📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:২৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মিয়ানমারের নতুন বিবৃতি: রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালি’ দাবি করে প্রত্যাবাসন ইস্যুতে নতুন মোড়

মিয়ানমারের নতুন বিবৃতি: রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালি’ দাবি করে প্রত্যাবাসন ইস্যুতে নতুন মোড়

📷 ছবি: বিবিসি বাংলা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বিবিসি বাংলা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাখাইন রাজ্যের বাস্তুচ্যুতদের প্রত্যাবাসনে নতুন বিবৃতি দিয়েছে মিয়ানমার। তারা রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালি’ হিসেবে দাবি করে বাংলাদেশের তালিকা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে। বিশ্লেষকরা একে পুরোনো কৌশলের পুনরাবৃত্তি হিসেবে দেখছেন

মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে ‘রাখাইনের বাঙালি’ দাবি করে নতুন একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রাখাইনের বাসিন্দা হিসেবে পরিচয় নিশ্চিত ব্যক্তিদের ফেরত নেওয়া হবে। একইসঙ্গে বাংলাদেশের দেওয়া তালিকার সংখ্যা নিয়ে আপত্তিও জানিয়েছে দেশটি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালি’ হিসেবে দাবি করে নতুন বিবৃতি প্রকাশ করেছে
  • 📌 বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রাখাইনের বাসিন্দা হিসেবে পরিচয় নিশ্চিত ব্যক্তিদের ফেরত নেওয়া হবে
  • 📌 বাংলাদেশের দেওয়া তালিকার সংখ্যা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে মিয়ানমার
  • 📌 বিবৃতিতে রোহিঙ্গা জাতিগত পরিচয়কে অস্বীকার করা হয়েছে
  • 📌 মিয়ানমার দাবি করেছে, তাদের কাছে রাখাইন রাজ্যে কোনো ‘রোহিঙ্গা’ জাতিগোষ্ঠী নেই

📰 বিস্তারিত

মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শনিবার একটি বিবৃতি প্রকাশ করে জানিয়েছে, রাখাইন রাজ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হলে বাংলাদেশের আশ্রয়শিবিরে থাকা তিন লাখের কিছু বেশি মানুষকে ফিরিয়ে নিতে ইচ্ছুক তারা। তবে বাংলাদেশের দেওয়া তালিকার সংখ্যা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে দেশটি। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের প্রসঙ্গ টেনে দুই দেশের মধ্যে সমাধানের বিষয় হলেও এটিকে আন্তর্জাতিক ইস্যু হিসেবে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

মিয়ানমারের দাবি, ২০১৬ সালের অক্টোবর-নভেম্বর এবং ২০১৭ সালের আগস্টে রাখাইনের উত্তরাঞ্চলে আরসা নামক সন্ত্রাসী গোষ্ঠী পুলিশ ফাঁড়ি ও ব্যাটালিয়নে সমন্বিত হামলা চালায়। যার প্রতিরক্ষামূলক জবাব হিসেবে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান চালায় দেশটির রাষ্ট্রীয় বাহিনী। আরসার হুমকির কারণে স্থানীয় জাতিগোষ্ঠীর মানুষ অন্য শহর ও গ্রামে চলে যায়, আর বিপুল সংখ্যক বাঙালি বাংলাদেশে পালিয়ে যায় বলে দাবি করেছে মিয়ানমার।

মিয়ানমারের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, আরসার হামলার আগে বুথিদং, মংডু ও রাথিডং টাউনশিপে সাত লাখ ৪০ হাজারের বেশি বাঙালি বসবাস করত। ঘটনার পর সেখানে দুই লাখের বেশি থেকে যায় এবং পাঁচ লাখ ৪০ হাজার বাংলাদেশে চলে যায়। এই হিসাবের ভিত্তিতে মিয়ানমারের দাবি, রাখাইন থেকে দশ লাখের বেশি বাস্তুচ্যুত হয়েছে — এই তথ্যটি সঠিক নয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

"এই ইস্যুতে গণমাধ্যমে একপেশে, ভুল তথ্য ও অপতথ্য প্রচার করা হচ্ছে। তাদের জাতিগত পরিচয় নিয়েও বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে বলে দাবি দেশটির। তারা বলছে, অন্যান্য দেশে যাওয়া ব্যক্তিদের মিয়ানমারে কখনো না থাকা একটি জাতিগত পরিচয় দিয়ে পরিচিত করা হচ্ছে।"

মিয়ানমার আরও জানিয়েছে, বাংলাদেশের সঙ্গে ২০১৮ ও ২০১৯ সালে তিনটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি করেছে তারা। চুক্তি অনুযায়ী তিন দফায় তাদেরকে ফেরত নেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হলেও একজনও ফেরত যায়নি বলে দাবি করেছে নেপিদো। বাংলাদেশের দেওয়া আট লাখ ২৮ হাজার ৮২৪ জনের তালিকার মধ্যে ২০২৬ সালের ৩১ জুলাই পর্যন্ত মিয়ানমার চার লাখ ২৬ হাজার ৫৪৫ জনকে যাচাই করেছে। যার মধ্যে তিন লাখ আট হাজার ৭৯৭ জন রাখাইন রাজ্যের সাবেক বাসিন্দা বলে প্রমাণিত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মিয়ানমার ও বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: তিন লাখের কিছু বেশি, চার লাখ ২৬ হাজার ৫৪৫ জন, তিন লাখ আট হাজার ৭৯৭ জন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖