📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:৩৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মঙ্গলের উপগ্রহ ফোবোস থেকে নমুনা সংগ্রহে জাপানের মহাকাশ অভিযান, চীনকে টেক্কা দিতে প্রস্তুতি

মঙ্গলের উপগ্রহ ফোবোস থেকে নমুনা সংগ্রহে জাপানের মহাকাশ অভিযান, চীনকে টেক্কা দিতে প্রস্তুতি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জাপান মঙ্গলের দুই উপগ্রহ ফোবোস ও ডিমোস থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনতে মহাকাশযান এমএমএক্স উৎক্ষেপণের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই মিশনের মাধ্যমে সৌরজগতের উৎপত্তি ও পৃথিবীতে প্রাণের আবির্ভাবের রহস্য উন্মোচনের চেষ্টা করা হবে। চীনের প্রতিদ্বন্দ্বী মিশনের আগেই কাজটি সম্পন্ন করতে চায় জাপান

মঙ্গলের দুই উপগ্রহ ফোবোস ও ডিমোস থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে মহাকাশ অভিযান পরিচালনার প্রস্তুতি নিচ্ছে জাপান। দেশটির বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, এই মিশনের মাধ্যমে সৌরজগতের উৎপত্তি এবং পৃথিবীতে প্রাণের আবির্ভাবের রহস্য উন্মোচনের গুরুত্বপূর্ণ সূত্র মিলতে পারে। তবে একই সময়ে চীনের একটি প্রতিদ্বন্দ্বী অভিযানও নমুনা সংগ্রহ করে পৃথিবীতে ফিরে আসার পরিকল্পনা করছে, যা সম্ভাব্যভাবে জাপানের আগেই সফল হতে পারে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 জাপানের মহাকাশযান এমএমএক্স আগামী কয়েক মাসের মধ্যে তানেগাশিমা স্পেস সেন্টার থেকে উৎক্ষেপণের কথা রয়েছে
  • 📌 মিশনটির লক্ষ্য ফোবোস থেকে অন্তত ১০ গ্রাম উপাদান সংগ্রহ করে ২০৩১ সালের দিকে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনা
  • 📌 এমএমএক্স প্রকল্পটি ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সিসহ প্রায় এক ডজন প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় পরিচালিত হচ্ছে
  • 📌 ফোবোস ও ডিমোসের উৎপত্তি নিয়ে রয়েছে দুটি প্রধান তত্ত্ব: ‘জায়ান্ট ইমপ্যাক্ট’ ও ‘ক্যাপচার’
  • 📌 মিশনটির মাধ্যমে মানুষকে মঙ্গলে পাঠানোর জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি উদ্ভাবনের সম্ভাবনা রয়েছে

📰 বিস্তারিত

জাপানের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা জেএএক্সএ-এর নেতৃত্বে পরিচালিত ‘মার্শিয়ান মুনস এক্সপ্লোরেশন (এমএমএক্স)’ নামের এই মহাকাশযানটি আগামী কয়েক মাসের মধ্যে তানেগাশিমা স্পেস সেন্টার থেকে উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রায় তিন বছর ধরে মঙ্গলের কক্ষপথে অবস্থান করে মহাকাশযানটি ফোবোসে অবতরণের চেষ্টা করবে। ফোবোসের পৃষ্ঠ থেকে অন্তত ১০ গ্রাম উপাদান সংগ্রহের পাশাপাশি আইডিইএফআইএক্স নামের একটি রোভার ফোবোসের পৃষ্ঠ পর্যবেক্ষণ করবে। রোভারটির নামকরণ করা হয়েছে কমিক চরিত্র অ্যাস্টেরিক্সের কুকুরের ফরাসি নাম থেকে।

মহাকাশযানটি মঙ্গলের অপর উপগ্রহ ডিমোসও পর্যএএক্সএ-এর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই মিশনের মাধ্যমে মঙ্গল ও তার দুই উপগ্রহ কীভাবে সৃষ্টি হয়েছে, সেই রহস্যের সমাধান করা সম্ভব হবে।

ফরাসি জ্যোতির্পদার্থবিদ প্যাট্রিক মিশেল বলেন, ‘এমএমএক্স এমন পরিবহন-প্রক্রিয়া সম্পর্কে আলোকপাত করবে, যার মাধ্যমে বাইরের সৌরজগত থেকে পানি, উদ্বায়ী পদার্থ এবং জৈব যৌগগুলো ভেতরের পাথুরে গ্রহগুলোর অঞ্চলে পৌঁছেছিল।’ তিনি আরও বলেন, ‘ফোবোস ও ডিমোস যদি সেই প্রাথমিক সরবরাহ-ব্যবস্থার অবশেষ হয়ে থাকে, তাহলে এগুলোর মধ্যে প্রাণের উৎপত্তি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র থাকতে পারে।’

এমএমএক্স প্রকল্পটি ফ্রান্সের ন্যাশনাল সেন্টার ফর স্পেস স্টাডিজ, জার্মান অ্যারোস্পেস সেন্টার, নাসা, ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি এবং আরও প্রায় এক ডজন বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় পরিচালিত হচ্ছে। মহাকাশযানটির অবতরণ পা তৈরির কাজ ছিল প্রকল্পটির অন্যতম চ্যালেঞ্জ। কারণ ফোবোসের মহাকর্ষ অত্যন্ত দুর্বল। মিতসুবিশি ইলেকট্রিকের প্রকৌশলী আকিনারি উয়েহারা বলেন, ‘অবতরণের সময় ধাক্কা প্রশমিত করার জন্য পাগুলোকে এমনভাবে তৈরি করতে হবে, যাতে প্রোবটি পড়ে না যায়।’

"এমএমএক্স এমন পরিবহন-প্রক্রিয়া সম্পর্কে আলোকপাত করবে, যার মাধ্যমে বাইরের সৌরজগত থেকে পানি, উদ্বায়ী পদার্থ এবং জৈব যৌগগুলো ভেতরের পাথুরে গ্রহগুলোর অঞ্চলে পৌঁছেছিল। এই প্রক্রিয়াগুলো এই গ্রহগুলোকে বাসযোগ্য করে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকতে পারে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: তানেগাশিমা স্পেস সেন্টার, জাপান
  • 👥 প্রকল্পের মুখ্য ব্যক্তি: জেএএক্সএ, প্যাট্রিক মিশেল
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ গ্রাম, ০.৩৫ আউন্স, ২০৩১ সাল

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖