📅 ১ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৫১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ইসরায়েলের নেসেটে নেতানিয়াহুর জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারায়: আইজেনকটের তিনটি বিলের প্রস্তুতি

ইসরায়েলের নেসেটে নেতানিয়াহুর জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারায়: আইজেনকটের তিনটি বিলের প্রস্তুতি

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইসরায়েলের নেসেটে নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জোট। বিরোধী নেতা গাদি আইজেনকট বলেছেন, ৭ অক্টোবরের ঘটনার তদন্ত, বাধ্যতামূলক জাতীয় সেবা ও বিচার সংস্কার আইন বাতিলের বিল দ্রুত পেশ করা হবে। নেতানিয়াহু বিদেশি হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলেছেন, কিন্তু আইজেনকট নির্বাচনের ফলাফলকে নিশ্চিত করেছেন

ইসরায়েলের নেসেট নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জোট। বিরোধী জোটের নেতা গাদি আইজেনকট দ্রুত সরকার গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তিনি বলেছেন, নির্বাচনে ইসরায়েলের মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছেন। শনিবার তার বিবৃতিতে তিনি জানান, পার্লামেন্টে বিরোধীদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা কাজে লাগানো হবে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ইসরায়েলের নেসেটে ১২০টি আসনের মধ্যে নেতানিয়াহুর জোট পেয়েছে ৫৩টি, বিরোধী জোট ৪৮টি এবং আরব দল ১৯টি আসন
  • 📌 আইজেনকটের প্রস্তাবিত তিনটি বিল: ৭ অক্টোবরের নিরাপত্তা ব্যর্থতা তদন্ত, বাধ্যতামূলক জাতীয় সেবা চালু, বিচার সংস্কার আইন বাতিল
  • 📌 নেতানিয়াহু বিদেশি হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলেছেন, কিন্তু আইজেনকট নির্বাচনের ফলাফলকে নিশ্চিত করেছেন
  • 📌 আইজেনকটের চারটি শর্ত: ইসরায়েলকে ইহুদি-গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি, সবার সামরিক অন্তর্ভুক্তি, হামাসকে সন্ত্রাসী হিসেবে স্বীকৃতি ও গাজা ধ্বংস
  • 📌 লিকুদ বিরোধী সদস্যদের ফোন করার অভিযোগে শিক্ষামন্ত্রী ইয়োভ কিশ ও উপমন্ত্রী আলমোগ কোহেনের নাম উল্লেখ করেছেন ইয়াশার পার্টি

📰 বিস্তারিত

ইসরায়েলের নেসেটের মোট আসন ১২০টি। নির্বাচনে জায়নবাদী নেতানিয়াহুবিরোধী দলগুলো পেয়েছে ৪৮টি আসন। অন্যদিকে নেতানিয়াহুর জোট পেয়েছে ৫৩টি আসন। বাকি ১৯টি আসন পেয়েছে দুটি আরব দল। সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় সরকার গঠন নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিরোধী জোটের নেতা গাদি আইজেনকট বলেছেন, পাঁচ লাখের বেশি ভোটের ব্যবধানে ইসরায়েলের মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছেন।

আইজেনকট জানান, নির্বাচনের ফলাফল স্পষ্ট। তিনি বলেন, সরকার নয়, সরকারের প্রতি জনআস্থা আছে কি না, সেই নিশ্চয়তা দেয় পার্লামেন্ট। তিনি দাবি করেছেন, পার্লামেন্টের অধিবেশন শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিল আনা হবে। এগুলো হলো ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলার আগে ও সময়কার নিরাপত্তা ব্যর্থতা তদন্তে রাষ্ট্রীয় তদন্ত কমিশন গঠন, সবার জন্য বাধ্যতামূলক জাতীয় সেবা চালু করা এবং বিদায়ী সরকারের পাস করা বিতর্কিত বিচার বিভাগ সংস্কার আইন বাতিল করা।

নেতানিয়াহু ও তাঁর মিত্ররা বিদেশি হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলেছেন। এর জবাবে আইজেনকট বলেন, সরকার নয়, সরকারের প্রতি জনআস্থা আছে কি না, সেই নিশ্চয়তা দেয় পার্লামেন্ট। তিনি বলেছেন, নতুন সরকার শপথ নেওয়ার আগে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সরাসরি ও তাৎক্ষণিক কোনো হুমকি দেখা দিলে শুধু তখন তিনি সামরিক অভিযানে সমর্থন দেবেন।

আইজেনকট চারটি শর্ত দিয়েছেন নতুন সরকার গঠনের জন্য। এগুলো হলো ইসরায়েলকে ইহুদি, গণতান্ত্রিক, উদার ও সমতাভিত্তিক রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া, দেশটির স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে থাকা মূল্যবোধের প্রতি অঙ্গীকার, সব নাগরিককে বাধ্যতামূলকভাবে সামরিক বাহিনীতে অন্তর্ভুক্তি চালু করা এবং হামাসকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি গাজায় সংগঠনটির সামরিক ও শাসনক্ষমতা ধ্বংস করা। তিনি জানান, এসব শর্ত মেনে নিলে যেকোনো নির্বাচিত প্রতিনিধির সঙ্গেই কাজ করতে তাঁর আপত্তি নেই।

দলীয় জোট গঠনের চেষ্টায় নেতানিয়াহুর দল লিকুদ বিরোধী শিবিরের সদস্যদের দলে টানার চেষ্টা করছে বলে দাবি করেছে ইয়াশার পার্টি। দলটির অভিযোগ, লিকুদের মন্ত্রী ও আইনপ্রণেতারা তাদের সদস্যদের ফোন করেছেন। এ ক্ষেত্রে শিক্ষামন্ত্রী ইয়োভ কিশ ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উপমন্ত্রী আলমোগ কোহেনের নাম উল্লেখ করেছে দলটি। তবে কোহেন এ অভিযোগকে ভুয়া খবর বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ইয়াশার পার্টির কোনো সদস্যের সঙ্গে তিনি কথা বলেননি।

এদিকে, ১০ নভেম্বর নতুন পার্লামেন্টের শপথ গ্রহণের সময় বর্তমান স্পিকার আমির ওহানাকে পদ থেকে সরানোর পরিকল্পনা করছেন বিরোধীরা। তবে স্পিকার হওয়ার জন্য বেশ কয়েকটি অনুরোধ পেলেও এ পদে বসার কোনো ইচ্ছা বা অভিপ্রায় নেই বলে জানিয়েছেন বিরোধী নেতা আভিগদোর লিবারম্যান।

"পাঁচ লাখের বেশি ভোটের ব্যবধানে ইসরায়েলের মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছেন। তাঁরা মূলত ৭ অক্টোবরের ঘটনার জন্য দায়ী সরকার এবং সামরিক বাহিনীতে বাধ্যতামূলক অন্তর্ভুক্তি এড়িয়ে যাওয়ার বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ইসরায়েলের নেসেট (পার্লামেন্ট)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গাদি আইজেনকট, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, ইয়োভ কিশ, আলমোগ কোহেন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২০টি আসন (মোট), ৪৮টি আসন (বিরোধী জোট), ৫৩টি আসন (নেতানিয়াহুর জোট), ১৯টি আসন (আরব দল), ৭ অক্টোবর, ১০ নভেম্বর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖