📅 ২০ আগস্ট ২০২৬, ৭:০৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ইসলামভীতি উসকে দিয়ে পশ্চিমা সমর্থন ধরে রাখার চেষ্টায় ইসরায়েলের নতুন কৌশল

ইসলামভীতি উসকে দিয়ে পশ্চিমা সমর্থন ধরে রাখার চেষ্টায় ইসরায়েলের নতুন কৌশল

📷 ছবি: আল জাজিরা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Al Jazeera ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের ডানপন্থী রাজনীতিতে ইসলামভীতির উত্থান ঘটাচ্ছে ইসরায়েল। নেতানিয়াহুর নেতৃত্বে দেশটি ইসলামকে ‘হুমকি’ হিসেবে তুলে ধরছে, যার মাধ্যমে পশ্চিমা সমর্থন ধরে রাখতে চাইছে। একইসঙ্গে মুসলিমবিরোধী কর্মকাণ্ড বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিম সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা হুমকির মুখে

যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান দলের এক কংগ্রেস সদস্যের স্টাফ প্রধানকে নিয়ে দীর্ঘ আলোচনার পরেও একটি বিষয় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন আলোচক। আলোচনার বিষয় ছিল যুক্তরাষ্ট্রের ইসরায়েল নীতির প্রতি দলটির সন্দেহ এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রভাব। তবে শেষ পর্যায়ে উঠে আসে ‘শরিয়া-মুক্ত আমেরিকা ককাস’ নামে একটি নতুন দল গঠনের বিষয়টি। দলটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্যরা ইসলামকে বর্ণনা করেছেন ‘হিংসা, নারীর প্রতি নির্যাতন ও নির্মম রাজনৈতিক বিজয়ের ধর্ম’ হিসেবে। দলটির এক সদস্য স্পষ্ট করে বলেন, "ওহ, এটা নিয়ে চিন্তা করবেন না। মুসলিমরা তো সহজ টার্গেট। আসলে লক্ষ্য ভারতীয় ও অন্যান্য ব্রাউন মানুষজন। এমনকি ইহুদিরাও। এটি যুক্তরাষ্ট্রকে প্রথমে রাখার ক্ষেত্রে কোনো বাধা হবে না। দলটির একমাত্র সদস্য যিনি ইসরায়েল সম্পর্কে এসব বাজে কথা বিশ্বাস করেন তিনি হলেন র‍্যান্ডি ফাইন।"

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রে ইসলামভীতির উত্থান ঘটাচ্ছে ইসরায়েল, যার মাধ্যমে পশ্চিমা সমর্থন ধরে রাখতে চাইছে দেশটি
  • 📌 ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ইসলামকে বর্ণনা করেছেন ‘পশ্চিমা সভ্যতার জন্য হুমকি’ হিসেবে
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান দলের মধ্যে মুসলিমবিরোধী মনোভাব বৃদ্ধি পেয়েছে, যা মুসলিম সম্প্রদায়ের নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলেছে
  • 📌 জানুয়ারি ২০২৬ সালে জেরুজালেমে অনুষ্ঠিত ইসরায়েলের আয়োজিত এক সম্মেলনে ইউরোপের ডানপন্থী দলগুলোর নেতারা অংশগ্রহণ করেন

📰 বিস্তারিত

যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে ইসলামভীতির উত্থান ঘটানোর পেছনে ইসরায়েলের ভূমিকা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু সম্প্রতি সতর্ক করে বলেছেন, "পারমাণবিক অস্ত্রধারী প্রথম ইসলামি প্রজাতন্ত্র হবে ব্রিটেন।" একইসঙ্গে তিনি ইরান, হিজবুল্লাহ ও তুরস্কের নেতাদের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। নেতানিয়াহুর নেতৃত্বে ইসরায়েল ইসলামকে ‘পশ্চিমা সভ্যতার জন্য হুমকি’ হিসেবে তুলে ধরছে, যার মাধ্যমে দেশটি পশ্চিমা দেশগুলোর সমর্থন ধরে রাখতে চাইছে।

গত জানুয়ারিতে জেরুজালেমে অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে ইসরায়েল ইউরোপের ডানপন্থী দলগুলোর নেতাদের একত্রিত করে। পোল্যান্ডের পিস, স্পেনের ভক্স, হাঙ্গেরির ফিদেসজ ও ফ্রান্সের র‍্যাসেম্বলমেন্ট ন্যাশনালের নেতারা এতে অংশগ্রহণ করেন। নেতানিয়াহু তাঁদের উদ্দেশ্যে বলেন, "আমরা সবাই মিলে ইসলামি উগ্রপন্থার বিরুদ্ধে লড়াই করছি।"

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিমবিরোধী কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পেয়েছে। মে মাসে সান ডিয়েগোর একটি ইসলামিক সেন্টারে গুলিতে দুই মুসল্লি ও একজন নিরাপত্তা কর্মী নিহত হন। টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট মুসলিমদের জন্য ফুটওয়াশিং স্টেশন স্থাপনের বিরোধিতা করে বলেন, এটি সংবিধানবিরোধী।

"ওহ, এটা নিয়ে চিন্তা করবেন না। মুসলিমরা তো সহজ টার্গেট। আসলে লক্ষ্য ভারতীয় ও অন্যান্য ব্রাউন মানুষজন। এমনকি ইহুদিরাও। এটি যুক্তরাষ্ট্রকে প্রথমে রাখার ক্ষেত্রে কোনো বাধা হবে না। দলটির একমাত্র সদস্য যিনি ইসরায়েল সম্পর্কে এসব বাজে কথা বিশ্বাস করেন তিনি হলেন র‍্যান্ডি ফাইন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু, নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: জানুয়ারি ২০২৬ (ইসরায়েল আয়োজিত সম্মেলনের সময়)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖