📌 ফ্রান্সে বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়েছে, যেখানে প্রায় ৭ লাখেরও বেশি মানুষ অংশ নিতে পারে। বেতন বৃদ্ধি ও ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধির দাবিতে বিক্ষোভে শ্রমিক, কর্মচারী, শিক্ষার্থী ও ইয়েলো ভেস্ট আন্দোলনের কর্মীরা অংশ নেবেন। পুলিশ ও জেন্ডারমের মোতায়েন করা হয়েছে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে
ফ্রান্সের বিভিন্ন শহরে আজ বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়েছে, যেখানে প্রায় ৭ লাখেরও বেশি মানুষ অংশ নিতে পারে। বেতন বৃদ্ধি ও ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধির দাবিতে এই বিক্ষোভে শ্রমিক, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তি, ইয়েলো ভেস্ট আন্দোলনের কর্মী এবং মাধ্যমিক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশ নেবেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভে অংশ নিতে পারেন ৫ লাখ থেকে ৭ লাখেরও বেশি মানুষ, প্যারিসে ৪০ হাজার থেকে ৮০ হাজার অংশগ্রহণকারীর আশঙ্কা
- 📌 নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৭০ হাজার পুলিশ ও জেন্ডারম মোতায়েন করা হয়েছে, যার মধ্যে ২৬টি সাঁজোয়া যান, ১৫টি জলকামান, হেলিকপ্টার ও ড্রোন অন্তর্ভুক্ত
- 📌 বিক্ষোভের রুট নিয়ে বিরোধের কারণে পুলিশের প্রস্তাবিত পথে বিক্ষোভ অনুমোদিত হয়েছে, যেখানে বিক্ষোভকারীরা প্লাস দ্য লা রিপাবলিক থেকে প্লাস দ্য লা নাসিওঁ পর্যন্ত মিছিল করবেন
- 📌 ধর্মঘটের কারণে পরিবহণব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটতে পারে, আঞ্চলিক ট্রেন চলাচলে মাঝারি থেকে তীব্র মাত্রার বিঘ্নের আশঙ্কা রয়েছে
📰 বিস্তারিত
ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনেজ জানিয়েছেন, বিক্ষোভের সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গত ৩১ অক্টোবরের বিক্ষোভের মতোই রাখা হবে। তিনি বলেছেন, নিরাপত্তার দায়িত্বে পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট বিআরআই, রেইড এবং জিআইজিএন-এর সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করবেন। নুনেজের মতে, বিক্ষোভকারীদের জন্য যতটা সম্ভব নিরাপদ চলাচলের পথ নিশ্চিত করা হবে এবং শহরের কেন্দ্রস্থলসহ স্পর্শকাতর এলাকাগুলো এড়িয়ে চলার ব্যবস্থা করা হবে।
বিক্ষোভের রুট নিয়ে বিরোধের কারণে পুলিশের প্রস্তাবিত পথে বিক্ষোভ অনুমোদিত হয়েছে। আয়োজকরা পুলিশের প্রস্তাবিত বিক্ষোভের রুটের বিরুদ্ধে আপত্তি জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। তবে প্রশাসনিক আদালত পুলিশের দেওয়া রুট বহাল রেখেছেন। পুলিশের নির্ধারিত পথ অনুযায়ী, বিক্ষোভকারীরা প্লাস দ্য লা রিপাবলিক থেকে প্লাস দ্য লা নাসিওঁ পর্যন্ত মিছিল করবেন। শিক্ষার্থী ও শ্রমিক ইউনিয়নগুলো আগে প্লাস দ্য লা বাস্তিল থেকে জাতীয় পরিষদের কাছাকাছি প্লাস দ্য লা কনকর্ড পর্যন্ত মিছিল করার প্রস্তাব দিয়েছিল, কিন্তু পুলিশ ওই রুটে অনুমতি দেয়নি।
ফ্রান্সের জাতীয় রেল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান এসএনসিএফ জানিয়েছে, ধর্মঘটের কারণে পরিবহণব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটতে পারে। আঞ্চলিক ট্রেন চলাচলে মাঝারি থেকে তীব্র মাত্রার বিঘ্নের আশঙ্কা রয়েছে। প্যারিসের আশপাশের শহরতলির রেললাইনে ট্রেন চলাচল ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে দূরপাল্লার ট্রেন চলাচলে তুলনামূলক কম প্রভাব পড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। উচ্চগতির টিজিভি ট্রেনের প্রতি ১০টির মধ্যে একটি বাতিল করা হতে পারে বলে জানিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ।
"বিক্ষোভকারীদের জন্য যতটা সম্ভব নিরাপদ চলাচলের পথ নিশ্চিত করাই এ নিরাপত্তাব্যবস্থার মূল লক্ষ্য। একই সঙ্গে শহরের কেন্দ্রস্থলসহ স্পর্শকাতর এলাকাগুলো এড়িয়ে চলার ব্যবস্থা করা হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফ্রান্স (প্যারিস, অন্যান্য শহর)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনেজ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ লাখেরও বেশি (বিক্ষোভকারী), ৭০ হাজার (পুলিশ ও জেন্ডারম), ২৬টি (সাঁজোয়া যান), ১৫টি (জলকামান)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!