📌 নেপাল-চীন সীমান্তবর্তী অঞ্চলে বিধ্বংসী বন্যা ও ভূমিধসে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৭৩৪ জনের। উদ্ধারকর্মীরা এখনও অনুসন্ধান চালাচ্ছেন ৯০০-এর বেশি কর্মীকে, যারা হিমালয়ের হাইড্রোপাওয়ার প্রকল্পে কর্মরত ছিলেন
নেপাল ও চীনের সীমান্তবর্তী হিমালয়ের অঞ্চলে বুধবার সংঘটিত বিধ্বংসী বন্যা ও ভূমিধসে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৭৩৪ জনের। এছাড়া উদ্ধারকর্মীরা এখনও অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছেন ৯০০-এর বেশি কর্মীকে, যারা কেন্দ্রীয় নেপালের হাইড্রোপাওয়ার প্রকল্পে কর্মরত ছিলেন বলে জানা গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৭৩৪ জনের, উদ্ধারকাজ চলছে ৯০০-এর বেশি কর্মীর
- 📌 নেপালের ত্রিশূলী ও ভোটেকোশি নদী অববাহিকায় বিধ্বস্ত হয়েছে অসংখ্য গ্রাম ও শহর
- 📌 হিমালয়ের হিমবাহ ধসে সৃষ্ট বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১১টি হাইড্রোপাওয়ার প্রকল্প
- 📌 উদ্ধারকাজে অংশ নিয়েছে নেপাল সেনাবাহিনী, সশস্ত্র পুলিশ ও ভারতীয় উদ্ধার দল
📰 বিস্তারিত
বুধবার নেপাল-চীন সীমান্তবর্তী হিমালয়ের অঞ্চলে হিমবাহ ধসে সৃষ্ট বিধ্বংসী বন্যা ও ভূমিধসে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৭৩৪ জনের। নেপালের স্বাধীন বিদ্যুৎ উৎপাদনকারীদের সংগঠনের তথ্য অনুযায়ী, এখনও উদ্ধারকাজ চলছে ৯৩৩ জন কর্মীকে, যারা কেন্দ্রীয় নেপালের রসুয়া ও নুয়াকোট জেলার ১১টি হাইড্রোপাওয়ার প্রকল্পে কর্মরত ছিলেন।
নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, মৃতের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। ত্রিশূলী ও ভোটেকোশি নদী অববাহিকায় বিধ্বস্ত হয়েছে অসংখ্য গ্রাম ও শহর। চীনের তিব্বত অঞ্চলেও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।
উদ্ধারকাজে অংশ নিয়েছে নেপাল সেনাবাহিনী, সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী ও নেপাল পুলিশের একটি যৌথ দল। এছাড়া ভারত থেকেও উদ্ধার দল এসেছে। ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ভারতের একটি ১১ সদস্যের মেডিকেল ও টানেল উদ্ধার বিশেষজ্ঞ দল শনিবার নেপালে পৌঁছেছে।
"তারা জিরং বন্দর ও সীমান্ত এলাকায় এক কিলোমিটার উজানে অবস্থিত বাঁধা হ্রদটি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। উপগ্রহ, রাডার ও ড্রোন ব্যবহার করে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।"
"যদি বাঁধা হ্রদের পরিস্থিতি খারাপের দিকে যায়, তাহলে উদ্ধারকারীদের প্রায় ৩০ মিনিট আগে সতর্ক করতে পারবে কর্তৃপক্ষ।"
কাঠমান্ডু পোস্টের তথ্য অনুযায়ী, ত্রিশূলী-১ হাইড্রোপাওয়ার প্রকল্পে এখন পর্যন্ত ২৫৪ জন কর্মীকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে চিলিমে হাইড্রোপাওয়ার প্রকল্পে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে। চিলিমে হাইড্রোপাওয়ার কোম্পানির নির্বাহী পরিচালক বাবুরাজ মহার্জনের মতে, টানেলটি কাদা ও ধ্বংসাবশেষে পূর্ণ থাকায় প্রবেশ করা সম্ভব হচ্ছে না।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নেপাল-চীন সীমান্তবর্তী হিমালয়ের অঞ্চল
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: নেপালের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, চিলিমে হাইড্রোপাওয়ার কোম্পানি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: মৃত্যু ৭৩৪, নিখোঁজ ৯৩৩
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!