📌 ভূমধ্যসাগরে দশ দিন ভাসার পর মিসরের উপকূলে উদ্ধার হয়েছে ২৯ বাংলাদেশি অভিবাসনপ্রত্যাশী। যাত্রাপথে তীব্র গরম, খাদ্য ও পানির অভাবে মারা যান ১০ জন। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে ১৮ জন গুরুতর অসুস্থ
ভূমধ্যসাগরে দশ দিন ভাসার পর মিসরের মারসা মাতরুহ এলাকার উপকূলে উদ্ধার করা হয়েছে ২৯ জন বাংলাদেশি অভিবাসনপ্রত্যাশী। তাঁরা বর্তমানে মিসরের মারসা মাতরুহ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। রোববার মিসরের কায়রোর বাংলাদেশ দূতাবাস সূত্রে এ তথ্য জানানো হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভূমধ্যসাগরে দশ দিন ভাসার পর মিসরের উপকূলে উদ্ধার ২৯ বাংলাদেশি অভিবাসনপ্রত্যাশী
- 📌 উদ্ধারকৃতদের মধ্যে ১৮ জন গুরুতর অসুস্থ ও অচেতন অবস্থায় ছিলেন
- 📌 যাত্রাপথে তীব্র গরম, খাদ্য ও পানির অভাবে মারা যান ১০ জন
- 📌 মৃতদেহগুলো সমুদ্রে ভাসিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটে
📰 বিস্তারিত
মিসরের মারসা মাতরুহ এলাকার উপকূলে অবস্থানরত স্থানীয় পুলিশের সহায়তায় ২৯ জন বাংলাদেশি অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের যাত্রা শুরু হয়েছিল লিবিয়ার তবরুক থেকে। মানব পাচার চক্রের সহায়তায় পরিচালিত এই যাত্রায় অংশ নিয়েছিলেন ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী। যাত্রাপথে নৌকাটি দিকভ্রষ্ট হয়ে প্রায় দশ দিন ভূমধ্যসাগরে ভাসমান অবস্থায় ছিল।
দূতাবাসের প্রথম সচিব (শ্রম) মো. জাকির হোসেন ঘটনাটি জানার পর স্থানীয় পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করছেন। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে আবদুল করিম নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হয়েছে জাকির হোসেনের। আবদুল করিমের ভাষ্যমতে, ৩ আগস্ট তাঁরা লিবিয়ার তবরুক থেকে গ্রিসের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন। যাত্রাকালে নৌকাটিতে কোনো নেভিগেশন ব্যবস্থা ছিল না এবং জ্বালানি ফুরিয়ে যাওয়ায় নৌকাটি দিকভ্রষ্ট হয়ে পড়ে।
ভূমধ্যসাগরে দশ দিন ভাসমান থাকার পর তাঁরা মিসরের মারসা মাতরুহ এলাকার উপকূলে পৌঁছান। এ সময় তীব্র গরম, প্রচণ্ড সূর্যের তাপ, খাদ্য ও পানির অভাবে ৯ জন বাংলাদেশি ও ১ জন সুদানিসহ মোট ১০ জন অসুস্থ হয়ে মারা যান। মৃতদেহগুলোতে পচন ধরে যাওয়ায় জীবিত যাত্রীরা সেগুলো সমুদ্রে ভাসিয়ে দিতে বাধ্য হন।
"ভূমধ্যসাগরে দশ দিন ভাসার পর তাঁরা মিসরের উপকূলে পৌঁছান। তীব্র গরম ও খাদ্যাভাবে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। মৃত্যু ঘটে ১০ জনের।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মারসা মাতরুহ, মিসর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. জাকির হোসেন (প্রথম সচিব, বাংলাদেশ দূতাবাস, মিসর)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯ জন উদ্ধার, ১০ জন মৃত্যু, ১৮ জন গুরুতর অসুস্থ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!