📅 ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৪:১৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বাংলাদেশ টেককানেক্ট ২০২৬: ডিজিটাল ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে অর্থনীতিতে ১০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য

বাংলাদেশ টেককানেক্ট ২০২৬: ডিজিটাল ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে অর্থনীতিতে ১০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ডিজিটাল ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভূমিকা নিয়ে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয় ‘বাংলাদেশ টেককানেক্ট ২০২৬’। প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম ঘোষণা করেন, আগামী পাঁচ বছরে ডিজিটাল খাতে ১০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য রেখেছে সরকার

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ডিজিটাল সংযোগ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভূমিকা নিয়ে ঢাকায় ‘বাংলাদেশ টেককানেক্ট ২০২৬’ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই জাতীয় পর্যায়ের প্ল্যাটফর্মে সরকার, শিল্পখাত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিরা একত্রিত হন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ প্রতিপাদ্যে ডিজিটাল অবকাঠামো ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে ১০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।
  • 📌 ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব ড. মো. কামরুজ্জামান বলেন, ডিজিটাল অবকাঠামো এখন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল ভিত্তি।
  • 📌 তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা ঘোষণা করেন, জাতীয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে, যা আগামী তিন-চার মাসে শেষ হবে।
  • 📌 হুয়াওয়ে দক্ষিণ এশিয়ার প্রেসিডেন্ট জেসন উ’র কথায়, সংযোগব্যবস্থা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি দিয়ে বাংলাদেশের ডিজিটাল প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখতে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
  • 📌 অনুষ্ঠানে ‘ভবিষ্যত প্রযুক্তি ও কানেক্টিভিটি’, ‘শিল্পখাতে দক্ষতা বৃদ্ধি’ ও ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বৈশ্বিক প্রভাব’ বিষয়ে আলোচনা হয়।

📰 বিস্তারিত

‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ প্রতিপাদ্যে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ডিজিটাল ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভূমিকা নিয়ে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয় ‘বাংলাদেশ টেককানেক্ট ২০২৬’। এই সম্মেলনটি বাংলাদেশ সরকারের ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ এবং হুয়াওয়ের যৌথ আয়োজন। অনুষ্ঠানে অংশ নেন নীতিনির্ধারক, নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রতিনিধি, শিল্পখাতের শীর্ষ কর্মকর্তা, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ ও উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিসহ পাঁচ শতাধিক ব্যক্তি।

উদ্বোধনী বক্তব্যে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ প্রতিপাদ্যে আমরা একটি সমৃদ্ধ ও জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তুলতে কাজ করছি। তিনি ঘোষণা করেন, নির্ভরযোগ্য ডিজিটাল অবকাঠামো তৈরি, বাংলাদেশকে তথ্যপ্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা এবং আগামী পাঁচ বছরে ডিজিটাল খাতে ১০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব ড. মো. কামরুজ্জামান বলেন, ‘বাংলাদেশ টেককানেক্ট’ এখন জাতীয় পর্যায়ের প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, সরকার, শিল্পখাত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা একত্রিত হয়ে ডিজিটাল অগ্রযাত্রাকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে কাজ করছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ডিজিটাল অবকাঠামো এখন আর বিলাসিতা নয়, বরং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল ভিত্তি।

তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা বলেন, বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরকে ত্বরান্বিত করতে সরকার পাঁচটি কৌশলগত অগ্রাধিকার নির্ধারণ করেছে। এগুলো হলো শক্তিশালী আইনি ও নীতিগত কাঠামো, নির্ভরযোগ্য সংযোগব্যবস্থা, ডিজিটাল পাবলিক অবকাঠামো, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সাইবার নিরাপত্তা এবং দেশীয় উৎপাদন। তিনি জানান, জাতীয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে, যা আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে সম্পন্ন করার আশা করা হচ্ছে।

হুয়াওয়ে দক্ষিণ এশিয়ার প্রেসিডেন্ট জেসন উ বলেন, বাংলাদেশের ডিজিটাল অবকাঠামোর উন্নয়নে হুয়াওয়ে সরকার ও শিল্পখাতের অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বলেন, সংযোগব্যবস্থা, ক্লাউড এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রযুক্তি দিয়ে স্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর দক্ষতা বাড়াতে এবং নতুন সেবা উদ্ভাবনে অবদান রাখতে প্রতিষ্ঠানটি কাজ করবে।

অনুষ্ঠানে ‘ভবিষ্যত প্রযুক্তি ও কানেক্টিভিটি’, ‘শিল্পখাতে দক্ষতা বৃদ্ধিতে প্রযুক্তির ভূমিকা’ এবং ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: বৈশ্বিক প্রবণতা ও বাংলাদেশের প্রস্তুতি’ বিষয়ে আলোচনা হয়। আলোচনায় অংশ নেন টেলিযোগাযোগ, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি এবং প্রযুক্তিশিল্পের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

"বাংলাদেশ ফার্স্ট প্রতিপাদ্যে আমরা একটি সমৃদ্ধ ও জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তুলতে কাজ করছি। আগামী পাঁচ বছরে ডিজিটাল খাতে ১০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফকির মাহবুব আনাম, ড. মো. কামরুজ্জামান, মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা, জেসন উ’
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ লাখ (কর্মসংস্থান)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖