📅 ৩১ আগস্ট ২০২৬, ৯:৪১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নাইজারে সেনা বিদ্রোহ দমনে রুশ বাহিনীর ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ, সরকার পুনরুদ্ধার দাবি করলেও বিশৃঙ্খলা রয়ে গেল

নাইজারে সেনা বিদ্রোহ দমনে রুশ বাহিনীর ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ, সরকার পুনরুদ্ধার দাবি করলেও বিশৃঙ্খলা রয়ে গেল

📷 ছবি: আল জাজিরা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Al Jazeera ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নাইজারের রাজধানী নিয়ামেতে সেনা বিদ্রোহ দমাতে রুশ বাহিনী ‘আফ্রিকা কর্পস’ মোতায়েন করলেও সরকারি দাবি সত্ত্বেও বিশৃঙ্খলা অব্যাহত রয়েছে। বিদ্রোহীরা বিমানবন্দর ঘাঁটি দখলের চেষ্টা করলে সরকারি বাহিনী পুনরুদ্ধারের দাবি করলেও হতাহতের সংখ্যা নিয়ে রয়ে গেছে অনিশ্চয়তা

নাইজারের রাজধানী নিয়ামেতে সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহ দমাতে সরকারি বাহিনীর পাশাপাশি রুশ সামরিক বাহিনী ‘আফ্রিকা কর্পস’-এর হস্তক্ষেপের ঘটনা সামনে এসেছে। শনিবার থেকে শুরু হওয়া এই বিদ্রোহ দ্রুত রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে ছড়িয়ে পড়লে সরকারি বাহিনী দাবি করে নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করেছে। তবে হতাহতের সংখ্যা নিয়ে রয়ে গেছে অনিশ্চয়তা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 নিয়ামেতের বিমানবন্দর সংলগ্ন সেনা ঘাঁটি ‘বেইজ ১০১’-এ বিদ্রোহ শুরু হয় শনিবার, পরে তা রাষ্ট্রপতি প্রাসাদ ও রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার কেন্দ্র পর্যন্ত বিস্তৃত হয়
  • 📌 সরকারি বাহিনী দাবি করে বিদ্রোহ নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে, তবে রয়টার্স স্বাধীনভাবে হতাহতের সংখ্যা যাচাই করতে পারেনি
  • 📌 রুশ ‘আফ্রিকা কর্পস’ সরকারি বাহিনীকে বিমান ও স্থল সহায়তা প্রদান করে বিদ্রোহ দমনে সহায়তা করে
  • 📌 বিদ্রোহীরা প্রধানত দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ওল্লাম, টেরা ও ডোসো অঞ্চলের সেনাদের সমন্বয়ে গঠিত বলে জানা যায়
  • 📌 নাইজারের সেনাবাহিনী আল-কায়েদা ও আইএসআইএল-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করছে, যার ফলে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ব্যাপক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে

📰 বিস্তারিত

নাইজারের সামরিক সরকার নিয়ামেতের সেনা বিদ্রোহ দ্রুত দমন করেছে বলে দাবি করলেও ঘটনার বিশদ বিবরণে দেখা যায়, বিদ্রোহটি ছিল সরকারের অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে অন্যতম গুরুতর। বিদ্রোহ শুরু হয়েছিল বিমানবন্দর সংলগ্ন সেনা ঘাঁটি ‘বেইজ ১০১’-এ, যেখানে সেনারা নিজেদের সহকর্মীদের জিম্মি করে আগ্নেয়াস্ত্র ও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটায়। পরবর্তীতে তা রাষ্ট্রপতি প্রাসাদ ও রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার কেন্দ্র পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। সরকারি বাহিনী দাবি করে বিদ্রোহ নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে, তবে রয়টার্স স্বাধীনভাবে হতাহতের সংখ্যা যাচাই করতে পারেনি।

বিদ্রোহ দমনে রুশ সামরিক বাহিনী ‘আফ্রিকা কর্পস’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। রুশ রাষ্ট্রদূত ভিক্টর ভোরোপায়েভ জানান, নাইজার সরকার বিদ্রোহীদের নিরস্ত্র করতে আফ্রিকা কর্পসের সহায়তা চেয়েছিল। এছাড়া, সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, আফ্রিকা কর্পস সরকারি বাহিনীকে বিমান ও স্থল সহায়তা প্রদান করে। আফ্রিকা কর্পস হলো রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি বাহিনী, যা প্রিগোজিনের মৃত্যুর পর ওয়াগনার গ্রুপের অধিকাংশ কার্যক্রম গ্রহণ করেছে।

বিদ্রোহের প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, নাইজারের সেনাবাহিনী দীর্ঘদিন ধরে আল-কায়েদা ও আইএসআইএল-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে এই গোষ্ঠীগুলোর হামলায় ব্যাপক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, গত মাসে আইএসআইএল-এর একটি শাখার হামলায় ১৮ জন সেনা নিহত হন। এছাড়া, বিমানবন্দর সংলগ্ন এলাকায় বছরের শুরুতে একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে।

"বিদ্রোহীদের নিরস্ত্র করতে আফ্রিকা কর্পস সরকারি বাহিনীকে সহায়তা করেছে। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, কারণ বিদ্রোহটি ছিল সরকারের অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে অন্যতম।" — ভিক্টর ভোরোপায়েভ, রুশ রাষ্ট্রদূত, নাইজার

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নিয়ামে, নাইজার
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: জেনারেল আব্দুরহমান তিয়ানি, ভিক্টর ভোরোপায়েভ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮ (নিহত সেনা), ১০১ (বেইজ নম্বর), ২০০-৩০০ (আফ্রিকা কর্পস সদস্য)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖