📌 জাপানের হেইয়ান যুগের ক্ল্যাসিক উপন্যাস 'দ্য টেল অব গেঞ্জি' লেখক মুরাসাকি শিকিবুর জীবন ও সৃষ্টিকর্মের গভীরে নজর দিয়েছেন প্রথম আলো। ১১শ শতাব্দীতে রচিত এই বিশ্বের প্রথম মনোবিশ্লেষণমূলক উপন্যাসের পটভূমি, লেখকদের জীবন এবং জাপানের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সাথে যুক্ত উজি নদী ও মিউজিয়ামের সৌন্দর্য বর্ণিত হয়েছে
জাপানের কিয়োটো শহর থেকে শুরু করে উজি স্টেশনের কাছে অবস্থিত ‘দ্য টেল অব গেঞ্জি’ মিউজিয়ামে পৌঁছানোর পথে লেখক মুরাসাকি শিকিবুর সৃষ্টির গভীরে নিমজ্জিত হয়ে পড়া যায়। বিশ্বের প্রথম মনোবিশ্লেষণমূলক উপন্যাস ‘দ্য টেল অব গেঞ্জি’র সৃষ্টিকর্তা মুরাসাকি শিকিবু (৯৭৮-১০১৬) জাপানের হেইয়ান যুগে (৯ম থেকে ১২শ শতাব্দী) জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন জাপানের অভিজাত পরিবারের কন্যা, যিনি নিজস্ব অক্ষরমালা ‘হিরাগানা’ ব্যবহার করে একটি মহাকাব্য রচনা করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জাপানের হেইয়ান যুগের ক্ল্যাসিক ‘দ্য টেল অব গেঞ্জি’ লেখক মুরাসাকি শিকিবু (৯৭৮-১০১৬) ছিলেন জাপানের প্রথম নারী সাহিত্যিক যিনি নিজস্ব অক্ষরমালা ‘হিরাগানা’ ব্যবহার করে একটি উপন্যাস রচনা করেন।
- 📌 ১০০৪ সালের পূর্ণিমার রাতে ইশিয়ামা শহরে তিনি ‘দ্য টেল অব গেঞ্জি’র রচনা শুরু করেন, যা বিশ্বের প্রথম মনোবিশ্লেষণমূলক উপন্যাস হিসেবে পরিচিত।
- 📌 উপন্যাসের শেষাংশে রাজকুমারী ইউকিফুনে প্রেমের টানাপোড়েনে উজি নদীতে আত্মহত্যা করেন, যা উপন্যাসের একটি প্রধান ঘটনা।
- 📌 ‘দ্য টেল অব গেঞ্জি’ মিউজিয়ামে ‘স্প্রিং রুম’ নামক কক্ষটি উপন্যাসের চরিত্র গেঞ্জির প্রাসাদ রোকুজো ইন ভিলার আদলে নির্মিত, যেখানে জাপানের চারটি ঋতুর সৌন্দর্য প্রদর্শিত হয়।
- 📌 মুরাসাকি শিকিবু ২২ বছর বয়সে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এবং এক কন্যাসন্তান লাভ করেন, কিন্তু কিছুকাল পর স্বামী হারান। ধারণা করা হয়, ব্যক্তিগত দুঃখ ভুলে উপন্যাসটি রচনা করেন তিনি।
📰 বিস্তারিত
উজি স্টেশনের কাছাকাছি অবস্থিত ‘দ্য সিটি অব টেল অব গেঞ্জি’ নামক স্থানটি জাপানের সাহিত্যের একটি ঐতিহাসিক স্মৃতিসৌধ। মুরাসাকি শিকিবু জাপানের রাজধানী কিয়োটোর অভিজাত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তখনকার সমাজে চায়নিজ অক্ষর ‘কাঞ্জি’তে লেখা সাহিত্যকে বেশি গৌরবের কাজ হিসেবে বিবেচনা করা হতো, কিন্তু তিনি নিজস্ব অক্ষরমালা ‘হিরাগানা’ ব্যবহার করে এই মহাকাব্য রচনা করেন।
‘দ্য টেল অব গেঞ্জি’র রচনা শুরু হয় ১০০৪ সালের পূর্ণিমার রাতে। এই উপন্যাসের বর্ণনা ১০০০ পৃষ্ঠারও বেশি এবং ৫৪টি অধ্যায়ে বিভক্ত। উপন্যাসের গল্পে উজি নদী একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শেষে রাজকুমারী ইউকিফুনে প্রেমের টানাপোড়েনে উজি নদীতে আত্মহত্যা করেন।
মিউজিয়ামে ‘স্প্রিং রুম’ নামক কক্ষটি উপন্যাসের চরিত্র গেঞ্জির প্রাসাদ রোকুজো ইন ভিলার আদলে নির্মিত। এই কক্ষের দেয়ালে চেরিফুল, ম্যাপলপাতা, গোলাপি আভাময় চেরি এবং আগুন ধরে যাওয়া দৃশ্য প্রদর্শিত হয়। জাপানের ঐতিহ্যবাহী সংগীতের সুরও এই কক্ষকে আরো আকর্ষণীয় করে তোলে।
"‘দ্য টেল অব গেঞ্জি’ পৃথিবীর প্রথম মনোবিশ্লেষণমূলক উপন্যাস হিসেবে পরিচিত।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: উজি স্টেশন, কিয়োটো, জাপান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মুরাসাকি শিকিবু
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০৪ (রচনা শুরু), ৫৪ (অধ্যায়), ১০০০+ (পৃষ্ঠা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!