📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে চাপ সৃষ্টি হলেও নয়াদিল্লি ‘আমেরিকা প্লাস’ কৌশল গ্রহণ করেছে। এই কৌশলের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখেই অন্যান্য শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করছে ভারত। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ট্রাম্পের উসকানিতেও সংযম দেখিয়েছেন
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে চাপ সৃষ্টি হলেও নয়াদিল্লি ‘আমেরিকা প্লাস’ নামক এক নতুন কূটনৈতিক কৌশল গ্রহণ করেছে। এই কৌশলের মূল উদ্দেশ্য হলো যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিদ্যমান অংশীদারত্ব বজায় রাখার পাশাপাশি অন্যান্য বৈশ্বিক শক্তির সঙ্গে সম্পর্কের পরিধি বৃদ্ধি করা। ট্রাম্পের একের পর এক উসকানির মুখেও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সংযম প্রদর্শন করেছেন এবং ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের বাণিজ্য আলোচনা অব্যাহত রয়েছে এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বৃদ্ধি পেয়েছে
- 📌 প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ট্রাম্পের উসকানিতেও সংযম দেখিয়েছেন এবং সম্পর্ক ছিন্ন করার পদক্ষেপ নেননি
- 📌 ভারত ‘কোয়াড’ জোট সচল রেখেছে এবং মার্কিন মিত্রদের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করছে
- 📌 ট্রাম্প ভারতের ওপর চড়া শুল্ক আরোপ করেছেন এবং পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধি করেছেন
- 📌 ভারতের সামনে যুক্তরাষ্ট্রের বিকল্প হিসেবে চীন বা রাশিয়ার মতো শক্তির সমর্থন পাওয়া সম্ভব নয়
📰 বিস্তারিত
ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্র-ভারত সম্পর্কে নতুন চ্যালেঞ্জ দেখা দিয়েছে। তিনি ভারতের ওপর চড়া শুল্ক আরোপ করেছেন, দ্বিতীয় পর্যায়ের নিষেধাজ্ঞার হুমকি দিয়েছেন এবং পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধি করেছেন। এছাড়া তিনি চীনের সঙ্গেও সম্পর্ক জোরদার করছেন, যা ভারতের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে এই চাপ সত্ত্বেও নয়াদিল্লি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ট্রাম্পের উসকানিতেও সংযম প্রদর্শন করেছেন। তিনি ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার পাশাপাশি অন্যান্য বৈশ্বিক শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করছেন। ভারত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন দশ বছরের প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যা দ্বিপক্ষীয় নিরাপত্তা সহযোগিতাকে আরও সুসংহত করবে। এছাড়া ভারত ‘কোয়াড’ জোট সচল রেখেছে এবং মার্কিন মিত্রদের সঙ্গে সম্পর্ক বৃদ্ধি করছে।
তবে ট্রাম্পের নীতির কারণে ভারতীয় জনগণের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অসন্তোষ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী মোদির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আত্মসমর্পণের অভিযোগ তুলেছেন। অনেকেই দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র কখনোই নির্ভরযোগ্য বন্ধু হতে পারে না। রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছেন, চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করাই ভারতের জন্য উত্তম হবে।
"ভারতের সামনে যুক্তরাষ্ট্রের বিকল্প হিসেবে চীন বা রাশিয়ার মতো শক্তির সমর্থন পাওয়া সম্ভব নয়। যুক্তরাষ্ট্র যে পরিমাণে ভারতীয় পণ্য ও সেবা কেনে, চীন বা রাশিয়া কখনোই তা কিনবে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নয়াদিল্লি, ওয়াশিংটন, বেইজিং, মস্কো
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ বছর (প্রতিরক্ষা চুক্তির মেয়াদ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!