📌 মিয়ানমারের সরকারি বিবৃতিতে রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালি’ হিসেবে উল্লেখ করায় বাংলাদেশ তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রোহিঙ্গাদের নিজস্ব জাতিগত পরিচয় রয়েছে এবং তাদের প্রত্যাবাসনের বিষয়ে দ্বিপক্ষীয় চুক্তির ভিত্তিতে যাচাই প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার আহ্বান জানানো হয়েছে
বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে মিয়ানমারের সরকারি বিবৃতিতে ‘বাঙালি’ হিসেবে উল্লেখ করায় বাংলাদেশ তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ১৫ আগস্টের বিবৃতিতে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জাতিগত পরিচয় অস্বীকার করা হয়েছে বলে উল্লেখ করে ঢাকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, রোহিঙ্গাদের নিজস্ব জাতিগত পরিচয় রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মিয়ানমারের সরকারি বিবৃতিতে রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালি’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে
- 📌 বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে রোহিঙ্গাদের নিজস্ব জাতিগত পরিচয় রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়
- 📌 মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সংখ্যা নিয়ে ভুল পরিসংখ্যান ব্যবহারের বিষয়টি তুলে ধরা হয়
- 📌 দ্বিপক্ষীয় চুক্তির ভিত্তিতে রোহিঙ্গাদের যাচাই প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার আহ্বান জানানো হয়
📰 বিস্তারিত
মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ১৫ আগস্টের বিবৃতিতে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সংখ্যা নিয়ে ভুল পরিসংখ্যান ব্যবহারের বিষয়টি তুলে ধরে বাংলাদেশ। বৈঠকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক মো. তৌফিক-উর-রহমান মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত উ কিয়াও সোয়ে মোয়ের সঙ্গে আলোচনা করেন। তিনি জাতিসংঘের ব্যবস্থায় নিবন্ধিত তথ্যেই বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের সঠিক সংখ্যা প্রতিফলিত হয়েছে বলে উল্লেখ করেন।
তৌফিক-উর-রহমান দ্বিপক্ষীয় চুক্তির ভিত্তিতে রোহিঙ্গাদের যাচাই প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার আহ্বান জানান। তিনি রোহিঙ্গা শিবিরে জন্ম নেওয়া শিশু এবং ২০১৭ সালের পর রাখাইন ছেড়ে বাংলাদেশে আসা নতুন রোহিঙ্গাদের তথ্যও যাচাই প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করার অনুরোধ জানান। মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের উদ্বেগ ও পর্যবেক্ষণ তার সরকারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দেন। তিনি যাচাই প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করে যাচাইকৃত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন শুরু করার বিষয়ে মিয়ানমারের অঙ্গীকারের কথাও জানান।
বাংলাদেশ আবারও বলেছে, রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র টেকসই সমাধান হলো নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণভাবে তাদের মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে প্রত্যাবাসন।
"জাতিসংঘের ব্যবস্থায় নিবন্ধিত তথ্যেই বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের সঠিক সংখ্যা প্রতিফলিত হয়েছে। দ্বিপক্ষীয় চুক্তির ভিত্তিতে রোহিঙ্গাদের যাচাই প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার আহ্বান জানাই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. তৌফিক-উর-রহমান, উ কিয়াও সোয়ে মোয়ে
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ আগস্ট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!