📌 কলকাতার নিউমার্কেট এলাকায় হোটেল শিখা-ইনের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নয়জন পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে সাতজন বাংলাদেশি। পুলিশ হোটেলমালিক বীরেশ্বর মিত্রকে ধরতে পারেনি। অগ্নিকাণ্ডের পর কলকাতা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ৫০টির বেশি হোটেলে তল্লাশি চালিয়ে লাইসেন্স না মানার কারণে শোকজ নোটিশ জারি করেছে
কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার মীর্জা গালিব স্ট্রিটে অবস্থিত হোটেল শিখা-ইনের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নয়জন পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে সাতজন বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার বাসিন্দা। ঘটনার চার দিন পরেও হোটেলমালিক বীরেশ্বর মিত্রকে ধরতে পারেনি কলকাতা পুলিশ। পুলিশের ধারণা, তিনি পূর্ব মেদিনীপুরের পর্যটনকেন্দ্র দিঘা ও মন্দারমণিতে আত্মগোপন করে আছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কলকাতার নিউমার্কেট এলাকায় হোটেল শিখা-ইনের অগ্নিকাণ্ডে নয়জন পর্যটকের মৃত্যু
- 📌 মৃত নয়জনের মধ্যে সাতজন বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার বাসিন্দা
- 📌 হোটেলমালিক বীরেশ্বর মিত্রকে চার দিনেও ধরতে পারেনি কলকাতা পুলিশ
- 📌 পুলিশের সন্দেহ, মিত্র পূর্ব মেদিনীপুরের পর্যটনকেন্দ্র দিঘা ও মন্দারমণিতে আত্মগোপন করেছেন
- 📌 অগ্নিকাণ্ডের পর কলকাতা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ৫০টির বেশি হোটেলে তল্লাশি চালায়
- 📌 হোটেল বিধি না মানার কারণে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার মীর্জা গালিব স্ট্রিটে অবস্থিত হোটেল শিখা-ইনের তৃতীয় তলায় ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নয়জন পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে সাতজন বাংলাদেশের কুষ্টিয়া, ঢাকা ও অন্যান্য জেলার বাসিন্দা। ঘটনার পর কলকাতা পুলিশের লালবাজার সদর দপ্তর থেকে পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার অংশুমান সাহাকে একটি চিঠি পাঠানো হয়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, দিঘা ও মন্দারমণিসহ পূর্ব মেদিনীপুরের বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রের হোটেলগুলো সরকারি নিয়মাবলি মেনে চলছে কি না, তা তদন্ত করতে।
হোটেল শিখা-ইনের মালিক বীরেশ্বর মিত্র তাঁর নিউ দিঘা ও মন্দারমণিতে থাকা হোটেলে আত্মগোপন করে থাকতে পারেন বলে পুলিশের ধারণা। গতকাল পর্যন্ত অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ছয়জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। হোটেল শিখা-ইনের তৃতীয় তলার ইজারা আবু জাফর নামের এক ব্যবসায়ীর কাছে ছিল। আর পঞ্চম তলার হোটেল ইজারা দিয়েছিলেন উমেশ সিং ও জিতেন সিং নামের দুই ব্যবসায়ীর নামে। ইতিমধ্যে উমেশ ও জিতেনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ।
অগ্নিকাণ্ডের পর কলকাতা পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও কলকাতা পৌর করপোরেশন অন্তত ৫০টি হোটেল ও গেস্টহাউসে পরিদর্শন করেছে। হোটেল বিধি না মানার কারণে এসব হোটেল-গেস্টহাউসকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে ২৪ ঘণ্টার সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। জানানো হয়েছে, উপযুক্ত জবাব না দিলে লাইসেন্স বাতিল করে দেওয়া হবে। তবে খবর পাওয়া যাচ্ছে, দুর্ঘটনাকবলিত হোটেল শিখা-ইনের ফায়ার সার্ভিস বিভাগের ছাড়পত্র ছিল না।
"অগ্নিকাণ্ডের পর কলকাতার নিউমার্কেট এলাকায় গড়ে ওঠা হোটেল, গেস্টহাউসে ফায়ার এক্সটিংগুইশার, এক্সিট পথ ঠিক করার কাজ চলছে। ফায়ার এক্সটিংগুইশার লাগানো হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কলকাতার নিউমার্কেট এলাকা, মীর্জা গালিব স্ট্রিট
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বীরেশ্বর মিত্র (হোটেলমালিক), অংশুমান সাহা (পুলিশ সুপার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ জন নিহত, ৭ জন বাংলাদেশি, ৫০টি হোটেল পরিদর্শন, ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!