সংঘাতে পিয়ংইয়ংয়ের সবচেয়ে বড় সামরিক সম্পৃক্ততা দেখা গেছে।
এদিকে মুক্তি দিবসের অনুষ্ঠানে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের লক্ষ্যে সংলাপের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি ১৯৫০-৫৩ সালের কোরীয় যুদ্ধের যুদ্ধবিরতিকে স্থায়ী শান্তি ব্যবস্থায় রূপ দেওয়ার পাশাপাশি, উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়েও আলোচনার প্রস্তাব দেন। তবে পিয়ংইয়ং এর আগে লির এমন উদ্যোগ প্রত্যাখ্যান করেছে এবং যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ সামরিক মহড়াকে উসকানি হিসেবে সমালোচনা করেছে।
"দুই দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমি আশাবাদী। ন্যায়বিচারের জন্য যৌথ সংগ্রামের ইতিহাস ও বন্ধুত্বের মূল্যবান ঐতিহ্যের ওপর দাঁড়িয়ে এ সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কিম জং উন, ভ্লাদিমির পুতিন, লি জে মিয়ং
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮১, ১৫ আগস্ট, ১৯৫০-৫৩
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!