📌 ইসরায়েলি সেনাবাহিনী পশ্চিম তীরের কুসরা শহরের তিনটি ফিলিস্তিনি পরিবারের কাছে খাদ্য ও পানি পৌঁছাতে বাধা দিয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের দাবি, অবরুদ্ধ পরিবারগুলোতে পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে
পশ্চিম তীরের অধিকৃত শহর কুসরায় অবরুদ্ধ তিনটি ফিলিস্তিনি পরিবারের কাছে সাহায্য পৌঁছাতে বাধা দিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। শুক্রবার স্থানীয় ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফার বরাত দিয়ে আল জাজিরা জানায়, ইসরায়েলি ও বিদেশি কর্মীরা রাস আল-আইন এলাকার তিনটি বাড়িতে খাদ্য ও পানি পৌঁছানোর চেষ্টা করলে সেনাবাহিনী তাদের প্রবেশে বাধা দেয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইসরায়েলি সেনাবাহিনী কুসরায় তিনটি ফিলিস্তিনি পরিবারের কাছে সাহায্য পৌঁছাতে বাধা দেয়
- 📌 অবরুদ্ধ পরিবারগুলোতে পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে
- 📌 অবরুদ্ধ এলাকায় প্রায় ১৫ ফিলিস্তিনি, যার মধ্যে দুটি শিশু রয়েছে
- 📌 ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ অবরুদ্ধ পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগের দায়িত্ব পুলিশকে দেওয়ার নির্দেশ দেন
- 📌 রাজনৈতিক বিশ্লেষক ইব্রাহিম রাবাইয়া বলেন, পুলিশ বসতি স্থাপনকারীদের হামলা প্রতিরোধ করতে পারবে না
📰 বিস্তারিত
কুসরার মেয়র আবদুল আজিম ওয়াদি ওয়াফাকে জানান, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী সপ্তাহের শুরুতে অবরুদ্ধ পরিবারগুলোর কাছে পৌঁছানোর চেষ্টাকারী ইতালীয় কর্মীদেরও এলাকা ত্যাগ করতে বাধ্য করে। স্থানীয় প্রশাসনের দাবি, বসতি স্থাপনকারীরা সড়কে পাথর স্তূপ করে রাস্তা অবরোধ করে এবং কাছেই তাঁবু স্থাপন করে। ফলে পরিবারগুলো স্বাধীনভাবে চলাচল করতে পারছে না।
জাতিসংঘ জানায়, প্রায় ১৫ ফিলিস্তিনি, যার মধ্যে দুটি শিশু রয়েছে, তিনটি বাড়িতে অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছে। তাদের কাছে পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। জাতিসংঘের ভাষ্য, তারা নিজেদের বাড়িতে ভীতিকর অবস্থায় আটকা পড়ে আছে এবং মৌলিক চাহিদা মেটাতে পারছে না।
আল জাজিরার প্রতিবেদক লায়েথ জাআর জানান, শুক্রবার বসতি স্থাপনকারীরা আবার তাঁবু স্থাপনের চেষ্টা করলে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী তা সরিয়ে দেয়। কুসরা উত্তর অধিকৃত পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে বলে জাতিসংঘ জানিয়েছে।
"তারা নিজেদের বাড়িতে ভীতিকর অবস্থায় আটকা পড়ে আছে, মৌলিক চাহিদা মেটাতে পারছে না এবং পানি বা বিদ্যুৎ ছাড়াই রয়েছেন।"
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগের দায়িত্ব সেনাবাহিনীর কাছ থেকে পুলিশকে দেওয়ার নির্দেশ দেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ইব্রাহিম রাবাইয়া আল জাজিরাকে বলেন, এই সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক বিবেচনার ফল হতে পারে। তিনি মনে করেন, পুলিশ বসতি স্থাপনকারীদের হামলা প্রতিরোধ করতে পারবে না।
"পুলিশ জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, যিনি এই বসতি স্থাপনকারীদের অস্ত্র সরবরাহ করেন এবং পশ্চিম তীরে তাদের সমর্থন করেন।"
রাবাইয়া আরও বলেন, অবকাঠামো, অর্থায়ন ও পরিকল্পনার মাধ্যমে বসতি সম্প্রসারণকে এমন পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে যে তা আর ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। তিনি একে একটি "অপরিবর্তনীয় বাস্তবতা" হিসেবে বর্ণনা করেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুসরা, অধিকৃত পশ্চিম তীর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কুসরার মেয়র আবদুল আজিম ওয়াদি, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ইব্রাহিম রাবাইয়া
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ জন ফিলিস্তিনি, ২ জন শিশু
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!