📌 মধ্যপ্রদেশের কাটুনি শহরের সিটি সুপারিনটেনডেন্ট অব পুলিশ নেহা পচিশিয়ার বিরুদ্ধে সরকারি জমি জালিয়াতি ও ভুক্তভোগী পরিবারকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদবের নির্দেশে তাঁকে তাৎক্ষণিক বরখাস্ত করা হয়েছে।
মধ্যপ্রদেশের কাটুনি শহরের সিটি সুপারিনটেনডেন্ট অব পুলিশ (সিএসপি) পদে কর্মরত থাকা অবস্থায় এক নারী পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সরকারি জমি দখল ও ভুক্তভোগী পরিবারকে হুমকি দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার পর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব তাঁকে তাৎক্ষণিকভাবে বরখাস্ত করার নির্দেশ দেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মধ্যপ্রদেশের কাটুনি শহরের সিএসপি পদে কর্মরত নেহা পচিশিয়ার বিরুদ্ধে সরকারি জমি দখলের অভিযোগ
- 📌 অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদবের নির্দেশে তাৎক্ষণিক বরখাস্ত করা হয়েছে
- 📌 অভিযোগটি সরকারি হিসেবে ৮২ লাখ ৮৬ হাজার রুপির জমি প্রকৃত মূল্যের চার ভাগের একভাগ দামে বিক্রি করার সাথে জড়িত
- 📌 ভুক্তভোগী পরিবারকে হত্যা মামলার আসামির পরিবারের মাধ্যমে হুমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে
- 📌 এর আগে জুলাই মাসে গাড়ি চেকিংয়ের নামে ঘুষ দাবির অভিযোগেও তাঁকে বদলি করা হয়েছিল
📰 বিস্তারিত
মধ্যপ্রদেশের কাটুনি শহরের সিটি সুপারিনটেনডেন্ট অব পুলিশ পদে কর্মরত নেহা পচিশিয়ার বিরুদ্ধে সরকারি জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। সূত্র জানায়, রমেশ লোধি নামের এক ব্যক্তির সম্পত্তি ঘিরে এই ঘটনা ঘটেছে। সরকারি হিসেবে জমিটির মূল্য ছিল ৮২ লাখ ৮৬ হাজার রুপি। তবে মারুফ আহমেদ হানাফি নামের এক ব্যক্তির কাছে জমিটি মাত্র ১৮ লাখ ২০ হাজার রুপিতে বিক্রি করতে লোধির পরিবারকে বাধ্য করা হয়। অর্থাৎ প্রকৃত মূল্যের চার ভাগের একভাগেরও কম দামে জমিটি হস্তান্তর করা হয়।
তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, জমির মালিক রমেশ লোধি একটি হত্যা মামলায় কারাগারে ছিলেন। তাঁর পরিবারের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে পুলিশি ক্ষমতা ও প্রভাব ব্যবহার করে জমিটি সস্তায় লিখিয়ে নেওয়া হয়। জমি নিবন্ধনের নথি অনুযায়ী, মোট অর্থের মধ্যে ১৫ লাখ রুপি চেকের মাধ্যমে এবং ৩ লাখ ২০ হাজার রুপি নগদে পরিশোধ করা হয়।
তদন্ত কর্মকর্তা অনু বেনিউয়ালের প্রতিবেদনে উঠে আসে, মূল ক্রেতা মারুফ আহমেদ হানাফির ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ২০২৫ সালের ১১ জুলাই মাত্র ৩ হাজার ৩৬ রুপি জমা ছিল। তবে জমি নিবন্ধনের দিন অর্থাৎ ১৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে তাঁর অ্যাকাউন্টে হঠাৎ করে ১৫ লাখ রুপি জমা হয়। পরবর্তী অনুসন্ধানে দেখা যায়, ওই ১৫ লাখ রুপির মধ্যে ১০ লাখ আসে ‘শাইন পার্টনার্স’ নামক প্রতিষ্ঠান থেকে এবং বাকি ৫ লাখ জমা দেন ক্ষিতিজ রাজ বারাপাত্রে নামের এক ব্যক্তি।
উল্লেখ্য, শাইন পার্টনার্স ও বারাপাত্রের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট একই প্যান নম্বরের অধীনে নিবন্ধিত ছিল। বারাপাত্রে মূলত নেহা পচিশিয়ার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত। অভিযোগ রয়েছে, জমি জালিয়াতির পাশাপাশি ভুক্তভোগী পরিবারকে হত্যা মামলার আসামির মাধ্যমে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। রমেশ লোধির ছেলে আকাশ অভিযোগ করেন, তাঁর বাবা জালিয়াতির বিষয়টি বুঝতে পারার পর রেজিস্ট্রি বাতিল করার চেষ্টা করলে তাঁদের পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।
"পুলিশি ক্ষমতার অপব্যবহার করে সরকারি জমি জালিয়াতির মাধ্যমে দখল করা হয়েছে। তদন্তে বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কাটুনি, মধ্যপ্রদেশ, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নেহা পচিশিয়া (সাবেক এয়ার হোস্টেস ও পুলিশ কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮২ লাখ ৮৬ হাজার রুপি (জমির সরকারি মূল্য), ১৮ লাখ ২০ হাজার রুপি (বিক্রিত মূল্য), ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (জমি নিবন্ধনের তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!