📅 ৩১ আগস্ট ২০২৬, ১০:১৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বেকারি ব্যবসায়ীদের চরম দুর্দশা: উৎপাদন খরচ বেড়েছে এক-পঞ্চমাংশ, লোকসানে ছোট কারখানাগুলো

বেকারি ব্যবসায়ীদের চরম দুর্দশা: উৎপাদন খরচ বেড়েছে এক-পঞ্চমাংশ, লোকসানে ছোট কারখানাগুলো

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গত এক বছরে বেকারি পণ্যের উৎপাদন খরচ ২০-২৫ শতাংশ বৃদ্ধির ফলে ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা চরম সংকটে পড়েছেন। নিয়মিত গ্যাস-বিদ্যুৎ সমস্যা ও কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধিতে দৈনিক লোকসান গুনছেন উদ্যোক্তারা। দেশের প্রায় সাত হাজার ক্ষুদ্র বেকারির মধ্যে ঢাকাতেই রয়েছে সাত শতাধিক প্রতিষ্ঠান

রাজধানীর মালিবাগ চৌধুরীপাড়ায় অবস্থিত কাকলি ব্রেড অ্যান্ড বিস্কুট কারখানায় প্রতিদিন উৎপাদিত হয় রুটি, বিস্কুট ও কেক। প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ আবদুল হান্নান জানান, সাধারণত তাঁর কারখানা থেকে দৈনিক ৬০ থেকে ৮০ হাজার টাকার পণ্য বিক্রি হতো। উৎপাদন খরচ বাদে তাঁর মুনাফা থাকত ৫ থেকে ৮ হাজার টাকা। কিন্তু গত এক বছরে উৎপাদন খরচ ২০ থেকে ২৫ শতাংশ বৃদ্ধির ফলে এখন তাঁকে দৈনিক গড়ে ১৮ হাজার টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গত এক বছরে বেকারি পণ্যের উৎপাদন খরচ বেড়েছে ২০-২৫ শতাংশ
  • 📌 দৈনিক বিক্রির পরিমাণ কমেছে ১০-১৫ শতাংশ
  • 📌 ময়দা, চিনি, তেল ও গ্যাসের দাম বৃদ্ধির কারণে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা চরম সংকটে
  • 📌 নিয়মিত গ্যাস-বিদ্যুৎ সমস্যায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে
  • 📌 দেশে প্রায় সাত হাজার ক্ষুদ্র বেকারি রয়েছে, যার মধ্যে ঢাকায় রয়েছে সাত শতাধিক

📰 বিস্তারিত

মোহাম্মদ আবদুল হান্নান জানান, গত মাসে তাঁর কারখানায় উৎপাদন খরচ এতটাই বৃদ্ধি পেয়েছে যে, এক দিনেই তাঁকে ১৮ হাজার টাকা লোকসান গুনতে হয়েছে। তিনি বলেন, ‘ময়দা, চিনি, তেল ও গ্যাসের দাম এতটাই বেড়েছে যে, আমাদের মতো ছোট ব্যবসায়ীরা নিঃস্ব হয়ে যেতে পারি।’ তাঁর কারখানায় দৈনিক ৬০ থেকে ৮০ হাজার টাকার পণ্য বিক্রি হতো, যার বিপরীতে মুনাফা থাকত ৫ থেকে ৮ হাজার টাকা।

বাংলাদেশ ব্রেড বিস্কুট ও কনফেকশনারি প্রস্তুতকারক সমিতির তথ্য অনুযায়ী, দেশে প্রায় সাত হাজার ক্ষুদ্র বেকারি রয়েছে। এর মধ্যে রাজধানী ঢাকাতেই রয়েছে সাত শতাধিক প্রতিষ্ঠান। এই খাতে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত রয়েছেন লক্ষাধিক মানুষ। সমিতির নেতারা জানিয়েছেন, বর্তমান সংকট পরিস্থিতি চলতে থাকলে আগামী ছয় মাসের মধ্যে দেশে ৫০০ থেকে ৬০০টি ছোট বেকারি বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

টিসিবির তথ্য অনুসারে, গত ছয় মাসে খোলা ময়দার দাম প্রায় ৩০ শতাংশ, খোলা সয়াবিন তেলের দাম ৫ শতাংশ এবং চিনির দাম গড়ে ১১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে খুচরা বাজারে প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১২০ টাকায়, যা এক মাস আগেও ছিল ১০০ থেকে ১০৫ টাকায়। একইভাবে খোলা আটার দাম কেজিতে ৩ টাকা বেড়ে ৪৮ থেকে ৫০ টাকায় এবং খোলা ময়দার দাম কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে ৬৫ থেকে ৭০ টাকায় উন্নীত হয়েছে।

‘দিনে অন্তত তিনবার বিদ্যুৎ যায়। বিদ্যুৎ গেলে আমাদের কাজও বন্ধ থাকে।’ — বাবুল চন্দ্র ঘোষ, মোহাম্মদপুরের শেখেরটেক এলাকায় বৈদ্যুতিক চুলায় বাকরখানি তৈরির দোকানের ম্যানেজার

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজধানী ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ আবদুল হান্নান (কাকলি ব্রেড অ্যান্ড বিস্কুটের স্বত্বাধিকারী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি ২০-২৫ শতাংশ, দৈনিক লোকসান ১৮ হাজার টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖