📅 ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নেপালের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে আটকা পড়া শ্রমিকদের মধ্যে ৯ দিন পর উদ্ধার হয় দুই ব্যক্তি, হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে

নেপালের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে আটকা পড়া শ্রমিকদের মধ্যে ৯ দিন পর উদ্ধার হয় দুই ব্যক্তি, হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নেপালের ত্রিশূলী-৩ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে আটকা পড়া শ্রমিকদের মধ্যে ৯ দিন পর শুক্রবার দুজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃতদের একজন সঞ্জয় শাহ, অন্যজন কবির মহারাজন। তাদের উদ্ধারের পর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। নেপালে বন্যার কারণে সুড়ঙ্গে ৩৯ জনেরও বেশি শ্রমিক আটকা পড়া অবস্থায় রয়েছে।

নেপালের ত্রিশূলী-৩ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে হিমবাহধসের কারণে সৃষ্ট বন্যার ৯ দিন পর শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুজন শ্রমিককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃতদের একজন সঞ্জয় শাহ, অন্যজন কবির মহারাজন। উদ্ধারকর্মীরা এখনো সুড়ঙ্গের ভেতরে আটকা পড়া শ্রমিকদের উদ্ধারের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৯ দিন পর উদ্ধার: নেপালের ত্রিশূলী-৩ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গ থেকে শুক্রবার দুজন শ্রমিককে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তাদের একজন সঞ্জয় শাহ, অন্যজন কবির মহারাজন।
  • 📌 হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে: সঞ্জয় শাহকে কাঠমান্ডুর উত্তর-পশ্চিমে বাত্তার এলাকার একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কবির মহারাজনকে সেনা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
  • 📌 আঘাত ও অক্সিজেনের অভাব: উদ্ধারকৃত উভয় শ্রমিকের হাত-পায়ে আঘাত রয়েছে এবং তারা অক্সিজেনের অভাবের কারণে ভুগছেন।
  • 📌 ৩৯ জনেরও বেশি আটকা: নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী সুড়ঙ্গে এখনো ৩৯ জনেরও বেশি শ্রমিক আটকা পড়া অবস্থায় রয়েছে।
  • 📌 উদ্ধারের কঠিন পরিস্থিতি: উদ্ধারকর্মীরা কাদা ও ধ্বংসাবশেষে ভরা জলমগ্ন সুড়ঙ্গের মধ্য দিয়ে পথ করে নিচে নামছেন। টানেলের ৫০ থেকে ৬০ মিটার পর্যন্ত ধ্বংসাবশেষ খুঁড়ে পথ তৈরি করা হয়েছে।

📰 বিস্তারিত

নেপালের ত্রিশূলী–৩ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে হিমবাহধসের কারণে সৃষ্ট বন্যার ৯ দিন পর শুক্রবার দুজন শ্রমিককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকর্মীরা প্রথমে সুড়ঙ্গের ভেতর থেকে কণ্ঠস্বর শুনে আশ্বাস দিয়েছিলেন, ‘আতঙ্কিত হবেন না, আমরা আপনাদের উদ্ধার করতে এসেছি।’ এরপর তারা ভেতর থেকে ‘ওকে’ বলার একটি ক্ষীণ সাড়া শুনতে পান। উদ্ধার হওয়া সঞ্জয় শাহকে কাঠমান্ডুর উত্তর-পশ্চিমে বাত্তার এলাকার একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সঞ্জয় শাহ কথা বলার মতো অবস্থায় নেই। অন্যজন কবির মহারাজন উদ্ধারের পর হাসছিলেন এবং অন্যদের ধন্যবাদ দিয়েছিলেন।

কবির মহারাজনের ভাই আমির মহারাজন জানিয়েছেন, ‘আমার মনটা এখন হালকা লাগছে। পুরো পরিবার খুব খুশি।’ কবির মহারাজনের স্ত্রী হীরাশোভা বিবিসি নেপালিকে বলেছেন, ‘আমি ফেসবুকে ছবিগুলো দেখেছিলাম। আমি খুব খুশি হয়েছিলাম। আমরা ১০ দিন ধরে ঠিকমতো খেতে বা পান করতে পারিনি। এখন আমরা সবাই খুশি। আমরা কাঁদছিও।’

নেপাল বিদ্যুৎ বিভাগের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সুরেশ রাউত বিবিসিকে জানিয়েছেন, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও বলেছেন, সুড়ঙ্গের ভেতরে আরও মানুষ আটকা পড়া থাকতে পারে। উদ্ধার অভিযান চলছে। নেপাল বিদ্যুৎ সংস্থার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উদ্ধারকৃত উভয় শ্রমিকের হাত ও পায়ে আঘাত রয়েছে, যা সম্ভবত টানেলের ভেতর দিয়ে হামাগুড়ি দেওয়ার কারণে হয়েছে। তারা অক্সিজেনের অভাবে ভুগছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

"আমরা ১০ দিন ধরে ঠিকমতো খেতে বা পান করতে পারিনি। আমরা খুব ভয় পেয়েছিলাম। এখন আমরা সবাই খুশি। আমরা কাঁদছিও।"

সঞ্জয় শাহ নেপাল বিদ্যুৎ বিভাগের একজন কর্মী। তার সহকর্মী সুরেশ চৌধুরী বলেছেন, ‘আমি ভীষণ খুশি! এ খবরের অপেক্ষায় ছিলাম। এতে আশা জেগেছে যে অন্যদেরও জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হবে।’ টানেলিং বিশেষজ্ঞ আর্নল্ড ডিক্স বলেছেন, ‘এই মুহূর্তে আমি আশাবাদী। এক সপ্তাহ ধরে দিনরাত দুশ্চিন্তার পর, আমরা হয়তো আবারও অলৌকিকতার জগতে ফিরে এসেছি।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নেপাল, ত্রিশূলী–৩ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গ, কাঠমান্ডুর বাত্তার এলাকা ও সেনা হাসপাতাল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সঞ্জয় শাহ, কবির মহারাজন, সুরেশ রাউত, সুরেশ চৌধুরী, আর্নল্ড ডিক্স, আমির মহারাজন, হীরাশোভা বিবিসি নেপালি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ জন (উদ্ধারকৃত), ৯ দিন (আটকা), ৩৯ জন (আটকা পড়া), ৫০-৬০ মিটার (ধ্বংসাবশেষ খুঁড়ে পথ), ১০ দিন (অনাহার)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖