📌 বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নতুন নিম্নচাপ আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ ২ নভেম্বর অন্ধ্র প্রদেশ উপকূলে আঘাত হানতে পারে। ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের তুলনায় এটি কম শক্তিশালী হতে পারে
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নতুন নিম্নচাপ আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর (আইএমডি) এই আশঙ্কা প্রকাশ করেছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) আইএমডির পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই ঘূর্ণিঝড়টি ‘মুরাসু’ নামে পরিচিত হবে এবং তামিল ভাষায় এর অর্থ ‘ঢোল’। নামটি প্রস্তাব করেছে ভারত।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বঙ্গোপসাগরে নতুন নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
- 📌 সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ ২ নভেম্বর সন্ধ্যায় অন্ধ্র প্রদেশ উপকূলে আঘাত হানতে পারে
- 📌 ঘূর্ণিঝড়টির বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৮০ থেকে ৯০ কিলোমিটার, দমকা হাওয়ার গতিবেগ ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে
- 📌 ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের তুলনায় ‘মুরাসু’ কম শক্তিশালী হতে পারে (অর্ণবের বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার)
- 📌 অন্ধ্র প্রদেশ, উত্তর তামিলনাড়ু ও পুদুচেরিতে ১ নভেম্বর থেকে ঝোড়ো হাওয়ার আশঙ্কা
- 📌 রায়ালসীমা অঞ্চলে ২ ও ৩ নভেম্বর অতি ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা
📰 বিস্তারিত
আইএমডির পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হবে। আগামী ২ নভেম্বর সন্ধ্যায় এটি অন্ধ্র প্রদেশ উপকূলে আঘাত হানতে পারে। তবে এটি আগামী মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকালে আঘাত হানতে পারে বলে মহাপরিচালক মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্রের পূর্বাভাস। ঘূর্ণিঝড়টির বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৮০ থেকে ৯০ কিলোমিটার এবং দমকা হাওয়ার গতিবেগ ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে।
ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের তুলনায় ‘মুরাসু’ কম শক্তিশালী হতে পারে। গত ২৮ অক্টোবর অন্ধ্র প্রদেশ ও উড়িষ্যার উপকূলে আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় প্রায় ১৫০ কিলোমিটার।
ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২ নভেম্বর অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং পুদুচেরির ইয়ানামে বিচ্ছিন্নভাবে অতি ভারি বৃষ্টি হতে পারে। পরদিন এসব এলাকায় ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। রায়ালসীমা অঞ্চলে ২ ও ৩ নভেম্বর অতি ভারি বৃষ্টি হতে পারে। উড়িষ্যার উপকূলীয় এলাকাগুলোতে ৩ ও ৪ নভেম্বর ভারি বৃষ্টির সতর্কতা দেওয়া হয়েছে।
১ নভেম্বর সন্ধ্যা থেকে অন্ধ্র প্রদেশ, উত্তর তামিলনাড়ু ও পুদুচেরি উপকূলে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। ২ নভেম্বর বিকেল নাগাদ অন্ধ্র প্রদেশ উপকূলে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬৫ থেকে ৭৫ কিলোমিটার এবং দমকা হাওয়ার গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৫ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠতে পারে। পরে সন্ধ্যা থেকে ৩ নভেম্বর সকাল পর্যন্ত বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৮০ থেকে ৯০ কিলোমিটার থাকতে পারে। দমকা হাওয়ার গতিবেগ ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।
দক্ষিণ উড়িষ্যা উপকূলে ২ নভেম্বর সন্ধ্যা থেকে ঝোড়ো হাওয়া শুরু হতে পারে। ৩ নভেম্বর ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার থাকতে পারে। দমকা হাওয়ার গতিবেগ ঘণ্টায় ৭০ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠতে পারে। ৪ নভেম্বর থেকে পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ওই দিন সকালে বাতাসের গতিবেগ কমে ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটারে নেমে আসতে পারে।
"আগামী মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকালে অন্ধ্র প্রদেশ উপকূলে আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড়টি। তবে এটি সাম্প্রতিক ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের তুলনায় কম শক্তিশালী হতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বঙ্গোপসাগর, অন্ধ্র প্রদেশ উপকূল, উত্তর তামিলনাড়ু, পুদুচেরি, রায়ালসীমা অঞ্চল, দক্ষিণ উড়িষ্যা উপকূল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র (আইএমডি মহাপরিচালক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪ ঘণ্টা, ৩১ অক্টোবর, ২ নভেম্বর, ৮০-৯০ কিলোমিটার, ১০০ কিলোমিটার, ১৫০ কিলোমিটার, ২৮ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!