📌 বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আইজিপির সাম্প্রতিক বক্তব্যকে সস্তা বাহবা নেওয়ার চেষ্টা হিসেবে সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, পুলিশ বাহিনীতে সৎ কর্মকর্তাদের কাজে লাগাতে হবে এবং তাদের নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে দিতে হবে
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আইজিপির সাম্প্রতিক বক্তব্যকে দেশের ক্ষতি করার চেষ্টা হিসেবে সমালোচনা করেছেন। তিনি মন্তব্য করেছেন যে, পুলিশ বাহিনীতে অনেক সৎ ও দক্ষ কর্মকর্তা রয়েছে যাদেরকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে দিলে সমাজে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রিজভী বলেছেন, আইজিপির বক্তব্য সস্তা বাহবা নেওয়ার চেষ্টা এবং তা দেশের ক্ষতি করবে
- 📌 পুলিশ বাহিনীতে সৎ ও দক্ষ কর্মকর্তাদের কাজে লাগাতে হবে, তাদেরকে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে দিতে হবে
- 📌 তারেক রহমানের ‘মানবিক বাংলাদেশ’ গড়ার পরিকল্পনা তুলে ধরে রিজভী বলেছেন, প্রান্তিক কৃষক ও দরিদ্রদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের মতো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে
- 📌 বিএনপি বহুদলীয় গণতন্ত্র ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে, জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই অতীতের রাজনৈতিক দলগুলো আবার রাজনীতি করতে শুরু করেছিল
- 📌 যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ঢাকার নয়াপল্টনে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রিজভী এসব কথা বলেন। তিনি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও পুলিশপ্রধানের সাম্প্রতিক বক্তব্য নিয়ে বলেন, পুলিশ বাহিনীর প্রধান যদি সরকারের পক্ষে সব কথা বলে তাহলে তা সরকারকে স্বস্তি দেওয়ার পরিবর্তে ভীতিকর পরিস্থিতিতে ফেলতে পারে।
রিজভী বলেন, পুলিশ বাহিনীতে অনেক সৎ ও দক্ষ কর্মকর্তা রয়েছেন। তাদেরকে কাজে লাগাতে হবে। নিরপেক্ষ ও স্বাধীনভাবে আইন প্রয়োগ করতে পারলে সমাজে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। কিন্তু সস্তা কৃতিত্ব বা বাহবা নেওয়ার জন্য দায়িত্বশীল অবস্থান থেকে এ ধরনের বক্তব্য দিলে তা দেশের ক্ষতি করবে এবং সরকারকেও বিব্রত করবে।
তিনি তারেক রহমানের বিভিন্ন সামাজিক ও উন্নয়নমূলক পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে বলেন, তরুণদের দক্ষ ও স্বাবলম্বী করে দেশের উৎপাদন ও উন্নয়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত করাই বিএনপির মূল লক্ষ্য। জাতি পুনর্গঠনে তরুণদের বিশৃঙ্খলার অংশ নয়, বরং উন্নয়নের প্রধান অংশীদার হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। তারেক রহমানের ‘মানবিক বাংলাদেশ’ গড়ার রূপকল্প তুলে ধরে রিজভী বলেন, প্রান্তিক কৃষক ও দরিদ্র মানুষের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের মতো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অর্থনীতিবিদদের গবেষণায়ও এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশে দারিদ্র্যের হার দ্রুত কমিয়ে আনার সম্ভাবনার কথা উঠে এসেছে।
পাশাপাশি পরিবেশ সুরক্ষায় কোটি কোটি গাছ ও তালগাছ লাগানোর মতো দূরদর্শী পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে রিজভী বলেন, বিএনপি বহুদলীয় গণতন্ত্র, মুক্তচিন্তা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই অতীতে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল আবার রাজনীতি করার সুযোগ পেয়েছিল এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরে এসেছিল।
যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচির প্রশংসা করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, সংগঠনটির নেতাকর্মীরা রক্তদান, মানবিক সেবা, বৃক্ষরোপণ ও উৎপাদনমুখী নানা কর্মসূচির মাধ্যমে দেশে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করবেন।
"পুলিশ বাহিনীতে অনেক সৎ ও দক্ষ কর্মকর্তা রয়েছেন। তাদের কাজে লাগাতে হবে। নিরপেক্ষ ও স্বাধীনভাবে আইন প্রয়োগ করতে পারলে সমাজে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। কিন্তু সস্তা কৃতিত্ব বা বাহবা নেওয়ার জন্য দায়িত্বশীল অবস্থান থেকে এ ধরনের বক্তব্য দিলে তা দেশের ক্ষতি করবে এবং সরকারকেও বিব্রত করবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, নয়াপল্টন (বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রুহুল কবির রিজভী (বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭ অক্টোবর (মঙ্গলবার), ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!