📌 ইসরায়েলের নির্বাচনে মধ্যপন্থী জোটের নেতা গাদি আইজেনকোটের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা উঠেছে। কিন্তু ফিলিস্তিনের জন্য তার নীতির কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
ইসরায়েলের সাম্প্রতিক সাধারণ নির্বাচনে মধ্যপন্থী ‘পরিবর্তন জোট’ নেতা গাদি আইজেনকোটের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা উঠেছে। তবে ফিলিস্তিনের জন্য তার নেতৃত্বে কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ইসরায়েলি টেলিভিশন চ্যানেল ১২-এর এক্সিট পোল অনুযায়ী, আইজেনকোটের জোট ১২০ আসনবিশিষ্ট কনেসেটে ৫২টি আসনে জয় পেতে পারে। অন্যদিকে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ডানপন্থী জোট ৫০টি আসন এবং আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলো ১৮টি আসন পেতে পারে। তবে এই ফলাফল প্রাথমিক এবং সম্পূর্ণ গণনা শেষ হওয়ার আগে পর্যন্ত কোনো নিশ্চিততা নেই।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইসরায়েলের নির্বাচনে গাদি আইজেনকোটের মধ্যপন্থী জোট ৫২টি আসনে জয় পেতে পারে, নেতানিয়াহুর জোট ৫০টি আসন পায়
- 📌 আইজেনকোটের ‘পরিবর্তন জোট’ গাজা, পশ্চিম তীর ও দ্বিরাষ্ট্র সমাধান বিষয়ে নেতানিয়াহুর নীতির থেকে আলাদা নয়
- 📌 ২৬ সেপ্টেম্বর আইজেনকোটের জোটের সরকার গঠনের অগ্রাধিকার হিসেবে ২০২৩ সালের হামাস হামলা তদন্তের কমিশন গঠন উল্লেখ করা হয়েছিল
- 📌 গাজা উপত্যকা ও ‘ই-ওয়ান সেটেলমেন্ট’ বিষয়ে জোটের কোনো স্পষ্ট নীতিই উল্লেখ করা হয়নি
- 📌 ওয়াশিংটনের অনেকেই নেতানিয়াহুর পরিবর্তে আইজেনকোটের জোটের আশা করছে, কিন্তু ফিলিস্তিনের জন্য কোনো সুবিধা আসবে না বলে মনে করা হচ্ছে
📰 বিস্তারিত
২০০৬ সালে লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধে ‘দাহিয়াহ ডকট্রিন’ নামে একটি আক্রমণাত্মক কৌশল বাস্তবায়ন করা হয়েছিল। এই নীতির প্রবক্তা ছিলেন গাদি আইজেনকোট, যিনি তখন সামরিক বাহিনীর অপারেশন্স ডিরেক্টরেটের প্রধান ছিলেন। এখন তিনি ইসরায়েলের নির্বাচনে মধ্যপন্থী জোটের নেতা হিসেবে দাঁড়িয়েছেন। যদি তিনি প্রধানমন্ত্রী হন, তবে ইসরায়েলের নীতিতে কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
২৬ সেপ্টেম্বর আইজেনকোটের জোটের নেতারা একটি নথিতে সরকার গঠনের অগ্রাধিকার হিসেবে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামাসের হামলা তদন্তের কমিশন গঠন উল্লেখ করেছিলেন। তবে গাজা উপত্যকা, পশ্চিম তীর বা দ্বিরাষ্ট্র সমাধান বিষয়ে কোনো উল্লেখ ছিল না। এমনকি বিতর্কিত ‘ই-ওয়ান সেটেলমেন্ট’ বিষয়েও কোনো কথা ছিল না, যা চালু হলে ফিলিস্তিনিদের যাতায়াত আরও কঠিন হয়ে পড়বে।
ওয়াশিংটনের অনেকেই নেতানিয়াহুর পরিবর্তে আইজেনকোটের জোটের আশা করছে। কিন্তু ইসরায়েলের রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আইজেনকোটের জোটও ফিলিস্তিনের জন্য কোনো সুবিধাজনক পরিবর্তন আনবে না। কারণ অধিকাংশ ইস্যুতে নেতানিয়াহু এবং তার রাজনৈতিক বিরোধীরা একই অবস্থানে রয়েছেন।
"কোনটি বাস্তবে প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব অপরাধ আর ইসরায়েলি রাজনীতির নগ্ন বাস্তবতা—এই দুটির মধ্যে পার্থক্য করা তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে।"
ইসরায়েলের সাধারণ মানুষের মতে, নেতানিয়াহুর ব্যক্তিগত স্বার্থে প্রায় দুই দশক ধরে রাজনৈতিক সংকট চলছে। কিন্তু আইজেনকোটের জোটের সরকার গঠিত হলে কি এই অবস্থা পরিবর্তন হবে, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইসরায়েল, ওয়াশিংটন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গাদি আইজেনকোট, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫২টি আসন (আইজেনকোটের জোট), ৫০টি আসন (নেতানিয়াহুর জোট), ১৮টি আসন (আরব নেতৃত্বাধীন দল), ১২০টি আসন (কনেসেট)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!