📅 ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৪৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কর্ণাটকের ভোটার তালিকা সংশোধনে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীর সন্ধান না পেলে বিজেপির কী অবস্থা?

কর্ণাটকের ভোটার তালিকা সংশোধনে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীর সন্ধান না পেলে বিজেপির কী অবস্থা?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কর্ণাটকের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশে ১ কোটি ভোটার বাদ পড়লেও এসআইআর প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। নির্বাচন কমিশন নীরব থাকায় বিরোধী দলগুলো ‘ঘুসপেটিয়া’ তত্ত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলছে

কর্ণাটকের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন কর্মকর্তা (সিইও) ভি আনবুকুমার জানিয়েছেন, এসআইআর প্রক্রিয়ায় বাদ পড়া ১ কোটি ভোটারের মধ্যে একজনও বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী খুঁজে পাওয়া যায়নি। এই তথ্য প্রকাশের পর ভারতের বিরোধী দলগুলো ‘ঘুসপেটিয়া’ তত্ত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 কর্ণাটকের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশে ১ কোটি ভোটারের নাম বাদ পড়লেও এসআইআর প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
  • 📌 সিইও ভি আনবুকুমার জানান, বাদ পড়া ১ কোটি ভোটারের মধ্যে ‘বিদেশির’ সংখ্যা ১ হাজারেরও কম। অধিকাংশই নেপালি ও অন্যান্য দেশের নাগরিক।
  • 📌 নির্বাচন কমিশন আজও জানাতে পারেনি ২৪টি রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়ায় কতজন বাংলাদেশিকে শনাক্ত করা হয়েছে।
  • 📌 বিজেপি ‘ঘুসপেটিয়া’ তত্ত্ব ব্যবহার করে বিরোধীদের আন্দোলনকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে।
  • 📌 কর্ণাটকে ভোটার সংখ্যা ১৭.৯২ শতাংশ কমে ৪ কোটি ৫৫ লাখে নেমেছে, যা দেশে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।

📰 বিস্তারিত

দক্ষিণ ভারতের কর্ণাটকের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন কর্মকর্তা (সিইও) ভি আনবুকুমারকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, বাদ পড়া ১ কোটি ভোটারের মধ্যে কতজন ‘বিদেশি’ বা অনুপ্রবেশকারী। তিনি জানান, সংখ্যাটা ১ হাজারেরও কম। এসআইআর প্রক্রিয়ায় শনাক্ত হওয়া বিদেশিদের মধ্যে অধিকাংশই নেপালি। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, নরওয়ে ও অন্যান্য দেশের কিছু নাগরিকও তালিকায় রয়েছেন, যাঁরা মূলত ভারতীয় নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন। তবে কোনো বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীর নাম তালিকায় নেই।

বিরোধী দলগুলো বারবার প্রশ্ন তুলেছে, ২৪টি রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়ায় কতজন বাংলাদেশিকে শনাক্ত করা হয়েছে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন আজও এই তথ্য দাখিল করেনি। বিজেপি, যারা ‘ঘুসপেটিয়া’ তত্ত্ব নিয়ে সবচেয়ে বেশি জোর দিচ্ছে, তারাও এখনো জানাতে পারেনি কতজন বাংলাদেশিকে শনাক্ত করা হয়েছে। বিশেষত সীমান্তবর্তী রাজ্য বিহার, আসাম, ঝাড়খন্ড ও পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর সম্পন্ন হয়েছে, যেখানে বিজেপির রাজনীতি ‘অনুপ্রবেশ নির্ভর’।

বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’ ও জেন-জি আন্দোলনকারীরা মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফা ও এসআইআর প্রক্রিয়া বাতিলের দাবি জানাচ্ছেন। কিন্তু বিজেপি তাদের সমালোচনা থেকে নিজেদের রক্ষা করার জন্য ‘ঘুসপেটিয়া’ তত্ত্ব ব্যবহার করছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও বলেছেন, কংগ্রেস ও তার সহযোগীরা এসআইআরের বিরোধিতা করছে কারণ তারা অনুপ্রবেশকারীদের নাম ভোটার তালিকায় রাখতে চায়।

কর্ণাটকের এসআইআর প্রক্রিয়ায় অভিযোগ উঠেছে যে, বিজেপি সহযোগিতায় সন্দেহভাজন ভোটারদের নাম বাদ দিতে হাজার হাজার ‘ফর্ম ৭’ ছাপিয়ে বিলি করা হয়েছে। বিশেষত সংখ্যালঘু ও বিজেপিবিরোধী ভোটারদের নাম কাটা হয়েছে। এসআইআর আগে রাজ্যের ভোটারের সংখ্যা ছিল ৫ কোটি ৫৪ লাখ ৩২ হাজার ৩১৪ জন, যা সংশোধনের পর কমে ৪ কোটি ৫৫ লাখে নেমেছে। অর্থাৎ ১৭.৯২ শতাংশ ভোটার বাদ পড়েছে, যা দেশে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।

"দেশবাসী ওদের এই উদ্দেশ্য বুঝে গেছে। তাই তাঁরা আর বিভ্রান্ত হবে না।"

— কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, কর্ণাটকের এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে সভায়

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কর্ণাটক, ভারত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সিইও ভি আনবুকুমার, জ্ঞানেশ কুমার, অমিত শাহ, রাহুল গান্ধী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ কোটি (বাদ পড়া ভোটার), ১ হাজার (বিদেশির সংখ্যা), ৫ কোটি ৫৪ লাখ (আগের ভোটার সংখ্যা), ৪ কোটি ৫৫ লাখ (বর্তমান ভোটার সংখ্যা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖