📌 দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের আত্মসমর্পণের ৮১তম বার্ষিকীতে ইয়াসুকুনি মন্দির পরিদর্শন করেননি প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি। প্রতিরক্ষামন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমির মন্দির পরিদর্শনকে কেন্দ্র করে চীন ও দক্ষিণ কোরিয়া ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের আত্মসমর্পণের ৮১তম বার্ষিকী উপলক্ষে বিতর্কিত ইয়াসুকুনি মন্দির পরিদর্শন করেননি দেশটির প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি। তবে প্রতিরক্ষামন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমি মন্দিরে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানানোর পর চীন ও দক্ষিণ কোরিয়া তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের আত্মসমর্পণের ৮১তম বার্ষিকী পালিত হয় ১৬ আগস্ট
- 📌 ইয়াসুকুনি মন্দিরে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত প্রায় ২৪ লাখ জাপানিকে শ্রদ্ধা জানানো হয়, যাদের মধ্যে ১৪ জন যুদ্ধাপরাধীও রয়েছেন
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি মন্দির পরিদর্শন করেননি, অন্যদিকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী কোইজুমি শ্রদ্ধাঞ্জলি রাখেন
- 📌 চীন অভিযোগ করেছে, প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মন্দির পরিদর্শন যুদ্ধাপরাধীদের দায় পুনর্বিবেচনার উদ্দেশ্যে
- 📌 দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে ইতিহাসের প্রতি সম্মান দেখানোর আহ্বান জানান
📰 বিস্তারিত
১৬ আগস্ট দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের আত্মসমর্পণের ৮১তম বার্ষিকী পালিত হয়। এ উপলক্ষে ইয়াসুকুনি মন্দির পরিদর্শন করেননি প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি। তবে প্রতিরক্ষামন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমি মন্দিরে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানানোর পর চীন ও দক্ষিণ কোরিয়া তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে।
টোকিওর ইয়াসুকুনি মন্দির দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত প্রায় ২৪ লাখ জাপানিকে শ্রদ্ধা জানানোর স্থান। তাঁদের মধ্যে ১৪ জন যুদ্ধাপরাধীও রয়েছেন। এ কারণে চীন ও দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে মন্দিরটি জাপানি সামরিকতন্ত্রের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপান চীন, কোরিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চল দখল করে নিয়েছিল।
প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি আগে আত্মসমর্পণ দিবসে মন্দির পরিদর্শনের প্রতিশ্রুতি দিলেও এবার সেখানে যাননি। তাঁর এই পদক্ষেপ বিশ্লেষকদের মতে চীন ও দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ককে অগ্রাধিকার দেওয়ার ইঙ্গিত বহন করে। অন্যদিকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী কোইজুমি মন্দিরে গিয়ে শ্রদ্ধা জানান। তাঁর সঙ্গে ক্ষমতাসীন দলের আরও তিন নেতা সেখানে শ্রদ্ধাঞ্জলিও রাখেন।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জাপানি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর এই সফরের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে অভিযোগ করেছে, এর উদ্দেশ্য যুদ্ধাপরাধীদের দায় পুনর্বিবেচনা করা এবং ইতিহাস বিকৃত করে দেশটির সামরিকীকরণ ত্বরান্বিত করা। বেইজিং জাপানকে ‘গভীর আত্মসমালোচনা’ করার এবং সামরিকতন্ত্র থেকে দূরে সরে আসার আহ্বান জানিয়েছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং বলেন, দুই দেশের অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সহযোগিতা এখন আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ইতিহাসের যন্ত্রণায় যারা ভুগছেন, তাঁদের প্রতি সম্মান রেখেই নতুন সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে।
"সম্রাট নারুহিতো যুদ্ধের ভয়াবহতা আর কখনো ফিরে না আসার আশা প্রকাশ করেছেন। অতীতের দিকে গভীর অনুশোচনা নিয়ে তাকিয়ে যুদ্ধের সময়কার দুর্ভোগের স্মৃতি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: টোকিও, জাপান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি, প্রতিরক্ষামন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমি, সম্রাট নারুহিতো, প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮১, ২৪ লাখ, ১৪ জন, ১৬ আগস্ট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!