📌 কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু হওয়া সাতক্ষীরার ব্যবসায়ী এস এম আলিমুজ্জামান সাজুর মরদেহ নিজ গ্রামে পৌঁছালে তাঁর নতুন বাড়ির সামনেই তাঁকে দাফন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শনিবার বিকেলে জানাজা শেষে তাঁকে দাফন করা হবে বলে জানান তাঁর বড় ভাই সাহেব সরদার
কলকাতার পার্ক সার্কাস এলাকার একটি আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু হওয়া সাতক্ষীরার ব্যবসায়ী এস এম আলিমুজ্জামান সাজুর মরদেহ শনিবার দুপুরে নিজ গ্রাম বরেয়ায় পৌঁছায়। তাঁর নতুন বাড়ির সামনেই তাঁকে দাফন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আসরের নামাজের পর সরদার বাড়ি জামে মসজিদের সামনে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান তাঁর বড় ভাই সাহেব সরদার।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কলকাতার পার্ক সার্কাস এলাকার আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু হন সাতক্ষীরার ব্যবসায়ী এস এম আলিমুজ্জামান সাজু।
- 📌 তাঁর মরদেহ ভোমরা স্থলবন্দর হয়ে নিজ গ্রাম বরেয়ায় পৌঁছায় দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে।
- 📌 নতুন বাড়ির সামনেই তাঁকে দাফন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তাঁর বড় ভাই সাহেব সরদার।
- 📌 আসরের নামাজের পর সরদার বাড়ি জামে মসজিদের সামনে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
- 📌 কলকাতা থেকে ভোমরা স্থলবন্দরের দূরত্ব প্রায় ৪৫ কিলোমিটার।
📰 বিস্তারিত
কলকাতার পার্ক সার্কাস এলাকার একটি আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু হওয়া সাতক্ষীরার ব্যবসায়ী এস এম আলিমুজ্জামান সাজুর মরদেহ শনিবার দুপুরে নিজ গ্রাম বরেয়ায় পৌঁছায়। তাঁর নতুন বাড়ির সামনেই তাঁকে দাফন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তাঁর বড় ভাই সাহেব সরদার। সাজু ছিলেন মৎস্য ঘের ব্যবসায়ী এবং এলাকায় তাঁর পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা ছিল। প্রতিবেশীরা জানান, তিনি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতেন এবং ধর্ম-বর্ণের ভেদাভেদ না করে সবার সঙ্গে ভালো সম্পর্ক ছিল তাঁর।
সাজুর বাড়ির সামনে স্তূপ করে রাখা নতুন ইট দেখে বোঝা যায়, দোতলার ঘর নির্মাণের প্রস্তুতি চলছিল। অথচ সেই ঘরের সামনেই খোঁড়া হয়েছে তাঁর কবর। বাড়ির ফটকে লেখা রয়েছে 'সরদার বাড়ি'। সাজুর ছোটবেলার বন্ধু ভবেশ ঘোষ জানান, 'সাজু আমার ছোটবেলার বন্ধু। আমাদের একসঙ্গে অনেক স্মৃতি আছে। জীবনে এমন বন্ধু আর পাব না। দল, মত, ধর্ম, বর্ণ—কোনো কিছুতেই তাঁর কাছে ভেদাভেদ ছিল না।'
সাজুর প্রতিবেশী ফরহাদ হোসেন বলেন, 'আলিমুজ্জামান সাজুর মৃত্যুতে পুরো গ্রামের মানুষ শোকাহত। তিনি অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়াতেন, খুব ভালো মানুষ ছিলেন। আজ এমন একজন মানুষ আমাদের মাঝ থেকে চলে যাওয়ায় আমরা ভাষা হারিয়ে ফেলেছি।'
"আমি ইন্ডিয়া থেকে আসি, তারপর কাজে হাত দেব।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সাতক্ষীরা জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার তারালী ইউনিয়নের বরেয়া গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এস এম আলিমুজ্জামান সাজু
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: কলকাতা থেকে ভোমরা স্থলবন্দরের দূরত্ব ৪৫ কিলোমিটার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: কলকাতা থেকে মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্স পৌঁছায় দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!