📌 বগুড়ার শেরপুরে নিখোঁজ হওয়া অটোরিকশাচালক আসাদুলের (২৮) লাশ করতোয়া নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের ধারণা, গলা কেটে হত্যার পর লাশ নদীতে ফেলে রাখা হয়েছিল। নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে তার স্বজনদের মাধ্যমে
বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় নিখোঁজ হওয়া অটোরিকশাচালক আসাদুলের (২৮) লাশ করতোয়া নদীর পূর্ব পাড় থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের ধারণা, গলা কেটে হত্যার পর লাশটি নদীতে ফেলে রাখা হয়েছিল। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ঘটনাস্থলে লাশটি উদ্ধার করা হয় এবং পরে স্বজনদের মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৮ বছর বয়সী আসাদুলের লাশ করতোয়া নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে, গলা কেটে হত্যার সন্দেহে পুলিশ তদন্ত করছে
- 📌 গত শনিবার বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন আসাদুল, পরিবার বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করলেও সফল হননি
- 📌 রায়পুর এলাকায় তাঁর অটোরিকশা পাওয়া যায়, কিন্তু ব্যাটারি ছাড়া — যা পরিবারের উদ্বেগ বাড়ায়
- 📌 কৃষ্ণপুর নামাপাড়া এলাকায় কিশোররা লাশটি দেখতে পায় এবং স্থানীয় লোকজনকে খবর দেয়
- 📌 শেরপুর থানার উপপরিদর্শক এসআই জাহিদুল ইসলাম বলেছেন, হত্যাকাণ্ডের সন্দেহে তদন্ত চলছে
- 📌 পুলিশ পরিদর্শক জয়নুল আবেদিন জানান, হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে
📰 বিস্তারিত
আসাদুল গাড়িদহ ইউনিয়নের কাফুরা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। লাশটি অর্ধগলিত ও চেহারা বিকৃত হয়ে যাওয়ায় প্রথমে তাঁর পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরে স্বজনদের মাধ্যমে তাঁর পরিচয় নিশ্চিত হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত শনিবার দুপুরে আসাদুল ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করলেও তাঁর সন্ধান পাননি। পরদিন রোববার তাঁর মা শেরপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। সেদিনই সদর উপজেলার রায়পুর এলাকায় তাঁর অটোরিকশাটি পাওয়া যায়, তবে ব্যাটারি ছিল না। এতে পরিবারের সদস্যদের উদ্বেগ আরও বেড়ে যায়। আজ দুপুরে কয়েকজন কিশোর করতোয়া নদীর পাড়ে খেলতে গিয়ে লাশটি দেখতে পায়। খবর পেয়ে শেরপুর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে আসাদুলের স্বজনেরা ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি শনাক্ত করেন।
শেরপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহিদুল ইসলাম বলেছেন, আসাদুলকে হত্যার পর তাঁর লাশ নদীতে ফেলে রাখা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, হত্যাকাণ্ডের সন্দেহে তদন্ত চলছে। পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জয়নুল আবেদিন জানান, হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।
"আসাদুলকে হত্যার পর তাঁর লাশ নদীতে ফেলে রাখা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শেরপুর উপজেলা, বগুড়া; করতোয়া নদীর পূর্ব পাড়, কৃষ্ণপুর নামাপাড়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আসাদুল (২৮), শেরপুর থানার উপপরিদর্শক এসআই জাহিদুল ইসলাম, পুলিশ পরিদর্শক জয়নুল আবেদিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ বছর বয়স
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!