📌 দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্র নাওয়েরো আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের নাম পরিবর্তন করে ‘রিপাবলিক অব নাওয়েরো’ করার উদ্যোগ নিয়েছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট ডেভিড আদেয়াং জানিয়েছেন, নতুন নামটি স্থানীয় ভাষা ও ঐতিহ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। প্রায় ১২ হাজার জনসংখ্যার দেশটি বিশ্বের তৃতীয় ক্ষুদ্রতম রাষ্ট্র
দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্র নাওয়েরো আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের নাম পরিবর্তন করে ‘রিপাবলিক অব নাওয়েরো’ করার উদ্যোগ নিয়েছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট ডেভিড আদেয়াং জানিয়েছেন, নতুন নামটি দেশটির স্থানীয় ভাষায় প্রচলিত উচ্চারণ ও বানানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাঁর মতে, এটি জাতীয় পরিচয় ও পূর্বপুরুষের উত্তরাধিকার সংরক্ষণের উদ্যোগ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দেশটির নতুন নাম হবে ‘রিপাবলিক অব নাওয়েরো’, যা স্থানীয় উচ্চারণ ‘Naoero’ থেকে উদ্ভূত
- 📌 আন্তর্জাতিক কোড পরিবর্তন করে ‘NRU’ থেকে ‘NRO’ করা হবে
- 📌 নাগরিকদের পরিচিতি হিসেবে ‘Nauruan’ পরিবর্তে ‘dei-Naoero’ ব্যবহারের পরিকল্পনা
- 📌 জাতিসংঘসহ অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সরকারি ওয়েবসাইটে নতুন নাম যুক্ত
- 📌 প্রায় ১২ হাজার জনসংখ্যার দেশটি বিশ্বের তৃতীয় ক্ষুদ্রতম স্বাধীন রাষ্ট্র
📰 বিস্তারিত
দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্র নাওয়েরো সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের নাম পরিবর্তন করে ‘রিপাবলিক অব নাওয়েরো’ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডেভিড আদেয়াং জানান, নতুন নামটি দেশটির স্থানীয় ভাষা ও ঐতিহ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তিনি উল্লেখ করেন, এটি কোনো রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়; বরং জাতীয় পরিচয় পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ। দেশটির আন্তর্জাতিক কোড ‘NRU’ পরিবর্তন করে ‘NRO’ করা হবে। এছাড়া নাগরিকদের পরিচিতি হিসেবে ‘Nauruan’ পরিবর্তে ‘dei-Naoero’ ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে।
জাতিসংঘের ওয়েবসাইটসহ অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সরকারি ওয়েবসাইটে ইতোমধ্যে নতুন নামটি যুক্ত হয়েছে। সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, বিদেশিদের সুবিধার জন্য স্থানীয় নামের পরিবর্তে ‘Nauru’ ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। এখন ঐতিহ্যবাহী নামটি পুনরায় প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে।
প্রস্তাবিত সাংবিধানিক সংশোধনীতে দেশটির আইনপ্রণেতারা দুই দফা ভোটে অনুমোদন দিয়েছেন। শুরুতে নাম পরিবর্তনের বিষয়ে গণভোটের কথা বলা হলেও পরে সরকার সিদ্ধান্ত নেয়, এ জন্য গণভোটের প্রয়োজন নেই। সরকারের মতে, ‘নাওয়েরো’ নামটি কখনো হারিয়ে যায়নি; এটি মানুষের পরিচয় ও জাতীয় প্রতীকের অংশ হিসেবে এখনো ব্যবহৃত হয়।
"নতুন নামটি জাতীয় গর্বের সূচনা করবে এবং এটি ঔপনিবেশিক অতীত থেকে নিজেদের পরিচয় পুনরুদ্ধারের বৈশ্বিক প্রবণতার অংশ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রেসিডেন্ট ডেভিড আদেয়াং
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: প্রায় ১২ হাজার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!