📅 ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:১০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নবী মুহাম্মদ (সা.) কী ধরনের জুতা পরতেন? হাদিস থেকে জানুন পাদুকার গোপন বৈশিষ্ট্য

নবী মুহাম্মদ (সা.) কী ধরনের জুতা পরতেন? হাদিস থেকে জানুন পাদুকার গোপন বৈশিষ্ট্য

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নবী মুহাম্মদ (সা.) কী ধরনের জুতা পরতেন? সাহাবিরা তাঁর ব্যবহৃত জুতা সংরক্ষণ করতেন। হাদিস ও শামায়েল শাস্ত্রে তাঁর জুতার গঠন, চামড়ার বৈশিষ্ট্য এবং ব্যবহারিক সুবিধা বর্ণিত আছে। পায়ে জুতা পরা ছিল নবীদের ঐতিহ্য

নবী মুহাম্মদ (সা.) কী ধরনের জুতা পরতেন? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলে সাহাবিরা সংরক্ষিত ঐতিহ্য ও হাদিসের গ্রন্থগুলোতে গিয়ে দেখতে হবে। সাহাবিরা নবীজির ব্যবহৃত সামান্য বস্তুকেও শ্রদ্ধার সাথে সংরক্ষণ করতেন। তাঁর পবিত্র পাদুকাও তেমনি এক বরকতময় নিদর্শন। হাদিস ও শামায়েল শাস্ত্রে নবীজির জুতার উপাদান, আকৃতি, ফিতা বাঁধার ধরন এবং সাহাবিদের তা সংরক্ষণের বিবরণ পাওয়া যায়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 নবী মুহাম্মদ (সা.) পাকা চামড়ার তৈরি লোমহীন স্যান্ডেলসদৃশ জুতা পরতেন, যার মধ্যে দুটি চামড়ার ফিতা (ক্বিবাল) থাকত।
  • 📌 তাঁর জুতার তিনটি প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল: মুখাসসারাহ (পায়ের খিলানের সঙ্গে সামঞ্জস্য), মুআক্কাবাহ (গোড়ালির সুরক্ষা) এবং মুলাসসানাহ (সামনের অংশের প্রলম্বিত জিহ্বা)।
  • 📌 সাহাবি আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) নবীজির বিশেষ সেবক ছিলেন এবং তাঁর জুতা পরিয়ে দিতেন। নবীজি (সা.) মজলিস থেকে ওঠার সময় ইবনে মাসউদ তাঁর পায়ে জুতা পরিয়ে দিতেন।
  • 📌 নবীজি (সা.) যখন কোথাও বসতেন, তিনি জুতা খুলে নিজের বগলের নিচে শ্রদ্ধায় জড়িয়ে রাখতেন।
  • 📌 পায়ে জুতা পরা ছিল নবীদের ঐতিহ্য। আল্লাহ তাআলা তুর পাহাড়ে নবী মুসাকে নির্দেশ দিয়েছিলেন, ‘তোমার জুতা খুলে ফেলো’ (সুরা ত্বহা, আয়াত: ১২)।

📰 বিস্তারিত

নবী মুহাম্মদ (সা.) পায়ে জুতা পরা ছিল তাঁর একটি সুন্নত। সাহাবিরা তাঁর ব্যবহৃত জুতা সংরক্ষণ করতেন, কারণ তাঁরা নবীজির ব্যবহার করা সামান্য বস্তুকেও শ্রদ্ধার সাথে মনে করতেন। হাদিস ও শামায়েল শাস্ত্রে নবীজির জুতার গঠন, চামড়ার বৈশিষ্ট্য এবং ব্যবহারিক সুবিধা বর্ণিত আছে। নবীজি (সা.) মূলত পাকা চামড়ার তৈরি একধরনের চটি বা স্যান্ডেলসদৃশ জুতা পরতেন, যা লোমহীন ছিল এবং যার মধ্যে দুটি করে চামড়ার ফিতা (ক্বিবাল) সংযুক্ত থাকত।

নবীজির জুতার গঠন অত্যন্ত সাদাসিধে ও দীর্ঘ পথচলার উপযোগী ছিল। জুতার সামনের অংশ তুলনামূলকভাবে প্রশস্ত ছিল, যাতে পায়ের আঙুলগুলো স্বাচ্ছন্দ্যে থাকতে পারে। জুতার তিনটি প্রধান বৈশিষ্ট্য উল্লেখযোগ্য:

"১. মুখাসসারাহ: জুতার মাঝখানের অংশ পায়ের খিলানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কিছুটা সংকুচিত ছিল, যা চলাচলে পা-কে আরাম দিত। ২. মুআক্কাবাহ: জুতার পেছনের অংশ চামড়ার বিশেষ পটি দিয়ে সুরক্ষিত ছিল, যা পায়ের গোড়ালিকে স্থির রাখত। ৩. মুলাসসানাহ: জুতার সামনের অংশ সামান্য প্রলম্বিত ছিল, যা পাতার অগ্রভাগকে আঘাত থেকে সুরক্ষা দিত।"

সাহাবি আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) নবীজির বিশেষ সেবক ছিলেন। তিনি নবীজির জুতা, বালিশ, মিসওয়াক ও অজু করানোর পানি বহন করতেন। নবীজি (সা.) মজলিস থেকে ওঠার সময় ইবনে মাসউদ তাঁর পায়ে জুতা পরিয়ে দিতেন। আর যখন নবীজি (সা.) কোথাও বসতেন, তিনি জুতা খুলে নিজের বগলের নিচে শ্রদ্ধায় জড়িয়ে রাখতেন। এই কারণে সাহাবিদের মধ্যে তিনি ‘সাহিবুন নালাইন’ (নবীজির দুই জুতার খাদেম) হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

ইমাম আবু বকর ইবনুল আরাবি উল্লেখ করেছেন, পায়ে পাদুকা রাখা নবীদের এক বিশেষ শিষ্টাচার ও সুন্নত। রাসুল (সা.) নিয়মিত জুতা ব্যবহারের নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, ‘তোমরা অধিক পরিমাণে জুতা ব্যবহার করো; কেননা মানুষ যতক্ষণ জুতা পরে থাকে, সে যেন একপ্রকার আরোহী অবস্থায় থাকে’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২০৯৬)।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মক্কা ও মদিনা (সাহাবিরা সংরক্ষিত ঐতিহ্য ও হাদিসের বর্ণনা)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নবী মুহাম্মদ (সা.), সাহাবি আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.), ইমাম আবু বকর ইবনুল আরাবি, ইবনে সাদ, আল্লামা কাস্তাল্লানি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ (সুরা ত্বহা, আয়াত), ১২১ (আল-ইত্তিহাফ বিহুব্বিল আশরাফ), ১/৮০ (আল-মাওয়াহিবুল লাদুন্নিয়াহ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖