📌 চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ কর্ণফুলী নদীর তিন কিলোমিটার তীরে পর্যটন জোন নির্মাণ করবে। প্রকল্পটিতে ওয়াকওয়ে, শিশুদের জন্য বিনোদন কেন্দ্র ও পর্যটক-বান্ধব রেস্তোরাঁ অন্তর্ভুক্ত থাকবে। স্থানীয়রা আশা করছেন, এটি এলাকার সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।
চট্টগ্রাম, ২২ আগস্ট ২০২৬: চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) কর্ণফুলী নদীর তিন কিলোমিটার তীরে একটি পর্যটন জোন নির্মাণের পরিকল্পনা করেছে। ‘কালুরঘাট সেতু থেকে চাকতাই খাল পর্যন্ত কর্ণফুলী নদীর তীরে সড়ক নির্মাণ’ প্রকল্পের অধীনে এই পর্যটন জোন নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়েছেন সিডিএ’র উপ-প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ মো. আবু ঈসা আনছারী।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কর্ণফুলী নদীর তিন কিলোমিটার তীরে পর্যটন জোন নির্মাণ করবে সিডিএ
- 📌 প্রকল্পটির অধীনে ওয়াকওয়ে নির্মাণসহ শিশুদের জন্য বিনোদন কেন্দ্র ও পর্যটক-বান্ধব রেস্তোরাঁ থাকবে
- 📌 পর্যটন কেন্দ্রটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে বলে জানিয়েছেন সিডিএ’র উপ-প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ
- 📌 স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করেন, পর্যটন অঞ্চল নির্মিত হলে এলাকার অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি হবে
📰 বিস্তারিত
সিডিএ’র উপ-প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ মো. আবু ঈসা আনছারী জানান, কর্ণফুলী নদীর তিন কিলোমিটার তীরে পর্যটন জোন নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পটির অধীনে শাহ আমানত সেতু থেকে বলিরহাট পর্যন্ত পাঁচ কিলোমিটার এলাকায় ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হবে। এছাড়া এখানে শিশুদের জন্য বিনোদন সুবিধাসহ পর্যটক-বান্ধব রেস্তোরাঁ নির্মাণ করা হবে। পর্যটন কেন্দ্রটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা জাবেদ আহমেদ বলেন, পর্যটন অঞ্চল নির্মিত হলে এই এলাকার আর্থ-সামাজিক অবস্থার আমূল পরিবর্তন হবে। তিনি জানান, চট্টগ্রাম ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোতে পর্যটকদের আকর্ষণ করার মতো বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যার মধ্যে মনোরম সমুদ্র দৃশ্য, পাহাড়, ম্যানগ্রোভ বন, জলপ্রপাত এবং হ্রদ অন্যতম।
সিডিএ’র সাবেক প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ স্থপতি শাহীনুল ইসলাম খান বলেন, পরিবেশবান্ধব পর্যটন কেন্দ্র স্থাপন করা হলে বন্দর নগরীটি একটি সত্যিকারের পর্যটন কেন্দ্রে রূপান্তরিত হবে। তবে কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই নদী পরিষ্কার রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।
পর্যটন উদ্যোক্তা এবং চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (সিসিসিআই) পরিচালক এ এস এম ইসমাইল খান বলেন, সরকার পর্যটন কেন্দ্রগুলোর উন্নয়নে সক্ষম না হলে, বেসরকারি বা যৌথ উদ্যোগে এসব কেন্দ্রের উন্নয়ন প্রকল্প নেওয়া উচিত।
"পরিবেশবান্ধব পর্যটন কেন্দ্র স্থাপন করা হলে বন্দর নগরীটি একটি সত্যিকারের পর্যটন কেন্দ্রে রূপান্তরিত হবে। তবে কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই নদী পরিষ্কার রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তীর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবু ঈসা আনছারী, জাবেদ আহমেদ, শাহীনুল ইসলাম খান, এ এস এম ইসমাইল খান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: তিন কিলোমিটার, পাঁচ কিলোমিটার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!