📌 কলকাতার নিউমার্কেট এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত পাঁচ বাংলাদেশির মরদেহ তিনটি অ্যাম্বুলেন্সে করে শনিবার বিকেলে পেট্রাপোল সীমান্তে পৌঁছেছে। দুই দেশের কূটনীতিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিকেল সাড়ে ৫টায় মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে
ভারতের কলকাতায় গত ১৯ আগস্ট ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত পাঁচ বাংলাদেশির মরদেহ শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় তিনটি অ্যাম্বুলেন্সে কলকাতাস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনারের কার্যালয় থেকে পেট্রাপোল সীমান্তে পৌঁছেছে। দুই দেশের কূটনীতিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিকেল সাড়ে ৫টায় বেনাপোল সীমান্তের শূন্যরেখায় স্বজনদের কাছে মরদেহগুলো হস্তান্তর করা হবে বলে বিজিবি ও ইমিগ্রেশন সূত্রে জানা গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নয়জন নিহত হন, যার মধ্যে সাতজন বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন।
- 📌 নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে কুষ্টিয়ার সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত, তাঁর স্ত্রী আফসানা শারমিন, তিন বছরের ছেলে স্বর্ণাশীষ দত্ত, শ্বশুর আকরাম আলী ও সাভারের জোবায়ের বাবু রয়েছেন।
- 📌 পাঁচজন নিহতের মরদেহ বেনাপোল বন্দর দিয়ে দেশে ফিরছে, যার মধ্যে তিনটি অ্যাম্বুলেন্সে করে পেট্রাপোল সীমান্তে পৌঁছেছে।
- 📌 নিহতদের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে এবং দুই দেশের আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহগুলো দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
📰 বিস্তারিত
কলকাতার নিউমার্কেট এলাকায় অবস্থিত মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি আবাসিক হোটেলে গত ১৯ আগস্ট ভোরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এ ঘটনায় নয়জন নিহত হন, যার মধ্যে সাতজন বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন। এর মধ্যে পাঁচজনের মরদেহ তিনটি অ্যাম্বুলেন্সে করে কলকাতাস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনারের কার্যালয় থেকে শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় পেট্রাপোল সীমান্তে পৌঁছেছে। দুই দেশের কূটনীতিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিকেল সাড়ে ৫টায় বেনাপোল সীমান্তের শূন্যরেখায় স্বজনদের কাছে মরদেহগুলো হস্তান্তর করা হবে বলে বিজিবি ও ইমিগ্রেশন সূত্রে জানা গেছে।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন কুষ্টিয়ার সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত, তাঁর স্ত্রী আফসানা শারমিন, তিন বছরের ছেলে স্বর্ণাশীষ দত্ত, শ্বশুর আকরাম আলী ও সাভারের জোবায়ের বাবু। ইতিমধ্যে তাদের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। দুই দেশের প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে মরদেহগুলো দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
আহম্মেদ বাবুর মেজো ভাই মনির হোসেন জানান, সোমবার রাতে ব্যবসায়িক কাজে কলকাতা গিয়েছিলেন আহম্মেদ বাবু। সেখান থেকে পরিবারের সঙ্গেও কথা হয়েছিল। কিন্তু কলকাতার হোটেলে ভয়াবহ আগুন লাগার পর আর তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। বুধবার দুপুরে ভারতীয় হাইকমিশন থেকে মোবাইল ফোনে নিহতের খবর জানানো হয়। পরবর্তীতে ভারতীয় হাইকমিশন থেকে নিহতের ছবি পাঠালে পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে শনাক্ত করা হয়।
কুষ্টিয়ার দেবাশীষের শ্যালক ফিরোজ হাসান কলকাতায় রয়েছেন। এছাড়া কলকাতায় থাকা দেবাশীষের আত্মীয় সঞ্চয় ঘোষ ও ভগ্নিপতির ভাই কাঞ্চন নন্দীও মরদেহ দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করেছেন। তাদের মরদেহ নিতে কুষ্টিয়ার সাংবাদিক ও স্বজনেরা বেনাপোল বন্দরে অপেক্ষা করছেন।
"দেবাশীষ দত্ত ও তার ছেলে স্বর্ণশীষ দত্তের মরদেহ হিন্দু ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী সৎকার করা হবে। তাঁর স্ত্রী আফসানা শারমীন ও শ্বশুর আকরাম আলীর মরদেহ ইসলামিক রীতিতে দাফন করা হবে। নয় বছর আগে আফসানাকে ভালোবেসে বিয়ে করেন দেবাশীষ। ধর্মীয় ভিন্নতায় তাদের সংসার জীবনে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়নি। এই দম্পতির এখন বেঁচে থাকল ৮ বছর বয়সী কন্যা সন্তান।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কলকাতা, নিউমার্কেট এলাকা, মির্জা গালিব স্ট্রিট
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: দেবাশীষ দত্ত, আফসানা শারমিন, স্বর্ণাশীষ দত্ত, আকরাম আলী, জোবায়ের বাবু
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ জন, ৭ জন, ৯ জন, ১৯ আগস্ট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!