📌 সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ 'মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি' স্বাক্ষর করেছেন, যার অধীনে যেকোনো একটি দেশে হামলা হলে তিন দেশই একসঙ্গে পাল্টা আক্রমণ চালাবে
শুক্রবার (৭ আগস্ট ২০২৬) মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদের পাশে আল-সাফা প্রাসাদে সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ 'মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি' সই করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে সেটিকে সবার ওপর হামলা হিসেবে ধরা হবে
- 📌 চুক্তির লক্ষ্য প্রতিরক্ষাপ্রযুক্তিতে সহযোগিতা বাড়ানো এবং যৌথভাবে সামরিক সরঞ্জাম তৈরি করা
- 📌 এতে যৌথ গবেষণা, প্রযুক্তি আদান-প্রদান, প্রতিরক্ষা ক্রয় এবং ড্রোন, নৌপ্রযুক্তি, আকাশ প্রতিরক্ষা ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধব্যবস্থার মতো আধুনিক খাতে যৌথ উৎপাদন অন্তর্ভুক্ত
- 📌 নিয়মিত গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, যৌথ সামরিক পরিকল্পনা, সেনাসদস্যদের পারস্পরিক বিনিময় এবং স্থল, নৌ ও আকাশ—তিন বাহিনীর যৌথ মহড়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
এই ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে সেটিকে সবার ওপর হামলা হিসেবে ধরা হবে; অর্থাৎ একটি দেশের ওপর আক্রমণ মানে, তিন দেশই একসঙ্গে তার জবাব দেবে।
এই চুক্তি এমন এক সময়ে হয়েছে, যখন পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংকট পরিস্থিতি তীব্র আকার ধারণ করেছে। চুক্তির আরেকটি বড় লক্ষ্য হলো প্রতিরক্ষাপ্রযুক্তিতে সহযোগিতা বাড়ানো এবং যৌথভাবে সামরিক সরঞ্জাম তৈরি করা।
৬ আগস্ট ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠীর চালানো সীমান্তপারের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলে অন্তত ৫৮ জন ইয়েমেনি সরকারি সেনা নিহত এবং ১১ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হন বলে জানা যায়।
"এই চুক্তি পুরোপুরি প্রতিরক্ষামূলক, কোনো নির্দিষ্ট দেশকে লক্ষ্য করে নয় এবং এটি অন্য কোনো বিদ্যমান চুক্তিকে বাতিল করে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদের পাশে আল-সাফা প্রাসাদ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ বিন সালমান, রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান, শাহবাজ শরিফ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৮ জন নিহত, ১১ জন আহত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!