📌 ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের ‘গ্লোবাল লাইভেবিলিটি ইনডেক্স ২০২৬’-এ বিশ্বের সেরা বাসযোগ্য শহরের তালিকায় সপ্তম ও দশম স্থান দখল করেছে জাপানের ওসাকা ও টোকিও। শহরের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে চারটি মূল বিষয়ের ভূমিকা তুলে ধরা হয়েছে প্রতিবেদনে
ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (ইআইইউ) প্রকাশিত ‘গ্লোবাল লাইভেবিলিটি ইনডেক্স ২০২৬’ অনুসারে বিশ্বের সবচেয়ে বাসযোগ্য শহরের তালিকায় সপ্তম স্থান দখল করেছে জাপানের ওসাকা। একই সূচকে দশম স্থানে রয়েছে টোকিও। শীর্ষ দশে স্থান পাওয়া একমাত্র এশীয় দেশ হিসেবে জাপান নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছে এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইআইইউ-এর ‘গ্লোবাল লাইভেবিলিটি ইনডেক্স ২০২৬’-এ ওসাকা পেয়েছে সপ্তম স্থান, টোকিও পেয়েছে দশম স্থান
- 📌 শহরের বাসযোগ্যতা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়েছে গণপরিবহন ব্যবস্থা, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার মান
- 📌 জাপানের শহরগুলোতে দৈনন্দিন জীবনযাত্রাকে সহজ করতে চারটি মূল বিষয়ের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে
- 📌 ‘শোতেনগাই’ নামক ঐতিহ্যবাহী বাণিজ্যিক এলাকা শহরের জীবনযাত্রাকে করেছে আরও গতিশীল
📰 বিস্তারিত
ইআইইউ-এর বার্ষিক প্রতিবেদন ‘গ্লোবাল লাইভেবিলিটি ইনডেক্স ২০২৬’-এ বিশ্বের সবচেয়ে বাসযোগ্য শহরের তালিকায় স্থান পেয়েছে জাপানের দুটি শহর। ওসাকা পেয়েছে সপ্তম স্থান, আর টোকিও রয়েছে দশম স্থানে। শীর্ষ দশে স্থান পাওয়া একমাত্র এশীয় দেশ হিসেবে জাপান নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছে এই সূচকে। প্রতিবেদনে শহরের বাসযোগ্যতা নির্ধারণের ক্ষেত্রে স্থিতিশীলতা, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও অবকাঠামোর মানকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
জাপানের শহরগুলোতে দৈনন্দিন জীবনযাত্রাকে সহজ করতে চারটি মূল বিষয়ের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন নগর পরিকল্পনা বিশেষজ্ঞরা। এর মধ্যে রয়েছে স্থানীয় জীবনযাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ অবকাঠামো নির্মাণ, গণপরিবহন ব্যবস্থাকে প্রতিবন্ধীবান্ধব করা, শহরের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সংরক্ষণ এবং গণপরিসরে শিষ্টাচার বজায় রাখা।
জাপানের শহরগুলোর অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো ‘শোতেনগাই’ নামক ঐতিহ্যবাহী বাণিজ্যিক এলাকা। সরু সড়কের দুই পাশে গড়ে ওঠা এই এলাকাগুলোতে স্থানীয় মানুষের দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় পণ্য ও খাবারের দোকান রয়েছে। এসব এলাকায় ব্যক্তিগত গাড়ির প্রবেশাধিকার সীমিত থাকায় মানুষ হেঁটে বা সাইকেলে চলাচল করতে পারে। শুধু কেনাকাটার স্থান নয়, শোতেনগাই স্থানীয় মানুষের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মিলনস্থল হিসেবেও কাজ করে।
১৮ বছর ধরে টোকিওতে বসবাসকারী পাওয়ার হুইলচেয়ার ব্যবহারকারী জশ গ্রিসডেল জানান, ছাদঢাকা ব্লকের মধ্যেই সবজির দোকান, পুরোনো কফিশপ, ক্লিনিক, ১০০ ইয়েনের দোকান এবং রাতের খাবারের ব্যবস্থা রয়েছে। এর ফলে শহরের জীবনযাত্রা হয়ে উঠেছে আরও সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময়।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাপান, টোকিও ও ওসাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জশ গ্রিসডেল (টোকিওতে বসবাসকারী হুইলচেয়ার ব্যবহারকারী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ম স্থান (ওসাকা), ১০ম স্থান (টোকিও), ১৮ বছর (টোকিওতে বসবাস), ১০০ ইয়েনের দোকান
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!